নকল ওষুধ তৈরির সরঞ্জামসহ ৫ প্রতারক গ্রেফতার

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
০৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১৪:০০আপডেট : ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১৪:১৩

উদ্ধার করা ওষুধ তৈরির নকল সরঞ্জামাদি রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন কোম্পানির নকল ওষুধ তৈরির সরঞ্জামসহ  ৫ জনকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। তারা হলো, আ. সোবহান, মোহাম্মদ নাঈমুর রহমান তুষার, রিয়াজুল ইসলাম মৃদুল, নারগিছ বেগম ও মোহাম্মদ ওয়াহিদ।

শনিবার রাতে তাদের গ্রেফতার করা হয়। রবিবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার  (ডিবি) আবদুল বাতেন সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান।

গ্রেফতারকৃতদের কাছ থেকে প্রিন্টার, রঙের কৌটা, মেয়াদ উত্তীর্ণের তারিখ ও ব্যাচ নং লেখাসহ বিভিন্ন প্রকার সিল, একটি বহুজাতিক ওষুধ কোম্পানির ৩০০ পিস নকল ইনসুলিন, নকল সেক্স পাওয়ার ক্যাপসুল ৮৪ হাজার পিস, অ্যাক্ট্রাপিড ১০ মিলি ৬৫ পিস, জি পেথিডিন প্লাস্টিকের একটি ট্রে প্রিমিয়ার ফার্মাসিউটিক্যাল লিমিটেডের জি পেথিডিন ইনজেকশনের ১ রোল ওয়ালপেপার( স্টিকার), প্রিমিয়ার ফার্মাসিটিক্যালসের অ্যালাট লেখা ওষুধের ফয়েল পেপার জব্দ করা হয়।

পুলিশ কর্মকর্তা আবদুল বাতেন জানান, এই চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে নকল ওষুধ তৈরি করে আসছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চক্রের ৫ সদস্যকে নকল ওষুধ তৈরির সরঞ্জামসহ গ্রেফতার করা হয়। শিশুদের দিয়ে অভিনব কৌশলে তারা এসব বহন করতো। বিভিন্ন অখ্যাত ফার্মেসির মাধ্যমে মার্কেটিং করে নকল ওষুধগুলো নাম মূল্যে বিক্রি করে জনসাধারণকে প্রতারিত করে আসছিল।

তিনি আরও বলেন, ‘পুরো চক্রটিকে আইনের আওতায় নিয়ে আসার জন্য আমাদের অভিযান চলবে। আমাদের মূল টার্গেট এখন কারা কীভাবে কোন প্রক্রিয়ায় এবং কোন কোন বিশেষ ফার্মেসিগুলোতে এসব ওষুধ বিক্রির জন্য ব্যবহার করে আসছে। খুব দ্রুত আমরা আরও বেশ কিছু চক্রকে ধরতে পারবো বলে মনে করছি। এসব নকল ওষুধ মানুষের কাজে আসে না, অন্যদিকে মৃত্যুঝুঁকি বাড়ায়।’

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামি মোহাম্মদ সোবহান দীর্ঘদিন ধরে একাধিক ওষুধ কোম্পানির ওষুধ নিজস্ব প্রযুক্তি ব্যবহার করে, ওষুধের লেবেল ব্যবহার করে সব তথ্য সম্বলিত সিল দেওয়ার কথা স্বীকার করে। এছাড়াও মেয়াদোত্তীর্ণ বিভিন্ন ওষুধ বিভিন্নভাবে সংগ্রহ করে দেশীয় পদ্ধতিতে ওষুধের গায়ে মেয়াদ ব্যাচ নং মূল্য ইত্যাদি নতুনভাবে সংযোজন করে পুনরায় বাজারজাত করে আসছিল।

 

 

/এনএল/এসটি/
সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
কুমিরের আক্রমণে সন্তানের মৃত্যুর পর ফজিলাকে খুঁজে পেলো পরিবার
কুমিরের আক্রমণে সন্তানের মৃত্যুর পর ফজিলাকে খুঁজে পেলো পরিবার
ট্রাফিক আইন সবার জন্য সমান, পুলিশ সদস্য হলেও ব্যবস্থা: ডিএমপি কমিশনার
ট্রাফিক আইন সবার জন্য সমান, পুলিশ সদস্য হলেও ব্যবস্থা: ডিএমপি কমিশনার
ফ্রিল্যান্সারদের আয় থেকে সাড়ে ৭ শতাংশ কর কাটা নিয়ে যা বলছে এনবিআর 
ফ্রিল্যান্সারদের আয় থেকে সাড়ে ৭ শতাংশ কর কাটা নিয়ে যা বলছে এনবিআর 
কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের আয়ে ৭.৫% কর নেওয়ার অভিযোগ, স্পষ্ট করার দাবি সারজিসের
কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের আয়ে ৭.৫% কর নেওয়ার অভিযোগ, স্পষ্ট করার দাবি সারজিসের
সর্বাধিক পঠিত
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
দায়িত্ব ছাড়ার প্রসঙ্গে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর উদাহরণ টানলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
দায়িত্ব ছাড়ার প্রসঙ্গে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর উদাহরণ টানলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
যুদ্ধবিরোধী প্রস্তাব পাসের পর এবার কী ঘটবে ইরানে
যুদ্ধবিরোধী প্রস্তাব পাসের পর এবার কী ঘটবে ইরানে