সাক্ষীদের ভয়ভীতি দেখিয়ে ট্রাইব্যুনালের বিচার বাধাগ্রস্ত করা যাবে না: চিফ প্রসিকিউটর

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট 
১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬:০১ আপডেট : ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭:২৯

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার কোনও সাক্ষীকে হুমকি বা ভয়ভীতি দেখিয়ে বিচারকাজ বাধাগ্রস্ত করা যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

চট্টগ্রামে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় আসামিপক্ষ কর্তৃক সাক্ষীদের হুমকি-ধমকি দেওয়ার প্রসঙ্গে জানতে চাইলে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, আমার কাছে অভিযোগ রয়েছে। এমন সাক্ষীদের নিরাপত্তার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কোনও মামলার সাক্ষীকে কেউ হুমকি দিচ্ছে, এমন অভিযোগের প্রমাণ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। তবে হুমকি-ধমকিতে বিচারপ্রক্রিয়া ব্যাহত হবে না। কোনও ভয়ভীতি প্রদর্শন বা হুমকি দিয়ে এই ট্রাইব্যুনালের তদন্ত, বিচার বাধাগ্রস্ত করা যাবে না।

সাগর-রুনি হত্যার বিচার চেয়ে পরিবারের অভিযোগ পাওয়া প্রসঙ্গে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ড নিয়ে তদন্ত করছে পিবিআই। আজ একটি লিখিত আবেদন নিয়ে এসেছিলেন মেঘের মামা রোমান। আমাদের কাছে তাদের প্রত্যাশা যেন আমরাও তদন্ত করি। নয়তো কোনও তথ্য পেলে পিবিআইকে সহযোগিতা করা হয়। আবেদনটি আমরা খতিয়ে দেখবো। বিষয়টি ওয়াইডস্প্রেড বা সিস্টেমেটিক অফেন্সের আওতায় না এলে তাদের জানিয়ে দেবো। তবে আবেদন করার এখতিয়ার সবারই রয়েছে।

চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম আরও বলেন, এ মামলায় পিবিআইয়ের তদন্ত চলমান। সাগর-রুনির ঘটনাটি একটি ‘ইন্ডিভিজুয়াল মার্ডার কেস’ বলে আমাদের কাছে মনে হয়। সেটি ওয়াইডস্প্রেড বা সিস্টেমেটিক অফেন্সের মধ্যে আসবে কিনা, বিষয়গুলো আমরা একটু খতিয়ে দেখার চেষ্টা করবো। যেহেতু যে কারও আবেদন করার এখতিয়ার রয়েছে, সেভাবেই তারা আবেদন করেছে। সেভাবেই আমরা গ্রহণ করেছি। খুব আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ করার বিষয় নয়।

তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা তদন্ত করলে হয়তো ফলপ্রসূ কিছু আসতে পারে বলে মনে করছে সাগর-রুনির পরিবার। এরই মধ্যে আমাদের একটি তদন্ত করতে গিয়ে দুজন ব্যক্তির সূত্র পাওয়া গেছে, সেই প্রত্যাশা থেকে তারা আবেদনটি করেছেন। আমরা পরিষ্কার করে বলেছি, এ ঘটনার আগে-পরে একজন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বের সঙ্গে একজন সামরিক কর্মকর্তার এক ধরনের যোগাযোগ, কথোপকথন, ডিস্ক আনা-নেওয়ার কিছু একটা ঘটেছে। ওই সামরিক কর্মকর্তার একজন ঘনিষ্ঠ ব্যক্তির মাধ্যমে এগুলো করা হচ্ছিল। সেই জায়গা থেকে একটি সূত্র পাওয়া যায় বলে মনে হয়।

/বিআই/আইএএম/এমওএফ/
সম্পর্কিত
জিয়াউলের অভিযান, ডিজিটাল প্রমাণ সংগ্রহ নিয়ে যা বললেন তদন্ত কর্মকর্তা
জঙ্গি নাটকে ৯ হত্যা  শেখ হাসিনা-কামালসহ ৮ জনের অভিযোগ গঠনের শুনানি ফের পেছালো
রহস্যে ঘেরা সিডিগুলোতেই কি সাগর-রুনি হত্যার ক্লু
সর্বশেষ খবর
রাত পোহালেই ঠাকুরগাঁও-১ আসনে উপনির্বাচন, প্রস্তুত ১৮৫ কেন্দ্র
রাত পোহালেই ঠাকুরগাঁও-১ আসনে উপনির্বাচন, প্রস্তুত ১৮৫ কেন্দ্র
উচ্চ বেতনে চীনে নেওয়ার কথা বলে বাসায় আটকে নির্যাতন, উদ্ধার ১২ নারী
উচ্চ বেতনে চীনে নেওয়ার কথা বলে বাসায় আটকে নির্যাতন, উদ্ধার ১২ নারী
আইইডিসিআর পরিচালকের ওপর হামলা: প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারীর উদ্বেগ
আইইডিসিআর পরিচালকের ওপর হামলা: প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারীর উদ্বেগ
বিদেশ সফরে দেশ নির্বাচনে কী প্রাধান্য দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী 
বিদেশ সফরে দেশ নির্বাচনে কী প্রাধান্য দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী 
সর্বাধিক পঠিত
নভেম্বর থেকে কর্মী যাবে মালয়েশিয়ায়, খরচ জানালেন প্রতিমন্ত্রী
নভেম্বর থেকে কর্মী যাবে মালয়েশিয়ায়, খরচ জানালেন প্রতিমন্ত্রী
কে হচ্ছেন ইসরায়েলের নতুন প্রধানমন্ত্রী
কে হচ্ছেন ইসরায়েলের নতুন প্রধানমন্ত্রী
ইউরোপের ট্রেনের সঙ্গে বন্দে ভারতের তুলনা করে যা জানালেন পোল্যান্ডের পর্যটক
ইউরোপের ট্রেনের সঙ্গে বন্দে ভারতের তুলনা করে যা জানালেন পোল্যান্ডের পর্যটক
এখন কী করবেন নেতানিয়াহু
এখন কী করবেন নেতানিয়াহু
আমজনতার তারেককে সফরসঙ্গী করায় সমালোচনা নিয়ে যা বললেন প্রধানমন্ত্রী
আমজনতার তারেককে সফরসঙ্গী করায় সমালোচনা নিয়ে যা বললেন প্রধানমন্ত্রী