রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের মর্গে মৃত নারীদের লাশকে ধর্ষণ করার অভিযোগে দায়ের করা তেজগাঁও থানায় পৃথক দুই মামলায় মুন্না ভগতকে অব্যাহতি দিয়েছেন আদালত।
সোমবার (২২ নভেম্বর) আদালতের সংশ্লিষ্ট সূত্র থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। সূত্র জানায়, ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৬ এর বিচারক মো. আল মামুনের আদালত পুলিশের দেওয়া চূড়ান্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করে পৃথক দুই মামলায় গত ১৮ ও ২১ নভেম্বর মামলার দায় থেকে মুন্না ভগতকে অব্যাহতি দেন আদালত।
গত বছরের ১০ ডিসেম্বর তেজগাঁও থানার এসআই মো. আল-আমিন বাদী হয়ে একটি মামলা করেন। এরপর গত বছরের ২৫ ডিসেম্বর তেজগাঁও থানার এসআই সনজিৎ কুমার ঘোষ বাদী হয়ে মুন্নার বিরুদ্ধে আরেকটি মামলা করেন। এরপর তদন্ত শেষে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা তেজগাঁও থানার এসআই মোহাম্মদ শাহরিয়ার আলম পৃথক দুই মামলায় চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। একইসঙ্গে এ মামলা থেকে মুন্নাকে অব্যাহতির আবেদন করেন।
অন্যদিকে রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানার পৃথক দুই মামলায় তার বিরুদ্ধে চার্জশিট দিয়েছে পুলিশ। মামলা দুটি বিচার শুরুর অপেক্ষায় রয়েছে।
উল্লেখ্য, মুন্না ভগত সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের মর্গে ডোম জতন কুমার লালের সহযোগী হিসেবে কাজ করতো। দুই-তিন বছর ধরে সে মর্গে থাকা মৃত নারীদের ধর্ষণ করে আসছিল। সম্প্রতি এ রকম একটি অভিযোগ পেয়ে মুন্নার বিষয়ে অনুসন্ধান শুরু করে সিআইডি। গত ১৯ নভেম্বর রাতে তাকে গ্রেফতার করে সিআইডি। প্রাথমিক অনুসন্ধানে ঘটনার সত্যতা পাওয়ায় মুন্নাকে গ্রেফতার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মুন্না মৃত নারীদের ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছে।
সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের মর্গে দায়িত্বরত ডোম ও মুন্নার মামা জতন কুমার লাল জানান, মুন্না গত দুই-তিন বছর ধরে তার সহযোগী হিসেবে মর্গে কাজ করতো। তার বাবার নাম দুলাল ভগত। গ্রামের বাড়ি রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ বাজারে। সে আরও দুই-তিন জনের সঙ্গে মর্গের পাশে একটি কক্ষেই রাতে থাকতো।








