লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধারই এসআরবির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ

ইমরান আলী
২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:০০আপডেট : ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:০০

থানা থেকে লুট হওয়া ১ হাজার ৩০৬টি আগ্নেয়াস্ত্র এখনও উদ্ধার হয়নি। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর দুই বছরের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও এসব অস্ত্র কোথায়, কার হাতে; তার পুরো হিসাব মেলেনি। বারবার পুরস্কার ঘোষণা এবং উদ্ধারে বিভিন্ন উদ্যোগের পরও অস্ত্রগুলো হাতছাড়া হয়ে থাকায় এগুলো উদ্ধার এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সম্প্রতি লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধারের সমন্বয়কের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সাবেক র‌্যাব ও বর্তমানে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়নকে (এসআরবি)। অস্ত্রের সন্ধানদাতাদের জন্য পুরস্কার এবং আইনি ঝামেলা থাকবে না, এমন আশ্বাস দিয়ে প্রচার-প্রচারণাও চালানো হচ্ছে। তবে এসআরবির এমন প্রচারণায় শেষ পর্যন্ত কতটা অস্ত্র উদ্ধার হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।

তবে এসআরবির কর্মকর্তারা বলছেন, লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধারে তারা সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন। এসব অস্ত্র উদ্ধারে তারা কাজ করছেন।

সাবেক আইজিপি বাহারুল আলম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, এসব অস্ত্র উদ্ধার এখন অনেক কঠিন কাজ। নতুন করে এসআরবিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বলেই যে উদ্ধার হয়ে যাবে, এমন নয়। তারা তো এর আগেও চেষ্টা করেছে। তারা তো আর বসে থাকেনি। এখন তাদের সমন্বয় করা হলেও বিষয়টি সহজ হবে না। লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধার এখন আরও কঠিন হয়ে গেছে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একাধিক সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের সময় থানা-ফাঁড়ির অস্ত্র ও গুলির বেশিরভাগই লুট করে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য ও দলীয় ক্যাডাররা। কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা যেসব অস্ত্র ও গুলি লুট করে, তা কম দামে বিভিন্ন অপরাধী গ্রুপের কাছে বিক্রি করে। এসব অস্ত্র আবার হাতবদল হয়ে চলে যায় ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকার সন্ত্রাসী গ্রুপের হাতে।

শীর্ষ সন্ত্রাসীরা আবার সেই অস্ত্র পুরোনো সহযোগীদের পাশাপাশি নতুন মুখের সন্ত্রাসীদের হাতেও তুলে দিয়েছে। যাতে নতুন মুখের সন্ত্রাসীদের পুলিশ ও এসআরবি চিনতে না পারে। আর তা দিয়ে একের পর এক খুনোখুনি, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও দখলবাজি চালাচ্ছে সন্ত্রাসীরা।

এ ছাড়া লুণ্ঠিত অস্ত্র ডাকাত, ছিনতাইকারী, অপহরণকারী চক্র, কিশোর গ্যাং, জলদস্যু ও বনদস্যুদের হাতেও গেছে। বেহাত অস্ত্র দিয়েই তারা নানা অপরাধ করছে। এমনকি পুলিশের ওপর হামলাতেও এসব অস্ত্র ব্যবহৃত হচ্ছে। সামনে স্থানীয় নির্বাচনকে ঘিরে বেহাত অস্ত্রের ব্যবহার নিয়েও তৈরি হয়েছে নতুন শঙ্কা।

পুলিশ সদরদফতরের পরিসংখ্যান

পুলিশ সদরদফতরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পুলিশের বিভিন্ন স্থাপনা থেকে ৫ হাজার ৭৬৩টি আগ্নেয়াস্ত্র লুট হয়েছিল। গত ১৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৪ হাজার ৪৫৭টি উদ্ধার করা হয়েছে। এখনও নিখোঁজ ১ হাজার ৩০৬টি অস্ত্র।

একই সময়ে লুট হওয়া ৬ লাখ ৫২ হাজার ৮টি গোলাবারুদের মধ্যে উদ্ধার হয়েছে ৩ লাখ ৯৪ হাজার ৮৯৫টি। এখনও উদ্ধার হয়নি ২ লাখ ৫৭ হাজার ১১৩টি।

লুট হওয়া অস্ত্র দিয়ে যা হচ্ছে

চট্টগ্রামের সন্ত্রাসী মোবারক হোসেন ওরফে গলাকাটা মোবারককে গত ২৬ আগস্ট গ্রেপ্তারের অভিযানে পুলিশের দিকে যে পিস্তল দিয়ে গুলি ছোড়া হয়, সেটি পরীক্ষা করে পুলিশ নিশ্চিত হয়, পিস্তলটি ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট চট্টগ্রামের কোতোয়ালি থানা থেকে লুট হয়েছিল।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, জিজ্ঞাসাবাদে মোবারক জানিয়েছেন, অন্য এক সন্ত্রাসীর মাধ্যমে তিনি অস্ত্রটি পেয়েছিলেন। অর্থাৎ থানা থেকে লুট হওয়ার পর অস্ত্রটি একাধিক হাত ঘুরে অপরাধী নেটওয়ার্কে পৌঁছেছিল।

এর আগেও পুলিশের লুট হওয়া অস্ত্র অপরাধে ব্যবহারের প্রমাণ পাওয়া গেছে। সম্প্রতি র‌্যাবের এক অভিযানে মিরপুর এলাকা থেকে উদ্ধার করা একটি বিদেশি পিস্তলের বিষয়ে তদন্তে জানা যায়, সেটি ৫ আগস্টের পর একটি থানা থেকে লুট হয়েছিল। পরে কয়েক দফা হাতবদল হয়ে অস্ত্রটি মাদক স্পট নিয়ন্ত্রণ, চাঁদাবাজি, ছিনতাই, ডাকাতি এবং এলাকায় ভয়ভীতি প্রদর্শনের কাজে ব্যবহার করা হচ্ছিল।

অর্থাৎ লুটের অস্ত্রের একটি অংশ অপরাধীদের কাছে পৌঁছে যাওয়ার পর তা তাদের জন্য সাধারণ অবৈধ অস্ত্রের চেয়েও বেশি কার্যকর হয়ে উঠেছে। কারণ এগুলোর বেশিরভাগই ছিল পুলিশের ব্যবহৃত কার্যকর ও প্রাণঘাতী আগ্নেয়াস্ত্র।

গত ২ মার্চ সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল এলাকায় অভিযানের সময় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের এক পরিদর্শক মাদক সন্ত্রাসীদের হাতে গুলিবিদ্ধ হন। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে গত ১৮ জুন সায়েদাবাদ এলাকায় অভিযান চালিয়ে সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসায়ী অটো সজলকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে তার দেওয়া তথ্যে স্বামীবাগের একটি ভাড়া বাসা থেকে দুটি বিদেশি পিস্তল, ৪টি ম্যাগাজিন, ৭৭ রাউন্ড গুলি ও ৫৯ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করে। গ্রেফতারের পর অটো সজল পুলিশকে বলেছে, উদ্ধারকৃত অস্ত্রগুলো তারা আগস্টে ওয়ারী থানা থেকে লুট করেছিল।

এদিকে এসআরবি-১০-এর অধিনায়ক ও অতিরিক্ত ডিআইজি মোহা. আসাদুজ্জামান জানান, গত ৩০ আগস্ট গেন্ডারিয়ায় মাদক ব্যবসার আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘটিত গোলাগুলিতে এক নারীসহ তিনজন গুলিবিদ্ধ হন। এ ঘটনার তদন্তে নেমে র‌্যাব অটো সজল গ্রুপের ৫ সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করে। পরে তাদের দখল থেকে ২টি বিদেশি পিস্তল, ৩টি ম্যাগাজিন, ১২ রাউন্ড তাজা গুলি এবং বিপুল পরিমাণ ইয়াবা, হেরোইন ও গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধার হওয়া গোলাবারুদের মধ্যে একটি ম্যাগাজিন গত ৫ আগস্টের পর পুলিশ স্টেশন থেকে লুণ্ঠিত হওয়া অস্ত্রের অংশ বলে শনাক্ত করেছে র‌্যাব।

গত আগস্টে নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে জেলের জালে পুলিশের লুট হওয়া একটি শটগান উঠে আসে। পরে পুলিশ অস্ত্রটি উদ্ধার করে রেজিস্টারের সঙ্গে মিলিয়ে নিশ্চিত হয়েছে।

গত শনিবার দুপুরে আড়াইহাজার বাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের দ্বিতীয় তলার একটি তাক থেকে একটি পিস্তল, দুটি ম্যাগাজিন ও ২০ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করে পুলিশ। ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের সময় নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার থানা থেকে এই অস্ত্র লুট হয় বলে পুলিশ জানিয়েছে।

লুট হওয়া অস্ত্রের কেনাবেচার তথ্যও পুলিশের তদন্তে উঠে আসছে। চট্টগ্রাম নগরের ডবলমুরিং থানা থেকে লুট হওয়া একটি বিদেশি পিস্তলসহ মিনহাজ উদ্দিন রাহিম (২১) নামে এক যুবককে গ্রেফতার করে গোয়েন্দা পুলিশ।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ডবলমুরিং থানায় ঢুকে একটি পিস্তল লুট করেন মিনহাজ। পরে আমির হোসেন নামে একজনের কাছে ৫০ হাজার টাকায় বিক্রি করে দেন। পরে তার দেওয়া তথ্যে গত ১৩ এপ্রিল মিনহাজকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

লুণ্ঠিত অস্ত্র উদ্ধারে র‌্যাবকে প্রধান সমন্বয়কারীর দায়িত্ব

থানা-ফাঁড়ি থেকে লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধারে বর্তমান এসআরবিকে (সাবেক র‌্যাব) দায়িত্ব দেওয়া হয় গত ৯ সেপ্টেম্বর। সংস্থাটির মিডিয়া উইং থেকে জানানো হয়, লুট হওয়া এসব অস্ত্র উদ্ধারে যৌথ অভিযানের সমন্বয়কারী হিসেবে র‌্যাবকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। লুট হওয়া অস্ত্র সম্পর্কে তথ্য দিলে তথ্যদাতার পরিচয় গোপন রেখে তাকে পুরস্কার দেওয়ারও ঘোষণা দেয় র‌্যাব।

এর আগে গত ২৯ আগস্ট লুট হওয়া অস্ত্রের সন্ধানদাতাদের পুরস্কারের ঘোষণা দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ।

পুরস্কারের পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়েছে অস্ত্রের ধরন অনুযায়ী। হেভি ওয়েপনস বা ভারী অস্ত্র উদ্ধারে সহায়তাকারী তথ্যদাতাকে সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা দেওয়া হবে। পিস্তল, রিভলভার ও শটগান জাতীয় অস্ত্রের ক্ষেত্রে পুরস্কারের পরিমাণ সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা।

এ ছাড়া সাউন্ড গ্রেনেড, লুট হওয়া টিয়ারগ্যাস সেল এবং অন্যান্য লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধারে তথ্য দিলে ক্ষেত্রবিশেষে ১০ হাজার, ১৫ হাজার ও ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত পুরস্কার দেওয়া হবে।

তথ্যদাতাদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্পষ্ট করেন, তথ্য সরবরাহকারীদের পরিচয় সম্পূর্ণ গোপন রাখা হবে। তার কথায়, পরিচয় গোপন না রাখলে সাধারণ মানুষ তথ্য দিতে এগিয়ে আসবে না।

অস্ত্র উদ্ধারে সাধারণ মানুষের সহায়তা কামনায় এসআরবি

দেশের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে থাকা লুণ্ঠিত ও অবৈধ অস্ত্রের সন্ধান দিতে সাধারণ মানুষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)। তথ্যদাতার পরিচয় গোপন রাখার পাশাপাশি সরকারি নিয়ম অনুযায়ী পুরস্কার দেওয়ার কথাও জানিয়েছে বাহিনীটি।

বাহিনীর আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক উইং কমান্ডার এ জেড এম ইন্তেখাব চৌধুরী এ সহায়তা চান।

তিনি বলেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে থাকা লুণ্ঠিত অস্ত্র উদ্ধারে সরকার ও এসআরবির পক্ষ থেকে বিশেষ কার্যক্রম চলছে। বাংলাদেশ পুলিশ, সেনাবাহিনী ও এসআরবির অভিযানে ইতোমধ্যে বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার কার্যক্রম আরও ত্বরান্বিত করতে এখন সাধারণ মানুষের সহযোগিতা প্রয়োজন।

ইন্তেখাব চৌধুরী বলেন, খুলনা, রাজশাহী, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় অবৈধ অস্ত্রের অবস্থান সম্পর্কে প্রাথমিকভাবে কিছু তথ্য রয়েছে। তবে পর্যাপ্ত তথ্যের অভাবে সেগুলো শনাক্ত করে উদ্ধার করা অনেক ক্ষেত্রে কঠিন হয়ে পড়ছে। এ ধরনের অস্ত্রের অবস্থান সম্পর্কে যাদের কাছে তথ্য রয়েছে, তাদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানানোর আহ্বান জানান তিনি।

এসআরবির এই কর্মকর্তা বলেন, কেউ কোনো ঘটনার সময় থানা থেকে লুট হওয়া অস্ত্র নিয়ে গিয়ে থাকতে পারেন। তার হয়তো কোনো দুরভিসন্ধি নেই। পরিস্থিতির কারণে বা তাৎক্ষণিকভাবে অস্ত্র নিয়ে যাওয়ার পর এখন তিনি কী করবেন, তা বুঝতে পারছেন না। আবার আইনগত প্রক্রিয়ার কথা চিন্তা করে কাউকে জানাতেও ভয় পাচ্ছেন। এ সমস্যা সমাধানের জন্যই তথ্য দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘আপনারা অস্ত্রগুলো যেকোনো একটি জায়গায় রেখে আমাদের তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করেন। ওই জায়গায় দুটি পিস্তল, একটি রাইফেল, ১০টি ম্যাগাজিন বা গুলি আছে; এতটুকু তথ্যই আমাদের জন্য যথেষ্ট। আমরা গিয়ে সেগুলো সংগ্রহ করে নিয়ে আসব। যিনি তথ্য দেবেন, তাকে সরকারিভাবে পুরস্কৃত করা হবে এবং তাঁর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষেত্রে বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।’

ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. কুদরাত ই খুদা বলেন, অস্ত্র উদ্ধারের বিষয়টি এখন সরাসরি আইনশৃঙ্খলা ও জননিরাপত্তার সঙ্গে সম্পৃক্ত। কারণ ইতোমধ্যে প্রমাণ পাওয়া গেছে; লুটের কিছু অস্ত্র অপরাধীদের হাতে গিয়ে চাঁদাবাজি, ছিনতাই, ডাকাতি, মাদক স্পট নিয়ন্ত্রণ এবং পুলিশের ওপর গুলি চালানোর মতো ঘটনায় ব্যবহৃত হয়েছে। ফলে নিখোঁজ প্রতিটি অস্ত্র সম্ভাব্য একটি অপরাধের উপকরণ।

তিনি বলেন, সব অস্ত্র উদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত ৫ আগস্টের লুটের ঘটনার ঝুঁকি পুরোপুরি শেষ হচ্ছে না। বরং সময় যত যাচ্ছে, অস্ত্রগুলো যত বেশি হাতবদল হচ্ছে, সেগুলোর উৎস শনাক্ত এবং কোথায় ব্যবহার হয়েছে তার হিসাব বের করা তত কঠিন হয়ে পড়ছে।

তিনি বলেন, সামনে স্থানীয় নির্বাচন। লুটের অস্ত্র উদ্ধারের বাইরে থাকলে তা স্থানীয় নির্বাচনে আধিপত্য বিস্তার, ভোটকেন্দ্রে দখলসহ আরও নানা অপরাধে ব্যবহার হতে পারে।

পুলিশ সদরদপ্তরের এআইজি (মিডিয়া অ্যান্ড পিআর) এএইচএম শাহাদাত হোসাইন বলেন, লুণ্ঠিত অস্ত্রের একটা বড় অংশই উদ্ধার হয়েছে। এখনও যেসব অস্ত্র উদ্ধারের বাইরে রয়েছে, সেগুলো উদ্ধারে জোর চেষ্টা চালানো হচ্ছে। কারও কাছে অবৈধ অস্ত্রের বিষয়ে কোনও খবর থাকলে তা পুলিশকে জানানোর অনুরোধ জানাচ্ছি।

/ইউএস/
সম্পর্কিত
৭০ হাজার টাকার জন্য স্ত্রীকে হত্যা
সর্বহারা গ্রুপের নেতা বাঘার নেতৃত্বে পেঁয়াজ ব্যবসায়ীকে হত্যা: এসআরবি
অস্ত্রের তথ্য দিলে আইনি জটিলতা ছাড়াই পুরস্কার
সর্বশেষ খবর
গাজায় যা হচ্ছে ‘বিপর্যয়কর ও অযৌক্তিক’: ব্রিটিশ গায়ক
গাজায় যা হচ্ছে ‘বিপর্যয়কর ও অযৌক্তিক’: ব্রিটিশ গায়ক
আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে সংঘর্ষ, নারীসহ দুই পক্ষের আহত ১০
আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে সংঘর্ষ, নারীসহ দুই পক্ষের আহত ১০
অপ্রতিম হত্যার রহস্য উদঘাটন করেছে বলে দাবি পুলিশের
অপ্রতিম হত্যার রহস্য উদঘাটন করেছে বলে দাবি পুলিশের
‘নিশ নিউজলেটারে’ বাড়ছে আয়ের সুযোগ
‘নিশ নিউজলেটারে’ বাড়ছে আয়ের সুযোগ
সর্বাধিক পঠিত
‘বাইরে যেও না, মুভি দেখি’, অপ্রতিমের সঙ্গে বাবার সেই শেষ কথাগুলো
‘বাইরে যেও না, মুভি দেখি’, অপ্রতিমের সঙ্গে বাবার সেই শেষ কথাগুলো
আটকের আগে অপ্রতিমকে নিয়ে ফেসবুকে যা লিখেছিল আনাস
আটকের আগে অপ্রতিমকে নিয়ে ফেসবুকে যা লিখেছিল আনাস
সালমান শাহকে যেভাবে খুঁজে পেলেন নির্মাতা সোহানুর রহমান
সালমান শাহকে যেভাবে খুঁজে পেলেন নির্মাতা সোহানুর রহমান
ভারতীয় নৌ বাহিনিতে চাকরি, বাংলাদেশি যুবক গ্রেফতার
ভারতীয় নৌ বাহিনিতে চাকরি, বাংলাদেশি যুবক গ্রেফতার
অপ্রতিমের মায়ের আইফোন তুহিনের বাড়ি থেকে উদ্ধার
অপ্রতিমের মায়ের আইফোন তুহিনের বাড়ি থেকে উদ্ধার