পাসপোর্ট ফরম পূরণ, ফরম সত্যায়ন, কাগজপত্র ঘাটতি, ভুল বা ভুয়া কাগজপত্র, এমনকি টাকার বিনিময়ে দ্রুত পাসপোর্ট তৈরি করে দেওয়ার নামে প্রতারণার অভিযোগে রাজধানীর আগারগাঁও পাসপোর্ট অফিস সংলগ্ন এলাকায় পাঁচ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছে র্যাব-২ এর ভ্রাম্যমাণ আদালত। সোমাবর (১০ জুলাই) সকাল সাড়ে ৯টা থেকে দুপুর পর্যন্ত এক অভিযান চলায়ে তাদের সাজা দেওয়া হয়।
র্যাব-২ এর মেজর মুবীন রহমান তাপস এ তথ্য জানান।
র্যাব-২ জানায়, রাজধানীর আগারগাঁও পাসপোর্ট অফিস সংলগ্ন এলাকায় দালালবিরোধী অভিযান চালিয়ে দুই জনকে ১৫ দিনের বিনাশ্রম, দুই জনকে ১০ দিনের বিনাশ্রম এবং এক জনকে সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
সূত্র আরও জানায়, সম্প্রতি সংঘবদ্ধ একটি দালাল চক্র আগারগাঁও পাসপোর্ট অফিসের সামনে এবং পার্শ্ববর্তী ব্যাংকে টাকা জমা দেওয়া প্রার্থীদের পাসপোর্ট ফরম পূরণ, ফরম সত্যায়ন, কাগজপত্র ঘাটতি, ভুল বা ভুয়া কাগজপত্র, এমনকি টাকার বিনিময়ে অতি দ্রুত পাসপোর্ট তৈরির সম্পূর্ণ দায়িত্ব নেওয়ার জন্য প্রলুব্ধ করে। পাসপোর্ট প্রার্থীরা তাদের প্রতারণায় রাজি না হওয়া পর্যন্ত নানাভাবে বিরক্ত করতে থাকে। অল্প সময়ে পাসপোর্ট করে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে কৌশলে তাদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নেয়। এসব বিষয়ে কর্তৃপক্ষের সতর্কীকরণ বিজ্ঞপ্তি প্রচারিত হওয়ার পরও চক্রটি গণউপদ্রব চালাতে থাকে।
ওই বিজ্ঞপ্তিটি নোটিশ বোর্ড ছাড়াও মাইকিং করে দালালদের উপদ্রব সৃষ্টিকারীদের সতর্ক করা হয়। সতর্কীকরণ পদক্ষেপ গ্রহণের পরও দালাল চক্রের উপদ্রবে সাধারণ মানুষের হয়রানি বন্ধ না হওয়ায় র্যাব-২ নিয়মিত গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে। এরই ধারাবাহিকতায়, র্যাব-২ এর আভিযানিক দল ও র্যাবের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট কাজী তামজীদ আহমেদের পরিচালনায় রাজধানীর আগারগাঁও পাসপোর্ট অফিস সংলগ্ন এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে পাসপোর্ট দালাল চক্রের মোট পাঁচ জন সদস্যকে গ্রেফতার করে। আসামিদের স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে দোষী সাব্যস্ত করে প্রত্যেককে বিভিন্ন মেয়াদে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন। ভবিষ্যতে র্যাব-২ এ ধরনের দালালবিরোধী অভিযান অব্যাহত রাখবে।

গ্রেফতারের পর ভ্রাম্যমাণ আদালতে কী সাজা হলো সেই ‘ভাইরাল মিজানের’





