পুরানো ঢাকার সংসদ সদস্য হাজী সেলিমের সম্পদের বিষয়ে তথ্যানুসন্ধান করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তবে এখনও এ বিষয়ে কোনও অনুসন্ধান কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়নি। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) দুপুরে দুদক কমিশনার ড. মোজাম্মেল হক খান এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানান।
তিনি বলেন, ‘অতীতের তুলনায় দুদক এখন সফল ও কার্যকরী প্রতিষ্ঠান হিসেবে দাঁড়িয়েছে। ২০১৫ সালে দুদকের মামলার সাজার হার ছিল ৩৭ ভাগ। এর পরের চার বছরে সাজার হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬০ ভাগ। এ বছরের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই সাজার হার ছিল ৭৭ ভাগ।’
দুদক কমিশনার বলেন, ‘মামলা পরিচালনার সময় আইনজীবীরা সব দিক খতিয়ে মামলা পরিচালনা করছে বলে সাজার হার বৃদ্ধি পাচ্ছে। যে ২৩ ভাগ সাজা হচ্ছে না, সেসব মামলার কোথাও না কোথাও ত্রুটি-বিচ্যুতি থাকছে। আমরা সেগুলো কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করছি। মানি লন্ডারিং মামলার ক্ষেত্রে সাজার হার শতভাগে উত্তীর্ণ হয়েছে।’
অনেক মামলায় আপিল না করা প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে মোজাম্মেল হক খান বলেন, ‘যেসব মামলার কস্ট অফ ইফেক্টিভ কম সেগুলোতে সাধারণত আপিল করা হয় না।’








