দুর্নীতির মামলায় পুঠিয়া থানার সাময়িক বরখাস্ত হওয়া ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাকিল উদ্দিন আহমেদকে জামিন দেননি হাইকোর্ট। একইসঙ্গে তাকে দুই সপ্তাহের মধ্যে বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিয়ে তার পাসপোর্ট আদালতে জমা রাখার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।
একটি আবেদনের শুনানি নিয়ে মঙ্গলবার (২৩ নভেম্বর) বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি এ কে এম জহিরুল হকের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।
আদালতে আবেদনকারীর পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী এম কে রহমান। অপরদিকে দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মো. খুরশীদ আলম খান ও একেএম আলমগীর পারভেজ ভূঁইয়া। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একেএম আমিন উদ্দিন মানিক, সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল আন্না খানম কলি ও মো. সাইফুর রহমান সিদ্দিকী সাইফ।
এজাহারে থাকা তথ্য মতে, এর আগে পুঠিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার দায়িত্বে থেকে পুলিশ রেগুলেশন অব বেঙ্গলের প্রবিধান ২৪৩ ও ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারা সুস্পষ্টভাবে লঙ্ঘন করেন। ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে অপরাধমূলক অসদাচরণের অভিযোগে ২০১৯ সালের ১১ জুন পুঠিয়া থানায় মামলা হয়। ওই মামলায় ৮ জন আসামির নাম উল্লেখ থাকা সত্ত্বেও আসামিদের সাজা থেকে বাঁচানোর উদ্দেশ্যে এবং সংবাদদাতার ক্ষতিসাধনকল্পে আইনের নির্দেশ অমান্য করে কারসাজি মূলকভাবে এজাহার পরিবর্তন এবং প্রাথমিক তথ্য বিবরণীতে আসামির নাম ও বাসস্থান/ ঠিকানা সংবলিত কলামে ‘অজ্ঞাতনামা’ হিসেবে উল্লেখপূর্বক মামলা রুজু করা হয়। ওই এজাহার পরিবর্তনের অপরাধে দুদকের রাজশাহী কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. আল- আমিন বাদী হয়ে গত ২৪ জানুয়ারি মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় পুঠিয়া থানার সাময়িক বরখাস্তকৃত ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাকিল উদ্দিন আহমেদকে আসামি করা হয়।









