রাজধানীর বনানী এলাকায় বন্ধুর মেয়েকে ধর্ষণ মামলায় সবুজ মিয়া নামে এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (৭ ডিসেম্বর) ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের ম্যাজিস্ট্রেট বেগম মোছা. কামরুন্নাহার এ রায় ঘোষণা করেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর আফরোজা ফারহানা আহমেদ (অরেঞ্জ) এ তথ্য জানান।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১৭ সালের ১ আগস্ট ভুক্তভোগীর বাবা-মা কাজের জন্য বাড়ির বাইরে ছিলেন। এ সময় মেয়েটি বাড়িতে কাজ করছিলেন। আসামি সবুজ ভুক্তভোগীর বাবার সঙ্গে বন্ধুত্বের সূত্র ধরে তাদের বাসায় আসা-যাওয়া করতো। ঘটনার দিন সবুজ মেয়েটির বাসায় এসে শুয়েছিল। এ সময় থালা-বাসন পরিষ্কার করতে ওই মেয়ে বাইরে যেতে চাইলে জোর করে ওড়না দিয়ে হাত-পা বেঁধে তাকে ধর্ষণ করে সবুজ। ধর্ষণের ঘটনা কাউকে জানালে হত্যার হুমকিও দেয় সে।
প্রতিবেশী এক নারী সবুজকে ওই বাড়ি থেকে বের হয়ে যেতে বলেন। পরে মেয়েটির কাছে ঘটনার কথা জানতে চাইলে ওই নারী কাছে ধর্ষণের কথা খুলে বলে। এ সময় ওই নারী প্রতিবেশীদের সহযোগিতায় সবুজকে আটক করে পিটুনি দিলে ধর্ষণের কথা স্বীকার করে। ভুক্তভোগীর মা-বাবা বাড়িতে ফিরলে সবুজকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়। পরদিন তার মা বাদী হয়ে বনানী থানায় সবুজকে আসামি করে ধর্ষণের মামলা দায়ের করেন।
২০১৮ সালের ২৯ মার্চ বনানী থানার এসআই আশরাফুল আলম আসামির বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন। মামলায় ১১ জন সাক্ষীর মধ্যে বিভিন্ন সময় সাত জন সাক্ষ্য দেন।







