যৌতুক চাওয়ার অভিযোগে স্ত্রীর দায়ের করা মামলায় শরিয়তপুর সদর হাসপাতালের কারাবন্দি চিকিৎসক মো. মোস্তাফিজুর রহমান স্বপনকে ভর্ৎসনা করেছেন হাইকোর্ট। তবে একই মামলায় তাকে ৬ মাসের জামিন দিয়েছেন আদালত।
ওই চিকিৎসকের জামিন আবেদনের শুনানি শেষে সোমবার (৫ জুলাই) বিচারপতি জে বি এম হাসানের নেতৃত্বাধীন একক হাইকোর্ট বেঞ্চ জামিন মঞ্জুরের আদেশ দেন।
আদালতে জামিন আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট ড. মমতাজ উদ্দিন আহমেদ মেহেদী ও অ্যাডভোকেট মো. ইলিয়াস হোসেন। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল তুষার কান্তি রায়।
জামিন শুনানিকালে চিকিৎসককে উদ্দেশ্য করে আদালত বলেন, ‘আপনি একজন শিক্ষিত মানুষ। আপনার বিরুদ্ধে যৌতুক চাওয়ার অভিযোগ উঠবে কেন? আপনার বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ আসবে কেন? আপনি একজন ব্যর্থ স্বামী।’
তবে ডা. স্বপনের আইনজীবী আদালতকে বলেন, গত ৪ মার্চ তাদের স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া হয়। ঘটনার পর গত ৬ মার্চ স্ত্রীকে তিনি তালাক দেন। এরও প্রায় দুইমাস পর যৌতুকের মামলা করা হয়েছে। এই ডাক্তার একজন করোনা যোদ্ধা। তিনি ২৫তম বিসিএস উত্তীর্ণ হয়ে সরকারি চিকিৎসক হিসেবে কর্তব্যরত আছেন।
জামিন আবেদনের বিরোধিতা করে রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল তুষার কান্তি রায় আদালতকে বলেন, নথিপত্রে দেখা যায়, এই ডাক্তার তার স্ত্রীকে মারধর করেছেন। যৌতুকের অভিযোগের মামলার আগে একটি জুডিশিয়াল অনুসন্ধান হয়েছে। তাতে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। এরপর মামলা রেকর্ড হয়েছে।
পরে আদালত চিকিৎসকের জামিন মঞ্জুরের আদেশ দেন।









