বগুড়ার সান্তাহারে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুটি শ্রমিক সংগঠনের মধ্যে সংঘর্ষে সিএনজি চালক সোহরাব হোসেন সোহাগ নিহত হবার ঘটনায় মামলা হয়েছে। আদমদীঘি উপজেলা জাতীয় পার্টি ও ইজিবাইক মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ফেরদৌস হাসান সুমনসহ ২৬ জনের নাম উল্লেখ করে আরও অজ্ঞাতনামা শতাধিক জনকে আসামি করা হয়েছে।
হত্যাকাণ্ডের ৭ দিন পর বৃহস্পতিবার (১৪ ডিসেম্বর) বিকালে নিহতের বাবা নওগাঁ সদরের দোগাছী গ্রামের আবদুল খালেক বগুড়ার আদমদীঘি থানায় এ মামলা করেন। আদমদীঘি থানার ওসি শওকত কবীর বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, দীর্ঘদিনের বিরোধ মীমাংসার জন্যে ৮ জানুয়ারি দুপুরে সান্তাহার জেলা পরিষদ ডাকবাংলোয় উভয় পক্ষের বৈঠক হবার কথা ছিল।
সেদিন বেলা ১২টার দিকে বগুড়া জেলা অটোটেম্পু ও সিএনজি মালিক সমিতির সদস্য সোহরাব হোসেন সোহাগ, ওই সমিতির সভাপতি নুর ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমান টিটু, নুর ইসলামের ছোট ভাই নিহত যুবলীগ নেতা শফিকুল ইসলামসহ অন্যরা ডাকবাংলোতে যাচ্ছিলেন।এ সময় উপজেলা জাতীয় পার্টি ও ইজিবাইক মালিক-শ্রমিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ফেরদৌস হাসান সুমনের নেতৃত্বে শতাধিক সশস্ত্র সন্ত্রাসী তাদের উপর হামলা করে।
হামলায় যুবলীগ নেতা শফিকুল ইসলাম নিহত হন এবং গুরুতর আহত সোহাগকে প্রথমে আদমদীঘি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তারিত করা হয়। শনিবার (৯ জানুয়ারি) ভোরের দিকে সোহাগের মৃত্যু হয়।
ওই সন্ত্রাসী হামলায় যুবলীগ নেতা শফিকুল ইসলাম হত্যার ঘটনায় তার বড় ভাই নুর ইসলাম ২৩ জনের নাম উল্লেখ করে আরও অজ্ঞাত ৬০ জনের বিরুদ্ধে ১০ জানুয়ারি একটি মামলা দায়ের করেছেন।
আদমদীঘি থানার ওসি শওকত কবীর জানান, মামলা হয়েছে। এখন পর্যন্ত তিনজন গ্রেফতার হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।
/এইচকে/








