সেই গৃহকর্মীর শরীরে নতুন-পুরনো অসংখ্য নির্যাতনের চিহ্ন

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
০৪ জুলাই ২০২১, ২০:৫৩আপডেট : ০৪ জুলাই ২০২১, ২০:৫৩

মশা মারার ব্যাট দিয়ে গৃহকর্মী সুইটির শরীর পুড়িয়ে দেওয়া হয়। রুটি বানানোর বেলনা দিয়ে আঘাত করে দুই হাত, পায়ের  হাঁটু ও শরীরের বিভিন্ন অংশে আঘাত করা হয়েছে। আঘাত করা স্থানে রক্ত জমাট বেঁধে ছোপ ছোপ চিহ্ন। সারা শরীরে নতুন আর পরনো এমন অনেক নির্যাতনের চিহ্ন বয়ে বেড়াচ্ছে এই কিশোরী বলে জানিয়েছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের উপ-পরিদর্শক জাহাঙ্গীর হোসেন।

রবিবার (৪ জুলাই) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে এসব তথ্য জানান তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের উপ-পরিদর্শক জাহাঙ্গীর হোসেন।

শনিবার (৩ জলাই) রাতে রাজধানীর সেগুনবাগিচা এলাকা থেকে গ্রেফতার করা অভিযুক্ত ওই দম্পতিকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত। এর আগে গৃহকর্মীকে নির্যাতনের ঘটনায় শাহবাগ থানায় ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় দায়ের করা মামলায় গৃহকর্তা তান‌ভির আহসান ও তার স্ত্রী অ্যাড‌ভো‌কেট না‌হিদকে গ্রেফতার দেখিয়ে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা।

আবেদনে তিনি বলেন, ‘৯ মাস আগে নির্যাতনের শিকার সুইটিকে কাজের জন্য নিয়ে আসেন ওই দম্পতি। পরবর্তীতে সে কাজ করতে পারে না বলে বিভিন্ন অজুহাতে নানা সময়ে তাকে মারধর করেন তারা। গত ১ জুলাই রাত ১০টার দিকে সুইটিকে জামা-কাপড় খুলে মশা মারার ইলেকট্রিক ব্যাট দিয়ে তার পেছনে শরীরের নরম মাংস পুড়িয়ে ফেলেন তারা।’

উল্লেখ্য, পুলিশ সদর দফতরের এআইজি সোহেল রানা শনিবার রাতে গণমাধ্যমকে বলেন, ‘প্রায় ৯ মাস আগে শিশুটিকে গ্রাম থেকে বাড়ির কাজে সহযোগিতার জন্য নিয়ে এসেছিল এই দম্পতি। আনার পর থেকেই বিভিন্ন কারণে প্রায়শই তাকে মারধর করা হতো। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক ব্যক্তির পোস্ট করা ছবির মাধ্যমে জানা যায়, অভাবের তাড়নায় শিশুটিকে রাজধানীর তোপখানা রো‌ডের ওই বাসায় গৃহকর্মীর কাজে দিতে বাধ্য হয়েছেন তার দরিদ্র বাবা-মা। তিনি জানান, মেয়েটির চোখের নিচে আঘাতের চিহ্ন, হাতে গুরুতর জখম এবং অপর একটি ছবিতে মেয়েটির পশ্চাৎদেশে উভয়পাশে আগুনে পোড়া ঘা চোখে পড়ে। তার গ্রামের বা‌ড়ি কিশোরগঞ্জের মিঠামইন থানায়।

আরও পড়ুন:

গৃহকর্মীকে নির্যাতনের অভিযোগে দম্পতি কারাগারে

 

/ইউআই/এপিএইচ/
সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
নৌবাহিনী পরিচালিত ডকইয়ার্ডে নির্মিত ফ্লোটিং ক্রেন যুক্ত হলো নৌবহরে
নৌবাহিনী পরিচালিত ডকইয়ার্ডে নির্মিত ফ্লোটিং ক্রেন যুক্ত হলো নৌবহরে
জিয়াউর রহমানের আদর্শ গণতন্ত্র ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার পথ দেখায়: আইনমন্ত্রী
জিয়াউর রহমানের আদর্শ গণতন্ত্র ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার পথ দেখায়: আইনমন্ত্রী
রেললাইনে আটকে গেলো মাইক্রোবাস, ট্রেনের ধাক্কায় পুকুরে
রেললাইনে আটকে গেলো মাইক্রোবাস, ট্রেনের ধাক্কায় পুকুরে
দেশীয় খামারিদের পশুতেই শতভাগ কোরবানি হয়েছে:  প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী
দেশীয় খামারিদের পশুতেই শতভাগ কোরবানি হয়েছে: প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী
সর্বাধিক পঠিত
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
তৃতীয় বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন আমির খান
তৃতীয় বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন আমির খান
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের