রংপুরের কাউনিয়া মাজারের খাদেম রহমত আলী (৬০) হত্যা মামলায় বিচারিক আদালতে মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত সাত আসামি জেএমবি সদস্যের ডেথ রেফারেন্স (মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন) হাইকোর্টে এসে পৌঁছেছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সুপ্রিম কোর্টের স্পেশাল অফিসার ব্যারিস্টার মো. সাইফুর রহমান বাংলা ট্রিবিউনকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
নিয়ম অনুযায়ী, নিম্ন আদালতে কোনও মামলায় আসামির মৃত্যুদণ্ড হলে তা অনুমোদনের জন্য মামলার নথি হাইকোর্টের পাঠান সংশ্লিষ্ট আদালত; যা ডেথ রেফারেন্স হিসেবে পরিচিত।
এর আগে গত ১৮ মার্চ রংপুরের কাউনিয়ায় মাজারের খাদেম রহমত আলী (৬০) হত্যা মামলায় সাত জেএমবি জঙ্গিকে মৃত্যুদণ্ডের রায় দেন রংপুরের বিশেষ জজ আদালতের বিচারক নরেশ চন্দ্র সরকার। একইসঙ্গে প্রত্যেকে ২০ হাজার টাকা করে জরিমানারও আদেশ দেওয়া হয়। এছাড়া চার জনকে বেকসুর খালাস দেন আদালত।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলো জেএমবির রংপুর অঞ্চলের কমান্ডার মাসুদ রানা ওরফে মন্ত্রী, এছাহাক আলী, লিটন মিয়া ওরফে রফিক, বিজয় ওরফে আলী ওরফে দর্জি, সাখাওয়াত হোসেন, সরওয়ার হোসেন ওরফে সাবু ও চান্দু মিয়া। তাদের মধ্যে ছয় জন রংপুর কারাগারে। আর পীরগাছার চান্দু মিয়া (২০) পলাতক।
উল্লেখ্য, ২০১৫ সালের ১০ নভেম্বর রাতে রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার টেপামধুপুর ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের সভাপতি, পল্লী চিকিৎসক ও সুরেশ্বরী পীরের মতাদর্শের মাজারের খাদেম রহমত আলী খুন হন। স্থানীয় বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে চৈতার মোড়ে জেএমবির সদস্যরা তাকে গলা কেটে হত্যা করে। এ ঘটনায় রহমতের ছেলে অ্যাডভোকেট শফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে হত্যা মামলা করেন। ওই মামলায় জেএমবির সাতজনকে মৃতুদণ্ড দেন আদালত।








