কাফরুলে ইউসুফ আলী খুন

টার্গেট ছিল যুবদল নেতা, গুলিতে কর্মী নিহত: নেপথ্যে চাঁদার নিয়ন্ত্রণ

ইমরান আলী
২৫ জুলাই ২০২৬, ২২:৩১আপডেট : ২৫ জুলাই ২০২৬, ২২:৩১

রাজধানীর মিরপুর-১৩ নম্বরের কাফরুলে যুবদল কর্মী ইউসুফ আলী হত্যাকাণ্ডে হামলার মূল লক্ষ্য ছিলেন কাফরুল থানা যুবদলের সদস্যসচিব হাফিজুল ইসলাম বাবু; এমন ধারণা তদন্তসংশ্লিষ্টদের। তবে গুলিতে নিহত হন তার ঘনিষ্ঠ সহযোগী ইউসুফ। তদন্তসংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রের দাবি, কাফরুল ও ভাসানটেক এলাকার ফুটপাত, অস্থায়ী দোকান এবং বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান থেকে ওঠা চাঁদার নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করেই ভাড়াটে শ্যুটার দিয়ে এই হামলার পরিকল্পনা করা হয়। যদিও মামলার এজাহারে ইউসুফকে লক্ষ্য করেই প্রথম গুলি চালানোর অভিযোগ আনা হয়েছে। ফলে হামলার প্রকৃত টার্গেট কে ছিলেন, সেটি এখনও তদন্তাধীন।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) রাত ১১টা ১০ মিনিটের দিকে মিরপুর-১৩ নম্বরের কাফরুল এলাকায় কয়েকজন দাঁড়িয়ে কথা বলছিলেন। এ সময় অস্ত্রধারী কয়েক যুবক সেখানে এসে এলোপাতাড়ি গুলি চালায়। গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলে লুটিয়ে পড়েন যুবদল কর্মী ইউসুফ আলী। আহত হন সবজি বিক্রেতা নালাম সরদার ও মো. মনির হোসেন। স্থানীয়রা এগিয়ে এলে অস্ত্রধারীরা গুলি ছুড়তে ছুড়তে পালিয়ে যায়। তবে তাদের একজন চঞ্চল মোল্লাকে অস্ত্রসহ আটক করেন স্থানীয়রা।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একাধিক সূত্র জানিয়েছে, এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে বিদেশে অবস্থানরত পুরস্কার ঘোষিত শীর্ষ সন্ত্রাসী কিলার আব্বাসের সহযোগীদের যোগসূত্র পাওয়া গেছে। র‍্যাবও জানিয়েছে, কিলার আব্বাসের সংশ্লিষ্টতা নিয়ে পাওয়া তথ্য যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।

চারজনের নাম উল্লেখ করে মামলা

ইউসুফ আলী হত্যার ঘটনায় তার বড় ভাই মাসুদ রানা কাফরুল থানায় হত্যা মামলা করেছেন। মামলায় মো. চঞ্চল মোল্লা (৩৪), জিহাদ মোল্লা (৩৪), মো. জিয়ারুল মোল্লা (৩৯) ও হাসানকে (৩৫) আসামি করা হয়েছে। এছাড়া অজ্ঞাত আরও চার থেকে পাঁচজনকে আসামি করা হয়েছে।

তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, হত্যাকাণ্ডে সরাসরি চারজন অংশ নেয়। এজাহারে উল্লেখ করা চার আসামিই কিলিং মিশনের শুটার বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাদের মধ্যে চঞ্চল ঘটনাস্থলেই জনতার হাতে আটক হন। অন্য তিনজন গুলি ছুড়তে ছুড়তে পালিয়ে যান।

সূত্রের দাবি, চারজনের বাড়িই ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ এলাকায়। তবে পুলিশ আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের পূর্ণাঙ্গ পরিচয়, অপরাধের পূর্ব ইতিহাস কিংবা রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে এখনও বিস্তারিত জানায়নি।

এজাহারে যা বলা হয়েছে

মামলার এজাহারে বাদী মাসুদ রানা উল্লেখ করেন, তার ছোট ভাই ইউসুফ আলী যুবদলের একজন কর্মী ছিলেন। কাফরুল থানা যুবদলের সদস্যসচিব হাফিজুল ইসলাম বাবুর সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল।

ঘটনার দিন রাত প্রায় ১১টা ১০ মিনিটে ইউসুফ, নালাম সরদার, মো. মনির হোসেন ও আরও কয়েকজন মিরপুর-১৩ নম্বরের সি-ব্লকের ১ নম্বর সড়কে ওপেক্স গার্মেন্টসের দক্ষিণ পাশের লিংক রোডের মাথায় দাঁড়িয়ে বিভিন্ন সামাজিক বিষয় নিয়ে আলোচনা করছিলেন।

এ সময় অভিযুক্তরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে ঘটনাস্থলে আসে। এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে, চঞ্চল মোল্লা পিস্তল দিয়ে ইউসুফকে লক্ষ্য করে গুলি করেন। একটি গুলি তার বুকের ডান পাশে ঢুকে পিঠ দিয়ে বেরিয়ে যায়।

ইউসুফ মাটিতে পড়ে যাওয়ার পর জিহাদ মোল্লা, জিয়ারুল মোল্লা ও হাসান এলোপাতাড়ি গুলি চালান। এতে ঘটনাস্থলের পাশে থাকা নালাম সরদার ও মনির হোসেন গুলিবিদ্ধ হন।

স্থানীয় লোকজন আহতদের উদ্ধারে এগিয়ে গেলে অস্ত্রধারীরা অস্ত্র উঁচিয়ে গুলি ছুড়তে ছুড়তে বিভিন্ন গলি দিয়ে পালানোর চেষ্টা করে। অজ্ঞাত আসামিরা তাদের পালাতে সহযোগিতা করে বলেও এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে।

পরে স্থানীয় বাসিন্দা ও দলীয় নেতাকর্মীরা ইউসুফ, নালাম ও মনিরকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যান। রাত ১২টা ৪০ মিনিটের দিকে চিকিৎসক ইউসুফকে মৃত ঘোষণা করেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ইউসুফের বুকের ডান পাশে গুলি লেগেছিল। নালাম সরদারের মাথার ডান পাশে এবং মনির হোসেনের পায়ে গুলি লাগে। তারা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

টার্গেট কি বাবু ছিলেন?

তদন্তসংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রের ভাষ্য, অস্ত্রধারীদের মূল লক্ষ্য ছিলেন কাফরুল থানা যুবদলের সদস্যসচিব হাফিজুল ইসলাম বাবু। তিনি নিয়মিত ওই এলাকায় অনুসারীদের নিয়ে অবস্থান করতেন। হামলাকারীরা তার অবস্থান সম্পর্কে আগে থেকেই তথ্য সংগ্রহ করেছিল বলেও ধারণা করা হচ্ছে।

সূত্রগুলোর দাবি, ঘটনার রাতে সন্ত্রাসীদের চলাফেরা সন্দেহজনক মনে হওয়ায় সেখানে থাকা যুবদলের নেতাকর্মীরা তাদের বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেন। তখনই অস্ত্রধারীরা গুলি চালাতে শুরু করে। গোলাগুলির মধ্যে ইউসুফ গুলিবিদ্ধ হন।

তবে এজাহারে হাফিজুল ইসলাম বাবুকে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর কথা উল্লেখ করা হয়নি। সেখানে সরাসরি ইউসুফকে লক্ষ্য করে চঞ্চল গুলি চালান বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

তদন্তকারীরা এখন খতিয়ে দেখছেন, হামলার প্রকৃত লক্ষ্য বাবু ছিলেন, নাকি ইউসুফকে হত্যার উদ্দেশ্যেই অস্ত্রধারীরা ঘটনাস্থলে এসেছিল। গ্রেফতার আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদ এবং পলাতকদের আটকের পর এ বিষয়ে পরিষ্কার ধারণা পাওয়া যাবে বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

নেপথ্যে ফুটপাতের চাঁদাবাণিজ্য

স্থানীয় বাসিন্দা ও তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, কাফরুল, ভাসানটেক ও আশপাশের এলাকার ফুটপাত এবং অস্থায়ী দোকান থেকে ওঠা চাঁদার নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে।

স্থানীয় বাসিন্দা মোতাহার হোসেন বলেন, কাফরুল ও ভাসানটেকের বিভিন্ন ফুটপাতে দোকান বসাতে এককালীন বড় অঙ্কের টাকা দিতে হয়। দোকানের অবস্থান ও আকারভেদে এই অর্থ এক লাখ থেকে দুই-তিন লাখ টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে।

তার দাবি, এরপর প্রতিদিন কিংবা মাসিক হিসাবেও দোকানিদের কাছ থেকে টাকা তোলা হয়। ফুটপাতের দোকানের পাশাপাশি বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানও নীরবে চাঁদা দিয়ে কার্যক্রম চালাতে বাধ্য হয়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় কয়েকজন জানান, হোপ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের সামনের ফুটপাতসহ কাফরুলের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে দোকান বসানোকে কেন্দ্র করে নিয়মিত বড় অঙ্কের টাকা ওঠে। সব মিলিয়ে কাফরুল ও ভাসানটেক এলাকায় প্রতি মাসে কয়েক কোটি টাকার চাঁদাবাণিজ্য হয় বলে তাদের দাবি।

স্থানীয়দের অভিযোগ, চব্বিশের ৫ আগস্ট সরকার পরিবর্তনের পর এলাকার ফুটপাত ও বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান থেকে চাঁদা তোলার নিয়ন্ত্রণ নতুন করে ভাগাভাগি হয়। এলাকার একেকটি অংশের নিয়ন্ত্রণ একেকজন রাজনৈতিক নেতা ও তার অনুসারীদের হাতে চলে যায়।

কিলার আব্বাসের সহযোগীরা এই চাঁদার ভাগ থেকে বঞ্চিত হওয়ায় নিয়ন্ত্রণ পুনরুদ্ধারের চেষ্টা শুরু করে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। এর জেরে হাফিজুল ইসলাম বাবুকে টার্গেট করে হামলার পরিকল্পনা করা হয়ে থাকতে পারে।

র‍্যাবও প্রাথমিকভাবে আধিপত্য বিস্তার ও ফুটপাতের চাঁদাবাণিজ্যের নিয়ন্ত্রণকে হামলার সম্ভাব্য কারণ হিসেবে দেখছে।

কিলার আব্বাসের যোগসাজশ যাচাই

তদন্তসংশ্লিষ্ট একটি সূত্রের দাবি, বিদেশে অবস্থানরত শীর্ষ সন্ত্রাসী কিলার আব্বাস ও তার ঘনিষ্ঠ কয়েক সহযোগী এই কিলিং মিশনের পরিকল্পনায় যুক্ত ছিলেন। তাদের নির্দেশেই চার শুটার ঘটনাস্থলে যায়।

তবে কিলার আব্বাস সরাসরি নির্দেশ দিয়েছেন কিনা কিংবা হামলার আগে শুটারদের সঙ্গে তার যোগাযোগ হয়েছিল কিনা, সে বিষয়ে এখনও নিশ্চিত প্রমাণ পাওয়ার কথা আনুষ্ঠানিকভাবে জানায়নি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

র‍্যাব-৪-এর কোম্পানি কমান্ডার কে এন নিয়তি রায় বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, “ঘটনার সঙ্গে কারা জড়িত, সে বিষয়ে আমরা কিছু তথ্য পেয়েছি। তাদের আইনের আওতায় আনতে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।”

হামলার কারণ সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, আধিপত্য বিস্তার এবং ফুটপাতের চাঁদাবাণিজ্যের নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে এই হামলা চালানো হয়েছে।’

বিদেশে অবস্থানরত কিলার আব্বাসের সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমরা এ বিষয়েও তথ্য পেয়েছি। সেগুলো যাচাই-বাছাই চলছে। আসামিদের গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদ করা গেলে হামলার পুরো মোটিভ পরিষ্কার হবে।’

আগের হত্যাকাণ্ডের সন্দেহভাজনও এই মিশনে?

স্থানীয় একাধিক ব্যক্তির দাবি, গত ১৮ জুলাই ভাসানটেকে কাউসার মোল্লা নামে এক যুবককে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করা হয়। ওই হত্যাকাণ্ডে সাইফুল নামে একজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছিল।

স্থানীয়দের মতে, কিলার আব্বাসের নির্দেশে কাউসারকে বাসা থেকে ডেকে নেওয়ার অভিযোগও ছিল সাইফুলের বিরুদ্ধে। একই ব্যক্তি কাফরুলের কিলিং মিশনেও যুক্ত ছিলেন বলে স্থানীয় সূত্রগুলো দাবি করেছে।

তবে কাফরুলের মামলার এজাহারে সাইফুলের নাম নেই। কাউসার হত্যার সঙ্গে তার সংশ্লিষ্টতা কিংবা কাফরুলের ঘটনায় তার ভূমিকার বিষয়ে পুলিশের আনুষ্ঠানিক বক্তব্যও পাওয়া যায়নি।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ভাসানটেকের হত্যাকাণ্ডে জড়িতরা দ্রুত গ্রেফতার না হওয়ায় একই চক্র নতুন করে আরেকটি হত্যাকাণ্ড ঘটানোর সুযোগ পেয়েছে। তদন্তকারীরা দুই ঘটনার মধ্যে কোনও যোগসূত্র আছে কিনা, সেটিও খতিয়ে দেখছেন।

‘দ্রুত গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে’

কাফরুল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, “ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। আমরা ইতোমধ্যে কিছু তথ্য পেয়েছি। পুলিশের পাশাপাশি অন্যান্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থাও কাজ করছে।”

তিনি বলেন, “আশা করছি, দ্রুত অপরাধীদের গ্রেফতার করতে সক্ষম হবো।”

মামলার বাদী মাসুদ রানা এজাহারে দাবি করেন, আটক আসামির দেওয়া তথ্য, ভিডিও ফুটেজ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য থেকে তিনি অন্য আসামিদের নাম-পরিচয় জানতে পেরেছেন।

তার অভিযোগ, অভিযুক্তরা অজ্ঞাত সহযোগীদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সহায়তা, প্ররোচনা ও পৃষ্ঠপোষকতায় পূর্বপরিকল্পিতভাবে তার ভাইকে গুলি করে হত্যা করেছে। একই হামলায় আরও দুজনকে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে।

/জেইউ/ইউএস/
সম্পর্কিত
মেট্রোস্টেশনের নিচে বোমা: নাশকতার ছক দেখছে পুলিশ
খেলাধুলা যুবসমাজকে মাদক ও অপরাধ থেকে দূরে রাখতে পারে: আইজিপি
ছেলের ছুরিকাঘাতে মা-বাবার মৃত্যু, কারণ বিয়ে?
সর্বশেষ খবর
মালদ্বীপের রাষ্ট্রপতির সঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ
মালদ্বীপের রাষ্ট্রপতির সঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ
ঐতিহাসিক দিনে শুরু ‘ঠিকানা বাংলাদেশ’-এর প্রচারণা
ঐতিহাসিক দিনে শুরু ‘ঠিকানা বাংলাদেশ’-এর প্রচারণা
ব্যবসায়ীকে তুলে নিয়ে নেতার ‘টর্চারসেলে’ পিটিয়ে গরম রডের ছ্যাঁকা, পরে পুলিশে সোপর্দ
ব্যবসায়ীকে তুলে নিয়ে নেতার ‘টর্চারসেলে’ পিটিয়ে গরম রডের ছ্যাঁকা, পরে পুলিশে সোপর্দ
‘পথের পাঁচালী’ দেখে মুগ্ধ ক্রিস্টোফার নোলান, করলেন সত্যজিৎ রায়ের বন্দনা
‘পথের পাঁচালী’ দেখে মুগ্ধ ক্রিস্টোফার নোলান, করলেন সত্যজিৎ রায়ের বন্দনা
সর্বাধিক পঠিত
রান্নার সময় মাংস কেন সবুজ হলো, নতুন কারণ জানালেন বিশেষজ্ঞ
রান্নার সময় মাংস কেন সবুজ হলো, নতুন কারণ জানালেন বিশেষজ্ঞ
একটি পুরো দেশের চেয়েও বড় বিশ্বের এই বৃহত্তম বিমানবন্দর
একটি পুরো দেশের চেয়েও বড় বিশ্বের এই বৃহত্তম বিমানবন্দর
সংগৃহীত নামগুলো থেকেই একজন রাষ্ট্রপতি হবেন: বিএনপি নেত্রী
সংগৃহীত নামগুলো থেকেই একজন রাষ্ট্রপতি হবেন: বিএনপি নেত্রী
আট মাস বাকি থাকতেই সভাপতিকে সরিয়ে নতুন সভাপতি এমপির স্ত্রী
আট মাস বাকি থাকতেই সভাপতিকে সরিয়ে নতুন সভাপতি এমপির স্ত্রী
রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে মামলা হলে করণীয় কী জানালেন আইনমন্ত্রী 
রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে মামলা হলে করণীয় কী জানালেন আইনমন্ত্রী