মাদক হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে মরফিন ট্যাবলেট

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
২০ নভেম্বর ২০২১, ১৬:২৯আপডেট : ২০ নভেম্বর ২০২১, ১৬:২৯

ব্যথানাশক ওষুধ মরফিন ট্যাবলেট ব্যবহৃত হচ্ছে মাদক হিসেবে। যদিও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের তালিকাভুক্ত মাদকের তালিকায় রয়েছে এই ট্যাবলেটটি। ব্যথানাশক ওষুধ হিসেবে ব্যবহারের সুযোগ নিয়ে বেশ কয়েকটি চক্র এটিকে মাদক হিসেবে বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে দিচ্ছে। এই চক্রের দুই সদস্যকে ঢাকা মহানগরীর কোতয়ালী থানাধীন বাবুবাজার মাজারের সামনে থেকে শুক্রবার (১৯ নভেম্বর) অক্সি-মরফোন ট্যাবলেটসহ গ্রেফতার করেছে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) লালবাগ বিভাগের কোতয়ালী জোনাল টিম।

কোতয়ালী জোনাল টিমের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার  সাইফুর রহমান বলেন, গ্রেফতারকৃতরা হলো আলমগীর সরকার ও জাহিদুল ইসলাম। তাদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অক্সি-মরফোন ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। তাদের দেওয়া তথ্য মতে কোতয়ালী থানাধীন মিটফোর্ড এবং ধানমন্ডি সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিস হাতে মোট ১৩ হাজার পিস মরফোন উদ্ধার করা হয়।

গোয়েন্দা পুলিশ বলছে, খোলাবাজারে অবৈধভাবে এই অক্সি-মরফোন ট্যাবলেট বিক্রি করে আসছে একটি চক্র। তারা এই ট্যাবলেটের ২০ পিস দুই থেকে আড়াই হাজার টাকায় বিক্রি করতো। বাজারে ২০ পিস অক্সি মরফোনের দাম ৪০০ টাকা। অক্সি-মরফোন হলো মরফিনের একটি অ্যানালগ ভার্সন, যা এনালজেসিক ড্রাগ হিসাবে ব্যবহৃত হয়। এটি ইনজেকশন থেকে ওরাল ফর্মে নিয়ে আসা হয়েছে। এটি মূলত ক্যান্সার, হার্ট, দুরারোগ্য রোগে আক্রান্ত মৃত্যু পথযাত্রী রোগীর তীব্র ব্যথা কমানোর জন্য ব্যবহার করা হয়। বর্তমানে এই ব্যথানাশক ট্যাবলেট ব্যাপক আকারে মাদক হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

সাইফুল ইসলাম বলেন, নির্ধারিত কোম্পানি থেকে এই ট্যাবলেটগুলো অবৈধভাবে আসামিদের কাছে এসেছে। এই ১৩ হাজার ট্যাবলেটের বড় একটা অংশ কুরিয়ারের মাধ্যমে বরিশাল থেকে ঢাকায় এসেছে। যিনি এই ট্যাবলেটগুলো পাঠিয়েছেন তিনি আগের মামলায় পলাতক আসামি। তাকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের সহকারী পরিচালক মেহেদী হাসান বলেন, এটি তালিকাভুক্ত মাদক। সাধারণ ওষুধের মতো এই অক্সি-মরফোন বিক্রির সুযোগ নেই। মাদকসেবীদের কাছে অবৈধভাবে এই মাদক বিক্রি করছে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী। মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর নির্দিষ্ট কিছু ব্যক্তি এবং প্রতিষ্ঠানকে নির্দিষ্ট পরিমাণ ওষুধ বিক্রয় ও বাজারজাত করার অনুমোদন দেয়। যা নির্দিষ্ট কোম্পানির কাছ থেকে লাইসেন্স দেখিয়ে, কোন পথে যাবে, কার কাছে যাবে এসব কিছু জানানোর পর বিক্রি করা হয়।

/আরটি/এমআর/
সম্পর্কিত
মোহাম্মদপুরের জেনেভা ক্যাম্পে মাদকবিরোধী যৌথ অভিযান শুরু
এ যেন ‘গাঁজার সিলিন্ডার’
মাদকসহ গ্রেফতার বিএনপি নেতাকে আজীবনের জন্য বহিষ্কার
সর্বশেষ খবর
গরমে শিশুর সুরক্ষা: সামান্য ভুলও ডেকে আনতে পারে বড় বিপদ
গরমে শিশুর সুরক্ষা: সামান্য ভুলও ডেকে আনতে পারে বড় বিপদ
থানার ভেতরে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে পিটিয়ে আহত, ৩ পুলিশ প্রত্যাহার
থানার ভেতরে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে পিটিয়ে আহত, ৩ পুলিশ প্রত্যাহার
ড্রোন কিনতে ২০০০ বিলিয়ন রুপি ব্যয়ের পরিকল্পনা ভারতের
ড্রোন কিনতে ২০০০ বিলিয়ন রুপি ব্যয়ের পরিকল্পনা ভারতের
কুমিল্লায় এক শিশুকে ধর্ষণ ও আরেক শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ
কুমিল্লায় এক শিশুকে ধর্ষণ ও আরেক শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ
সর্বাধিক পঠিত
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম