মহামারি পরিস্থিতিতে মানবিক দৃষ্টিকোণ বিবেচনায় ২০১৭ ও ২০২০ সালের নৈর্ব্যক্তিক উত্তীর্ণদের লিখিত পরীক্ষা থেকে অব্যাহতি দিয়ে মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে মেধা যাচাই করে অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্তির দাবি জানাচ্ছে শিক্ষানবিশ আইনজীবীরা। এই দাবিতে রাজধানীতে জাতীয় প্রেসক্লাবের রাস্তার ফুটপাতে অবস্থান নিয়ে মানবেতর দিনযাপন করছেন শিক্ষানবিশ আইনজীবীরা।
শুক্রবার (১৩ নভেম্বর) ছিল এই প্রতীকী অনশনের ১৩২তম দিন। সেখানে টানা অবস্থান করছে দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সাবেক এই আইন শিক্ষার্থীরা।
শিক্ষানবিশ আইনজীবীরা জানান, প্রায় ৪ বছর ধরে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের অ্যাডভোকেট তালিকাভুক্তির পরীক্ষা সম্পন্ন না হওয়ায় তারা চরম হতাশাগ্রস্ত। ইতোমধ্যে তাদের প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ জন নৈর্ব্যক্তিক উত্তীর্ণ সহপাঠিদের কেউ স্ট্রোক করে, কেউ করোনায় আক্রান্ত হয়ে আইনজীবী হওয়ার স্বপ্নপূরণের পূর্বেই মৃত্যুবরণ করেছেন।
বর্তমানে পাঁচ শতাধিক আইন শিক্ষানবিশ করোনা আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। সেই সঙ্গে দেশের অধিকাংশ এলাকা বন্যা প্লাবিত হওয়ায় মানসিক ও অর্থনৈতিকভাবে বিপর্যস্ত অনেকে। তাই মহামারির এই চরম সংকট মুহূর্তে মানবিক দৃষ্টিকোণ বিবেচনায় প্রায় ৯০ হাজার পরীক্ষার্থীর মধ্যে থেকে ১২ হাজার ৮৭৮ জন নৈর্ব্যক্তিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্ত করতে অনুরোধ জানায় তারা।
অনশনে উপস্থিত আনোয়ার হোসেন কাজী, মোক্তারুল ইসলাম, সামিউল রেজা রনি, আবু সাদাতসহ প্রমুখ শিক্ষানবিশ আইনজীবীরা এসব কথা জানান।







