পুরান ঢাকার বকশীবাজারে সরকারি আলিয়া মাদ্রাসার সামনের সড়ক থেকে ব্যারিকেড তুলে নিয়েছে পুলিশ। ফলে ওই সড়কে আবারও যান চলাচল শুরু হয়েছে। পরিস্থিতিও স্বাভাবিক হয়েছে।
শনিবার (৮ আগস্ট) বিকালে পুলিশ ব্যারিকেড তুলে নেয়। ডিএমপির লালবাগ জোনের ডিসি মুহাম্মদ তালেবুর রহমান বিকাল ৫টার দিকে বলেন, ‘ব্যারিকেড তুলে নেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।’
পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টায় সম্মিলিতভাবে মাদ্রাসার আবাসিক হলে ওঠার ঘোষণা দেন হলের ‘বৈধ সাধারণ শিক্ষার্থী ও ছাত্রশিবিরের নেতারা’ । শুক্রবার (৭ আগস্ট) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়া হয়।
এতে বলা হয়, ‘গত ৪ আগস্ট যুবদল নেতা নয়নের নেতৃত্বে যুবদল ও ছাত্রদলের সন্ত্রাসী হামলার ঘটনার পর থেকে সরকারি মাদ্রাসা-ই-আলিয়ার আবাসিক হলের বৈধ শিক্ষার্থীরা একাধিকবার হলে ওঠার চেষ্টা করেও পুলিশ ও মাদরাসা প্রশাসনের বাধার মুখে ব্যর্থ হয়েছেন।’
বিজ্ঞপ্তিতে অভিযোগ করা হয়, ‘সাধারণ শিক্ষার্থী ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের হলে উঠতে বাধা দেওয়া হলেও হলকক্ষে থাকা শিক্ষার্থীদের ল্যাপটপ, মোটরসাইকেল, নগদ অর্থ, বিভিন্ন ইলেকট্রনিক সামগ্রী, অ্যাকাডেমিক সার্টিফিকেট ও পাসপোর্টসহ মূল্যবান জিনিসপত্র লুটপাটের হাত থেকে রক্ষা করতে পুলিশ ও মাদ্রাসা প্রশাসন ব্যর্থ হয়েছেন।’
এতে আরও দাবি করা হয়, ‘ছাত্রদলের কিছু নেতাকর্মী হলে অবস্থান করে সাধারণ শিক্ষার্থী ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের কক্ষ ভাঙচুর ও লুটপাটের সুযোগ পাচ্ছেন। অন্যদিকে বৈধ শিক্ষার্থীদের হলে ফেরার অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে।’
এই পরিস্থিতিতে সাধারণ শিক্ষার্থী, ছাত্রশিবির ও ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসা শাখার নেতারা শনিবার (৮ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ১২টায় সব বাধা মোকাবিলা করে হলে প্রবেশের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
এতে সংঘাতের আশঙ্কা তৈরি হওয়ায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মাদ্রাসার সামনের সড়কে ব্যারিকেড দেয় পুলিশ। নিয়ন্ত্রণ করা হয় যান চলাচলও। মোতায়েন করা হয় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য।
উল্লেখ্য, আলিয়া মাদ্রাসায় হল দখলকে কেন্দ্র করে গত মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বিকালে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ ঘটে। এতে উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হন।

আলিয়া মাদ্রাসার পাশ থেকে ‘বোমা সদৃশ’ বস্তু উদ্ধার







