গাজীপুরের কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারের সংরক্ষিত এলাকায় একটি বেসরকারি হেলিকপ্টার অবতরণ করেছে। বৃহস্পতিবার (১০ আগস্ট) সকাল ১১টার দিকের এ ঘটনাকে ঘিরে কারাগারে তোলপাড় শুরু হয়। তবে কারা অধিদফতরের ঢাকা ডিভিশনের ডিআইজি প্রিজন তৌহিদুর রহমান বাংলা ট্রিবিউনকে নিশ্চিত করেছেন, ভুল করে হেলিকপ্টারটি এখানে নেমেছে।
জানা গেছে, বাংলাদেশি বংশোদ্ভুত মালয়েশিয়ান নাগরিক বিল্লাল হোসেন স্ত্রী ও তিন সন্তানকে নিয়ে মেঘনা এভিয়েশনের একটি হেলিকপ্টারে চড়ে ঢাকা থেকে গাজীপুরের কোনাবাড়িতে কুদ্দুস নগর এলাকায় একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে অংশ নিতে যাচ্ছিলেন। কিন্তু পাইলট ভুল করে কারা কমপ্লেক্সের অভ্যন্তরে খোলা স্থানে হেলিকপ্টার নিয়ে অবতরণ করেন। পরে কারাগারের রক্ষীরা তাদের আটক করে এখানে অবতরণের কারণ জানতে চান। তখন তারা ভুল স্বীকার করেন। এ ঘটনা বাংলা ট্রিবিউনের গাজীপুর প্রতিনিধিকে এসব তথ্য জানান কাশিমপুর কারাগার-২-এর জেল সুপার সুব্রত কুমার বণিক।
এদিকে মেঘনা এভিয়েশন এ ভুলের জন্য ক্ষমা চেয়েছেন। তাদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বেল ৪০৭ জিএক্স মডেলের সাত আসনের হেলিকপ্টারটি ঢাকা থেকে গাজীপুরে গিয়েছিল।
তবে নিয়ম অনুযায়ী, হেলিকপ্টার নিয়ে কোথাও অবতরণ করতে হলে সিভিল এভিয়েশনের অনুমতি নিতে হয়। পাশাপাশি জানাতে হয় স্থানীয় থানাকেও।
এ প্রসঙ্গে মেঘনা এভিয়েশনের ফ্লাইট অপারেশন অফিসার সাইফুল ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘যাত্রী যে জায়গায় নামার কথা আগে থেকে বলেছিলেন হেলিকপ্টার নামার সময় দেখা যায় ওপর দিয়ে বিদ্যুতের তার। এ কারণে পাইলট সেখানে না নেমে অন্য জায়গায় যাত্রী নামান। এটি যে কারাগারের সংরক্ষিত এলাকা তা পাইলটের জানা ছিল না।’
এদিকে ঘটনাস্থলে কিছুক্ষণ জিজ্ঞাসাবাদের পর কুমিল্লার হোমনা এলাকার পোলট্রি ব্যবসায়ী বিল্লাল হোসেনের কাছ থেকে মুচলেকা নিয়ে তাদের ছেড়ে দিয়েছে কাশিমপুর কারাগার কর্তৃপক্ষ। কাশিমপুর কারাগার-২-এর সিনিয়র জেল সুপার প্রশান্ত বণিক বাংলা ট্রিবিউনকে এসব তথ্য জানান।
/জেইউ/সিএ/জেএইচ/







