আওয়ামী লীগের উপ-কমিটির সদস্যপদ থেকে সম্প্রতি বহিষ্কৃত ‘বিতর্কিত’ নেত্রী হেলেনা জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে গুলশান থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে দায়ের করা মামলায় জামিন মঞ্জুর করেছেন আদালত। আদালতের সংশ্লিষ্ট থানার সাধারণ নিবন্ধন শাখা থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
বুধবার (২৪ নভেম্বর) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রেজাউল করিম চৌধুরীর আদালতে হেলেনার আইনজীবী জামিনের জন্য আবেদন করেন। অপরদিকে রাষ্ট্রপক্ষ থেকে তার বিরোধিতা করা হয়। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন। এই মামলায় জামিন পাওয়ার কারণে হেলেনা জাহাঙ্গীরের কারামুক্তিতে আর কোনও বাধা থাকলো না।
এর আগে গত ২১ সেপ্টেম্বর ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কেএম ইমরুল কায়েশের আদালত গুলশান থানায় দায়ের করা বিশেষ ক্ষমতা আইন এবং পল্লবী থানার প্রতারণা মামলায় জামিনের আদেশ দেন। এর আগে ১৭ আগস্ট ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত পল্লবী থানার টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ আইনে করা মামলায় হেলেনা জাহাঙ্গীরের জামিনের আবেদন মঞ্জুর করেন।
গত ২৯ জুলাই রাত ৮টা থেকে টানা ৪ ঘণ্টা রাজধানীর গুলশান ২ নম্বরে আলোচিত-সমালোচিত এই ব্যবসায়ীর বাসায় অভিযান পরিচালনা শেষে তাকে আটক করা হয়।
এসময় তার বাসা থেকে বিদেশি মদ, হরিণের চামড়া, ক্যাসিনো খেলার সরঞ্জাম, বিদেশি মুদ্রা, ওয়াকিটকি সেট, ড্রোন ক্যামেরা, ক্যাঙ্গারু চামড়া, অনেকগুলো চাকু জব্দ করা হয়।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি আওয়ামী চাকরিজীবী লীগ নামে একটি সংগঠন খুলে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েন হেলেনা জাহাঙ্গীর। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে তিনি দাবি করেন, সংগঠনটির নাম এখনও সেভাবে পরিচিত না হলেও ইতোমধ্যে বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ লাখ লাখ মানুষ এর সদস্য হয়েছেন। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে নিয়োগের বিষয়ে বিজ্ঞপ্তি দেখা গেছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। এ নিয়ে তীব্র সমালোচনার পর তাকে বহিষ্কার করা হয়।








