গত মে মাসে সীমান্ত ও দেশের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ১৭৭ কোটি ৭৮ লাখ ৬৬ হাজার টাকা মূল্যের বিভিন্ন প্রকারের চোরাচালান পণ্যসামগ্রী জব্দ করেছে।
বুধবার (১০ জুন) বিজিবির পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
জব্দ চোরাচালান দ্রব্যের মধ্যে রয়েছে- ৩ কেজি ৬৪৮ গ্রাম স্বর্ণ, ৪ কেজি ১০০ গ্রাম রূপা, ১১ হাজার ৪১৯টি শাড়ী, ২ হাজার ৮৩১টি থ্রিপিস-শার্টপিস-চাদর-কম্বল, ৯ হাজার ৩৬৮ তৈরি পোশাক, ৪ হাজার ৫১৪ মিটার থান কাপড়, ১ লাখ ২৮ হাজার ৯২৮টি কসমেটিক্স সামগ্রী, ৩৭ হাজার ১৫৪ পিস ইমিটেশন গহনা, ৩৯ লাখ ৯৯ হাজার ৭৯৭ আতশবাজি, ৬ হাজার ১৭ ঘনফুট কাঠ, ৭ হাজার ৭ কেজি চা পাতা, ৬৫ হাজার ৭০০ পিস জিলেট ব্লেড, ৩ হাজার ৩১০ কেজি সুপারি, ২৫ হাজার ৮৬০ কেজি কয়লা।
আরও রয়েছে, ৩ হাজার ৪৬৫ ঘনফুট পাথর, ১৭০ ঘনফুট বালু, ৪০৫টি মোবাইল, ২ হাজার ৯৪০পিস মোবাইলের ডিসপ্লে, ৫৬ হাজার ১৪৮ পিস মোবাইলের যন্ত্রাংশ, ৩৬ হাজার ৪১১ ইলেকট্রনিক সামগ্রী, ১৩ হাজার ৫৩টি চশমা, ৯৬ হাজার ৪০২ কেজি জিরা, ২৩ হাজার ৪৫১ কেজি চিনি, ২০ লাখ ৭ হাজার ৮৬৯ প্যাকেট বিভিন্ন প্রকার খাদ্য সামগ্রী, ৪, হাজার ৬৯১ কেজি রসুন, ৫৯৭ কেজি সার, ২২৮ লিটার ডিজেল-অকটেন-পেট্রোল-মবিল, ২ হাজার ৬৪২ প্যাকেট কীটনাশক, ২ লাখ ৮৯ হাজার ৫০৮ পিস চকোলেট, ৭৪৫ গরু-মহিষ, দুইটি ট্রাক-কাভার্ড ভ্যান, ৪টি মাহেন্দ্রা গাড়ি, ১১টি পিকআপ, ৪টি প্রাইভেটকার-বাস, ১৩টি ট্রলি-মাইক্রোবাস, ৪০টি সিএনজি-ইজিবাইক-অটোরিকশা, ৪৮টি মোটরসাইকেল এবং ১৭টি বাইসাইকেল-ভ্যান।
অভিযানের সময় একটি পিস্তল, একটি রাইফেল, দুইটি ম্যাগাজিন, ২৫৮ রাউন্ড গোলাবারুদ, একটি রকেট লাঞ্চার এবং দুইটি অন্যান্য অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
এছাড়াও গত মাসে বিজিবি বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য জব্দ করেছে। জব্দ মাদক ও নেশাজাতীয় দ্রব্যের মধ্যে রয়েছে ১৬ লাখ ৪৯ হাজার ৯৫২ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, তিন কেজি ৮৮৩ গ্রাম ক্রিস্টাল মেথ আইস, ২৬০ গ্রাম কোকেন, ৩৩৭ গ্রাম হেরোইন, দুই হাজার ৮০৭ বোতল ফেনসিডিল, ৮ হাজার ৬০৫ বোতল বিদেশী মদ, ২৬৮ লিটার বাংলা মদ, ২,০৩৭ বোতল ক্যান বিয়ার, এক হাজার ৭৫২ কেজি গাঁজা, দুই লাখ ৮৫ হাজার ২৬৩ প্যাকেট বিড়িও সিগারেট, তিন লাখ ৩৫, লাখ ৭২৯টি নেশাজাতীয় ট্যাবলেট-ইনজেকশন, পাঁচ লাখ ৫৮ হাজার ৫৯ বোতল বিভিন্ন প্রকার সিরাপ, এক হাজার ৯০০টি নেশাজাতীয় ট্যাবলেট এবং ৬ লাখ ৯৪ হাজার ৩৩০ পিস বিভিন্ন প্রকার ওষুধ-ট্যাবলেট।
সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ইয়াবাসহ বিভিন্ন প্রকার মাদক পাচার ও অন্যান্য চোরাচালানে জড়িত থাকার অভিযোগে ১৮৮ জন চোরাচালানী এবং অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রমের দায়ে ৯২ বাংলাদেশী নাগরিক, ৬ ভারতীয় নাগরিক ও ৩৯২ মায়ানমার নাগরিককে আটকের পর তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।









