আন্দোলনে ‘ষড়যন্ত্রের’ অভিযোগ, কী বলছেন শ্রমিকরা

ইমরান আলী
০৩ নভেম্বর ২০২৬, ২২:০০ আপডেট : ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ২২:০০

ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলন ঘিরে মঙ্গলবারও (৩ নভেম্বর) রাজধানীর মিরপুর ও গাজীপুরসহ বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে পুলিশের সঙ্গে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়েছে। এতে পুলিশ ও শ্রমিকসহ শতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন। আন্দোলনের পেছনে রাজনৈতিক উসকানি ও তৃতীয় পক্ষের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ তুলেছে পুলিশ ও শ্রমিকনেতাদের একাংশ। তবে শ্রমিকদের দাবি, জীবনযাত্রার ব্যয় সামাল দিতে না পেরে তারা রাস্তায় নেমেছেন। মজুরি বৃদ্ধির সুনির্দিষ্ট ঘোষণা না আসা পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যেতে চান তারা।

আন্দোলনের আড়ালে রাজনৈতিক উসকানি ও তৃতীয় পক্ষের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে মিরপুরে এক শ্রমিকের ভাষ্য, ‘কে উসকানি দিল, আর কে দিল না, সেটা আমাদের দেখার বিষয় নয়। জিনিসপত্রের দামে পেটে টান পড়েছে। পেটের দায়েই আন্দোলন করছি। মজুরি বাড়ানোর ঘোষণা না আসা পর্যন্ত রাজপথ ছাড়বো না।’

পুলিশ ও শ্রমিকনেতাদের একাংশের অভিযোগ, মজুরি বোর্ড গঠনের পরও আন্দোলন অব্যাহত রাখার পেছনে একটি মহলের উসকানি রয়েছে। এমনকি কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগও তুলেছেন কেউ কেউ। অন্যদিকে আন্দোলনরত শ্রমিকরা বলছেন, কোনো রাজনৈতিক উদ্দেশ্য কিংবা কারও প্ররোচনায় নয়, জীবনযাত্রার ক্রমবর্ধমান ব্যয় সামাল দিতে না পেরেই তারা রাস্তায় নেমেছেন। আশ্বাস নয়, মজুরি বৃদ্ধির সুনির্দিষ্ট ঘোষণা চান তারা।

মিরপুরে সংঘর্ষ, গাজীপুরেও উত্তেজনা

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার সকাল থেকেই রাজধানীর মিরপুরের বিভিন্ন এলাকায় পোশাকশ্রমিকরা কারখানা থেকে বেরিয়ে সড়কে অবস্থান নেওয়ার চেষ্টা করেন। তাদের সরিয়ে দিতে পুলিশ লাঠিপেটার পাশাপাশি কাঁদানে গ্যাসের শেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। এ সময় বিক্ষুব্ধ শ্রমিকদের একটি অংশও পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়ে। এতে কয়েক দফায় সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। কালশী মোড়ে সায়মন নামে এক পুলিশ সদস্যকে একা পেয়ে মারধরের ঘটনাও ঘটে।

আন্দোলন দমনে পুলিশের পাশাপাশি বিএনপির কিছু নেতাকর্মীও লাঠিসোঁটা হাতে অবস্থান নেন বলে অভিযোগ উঠেছে। তবে তাদের ভূমিকা ও সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার হাসান মোহাম্মদ নাছের রিকাবদার সাংবাদিকদের বলেন, ‘এখন যারা আন্দোলনে রয়েছে, তারা শ্রমিক নয়। শ্রমিকদের মজুরি বাড়াতে সরকার বোর্ড গঠন করেছে। বেতনও বাড়বে। কিন্তু এরপরও তারা রাস্তা অবরোধ করে বিশৃঙ্খলা করতে চায়। তাদের উদ্দেশ্য এখন পরিষ্কার।’ তিনি আরও বলেন, ‘রাস্তায় ঝামেলা করার কোনও চেষ্টা করলে আমরা কঠোর হাতে দমন করবো।’

এদিকে মঙ্গলবার সকাল থেকে গাজীপুরের বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলেও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। শ্রমিকরা ঢাকা-টাঙ্গাইল ও ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে দফায় দফায় অবরোধ সৃষ্টি করেন। তাঁদের সড়ক থেকে সরিয়ে দিতে পুলিশ ব্যবস্থা নিলে সংঘর্ষ শুরু হয়। দিনভর কয়েক দফায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সেখানেও পুলিশের পাশাপাশি বিএনপির কিছু নেতাকর্মীর অবস্থান নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। পরিস্থিতির কারণে গুরুত্বপূর্ণ দুই মহাসড়কে যান চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়।

আন্দোলনে অনুপ্রবেশের অভিযোগ পুলিশের, গ্রেফতার ৪০

ঢাকা, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জসহ বিভিন্ন এলাকায় শ্রমিক আন্দোলনকে কেন্দ্র করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগে ৪০ জনকে গ্রেফতার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। তবে গ্রেফতার ব্যক্তিদের কেউই পোশাকশ্রমিক নন বলে দাবি করেছেন ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি মো. মোস্তাফিজুর রহমান।

মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকা রফতানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (ডিইপিজেড) এবং আশুলিয়ার নরসিংহপুরে হামিম গ্রুপসহ বিভিন্ন শিল্পকারখানা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান।

ডিআইজি মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘শ্রমিকদের ন্যায্য আন্দোলনের সুযোগ নিয়ে কিছু দুষ্কৃতকারী তাদের মধ্যে অনুপ্রবেশ করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করছে। তাদের চিহ্নিত করতে পুলিশ কাজ করছে এবং প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করা হচ্ছে। আন্দোলনের নামে কোনও বহিরাগত বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করলে তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।’ এ সময় প্রকৃত শ্রমিকদের সতর্ক ও সচেতন থাকার আহ্বান জানান তিনি।

অন্যদিকে ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার শামীমা পারভীন অভিযোগ করেন, দেশকে অস্থিতিশীল করার উদ্দেশ্যে বোরকা পরিহিত ও হেলমেটধারী একটি গোষ্ঠী শ্রমিকদের উসকানি দিচ্ছে। কারা তাদের অর্থের জোগান দিচ্ছে, সে বিষয়েও পুলিশের কাছে তথ্য রয়েছে। তিনি বলেন, শিল্পাঞ্চল সাভার ও আশুলিয়ার সার্বিক পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে এবং শ্রমিকরা স্বাভাবিক পরিবেশে কাজ করছেন। তবে কেউ নৈরাজ্য সৃষ্টির চেষ্টা করলে ছাড় দেওয়া হবে না।

‘ষড়যন্ত্র বুঝি না, পেটের দায়ে আন্দোলনে নেমেছি’

আন্দোলনের নেপথ্যে ষড়যন্ত্র ও উসকানির অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন বিক্ষোভে অংশ নেওয়া সাধারণ শ্রমিকরা। তাঁদের দাবি, নিত্যপণ্যের ঊর্ধ্বগতির বাজারে বর্তমান বেতন দিয়ে সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। মজুরি বৃদ্ধির সুনির্দিষ্ট ঘোষণা না আসা পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যেতে চান তাঁরা।

মিরপুরের বিক্ষোভে অংশ নেওয়া পোশাকশ্রমিক শোয়েব ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমাদের সব দাবি মানতে হবে। দাবি না মানা পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।’ আন্দোলনে নাশকতার অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমরা শ্রমিকরা কোনও নাশকতায় জড়িত নই। কেউ নাশকতা করলে সেটা পুলিশ দেখবে। কিন্তু আমাদের কোনও শ্রমিককে অন্যায়ভাবে গ্রেফতার করা হলে তারও প্রতিবাদ করবো।’ পুলিশের বিরুদ্ধে আন্দোলনরত শ্রমিকদের ওপর অন্যায়ভাবে হামলার অভিযোগও করেন তিনি।

শেফালী বেগম নামে আরেক নারী শ্রমিক বলেন, ‘আমাদের দাবি ন্যায্য। সরকার আলোচনা করে সেই দাবি বাস্তবায়ন করুক। আমরা আর কোনও আশ্বাসে ফিরবো না। মজুরি বাড়ানোর ঘোষণা দিতে হবে। তাহলেই আমরা কাজে ফিরবো। একই সঙ্গে যেসব শ্রমিককে অন্যায়ভাবে মারধর ও গ্রেফতার করা হয়েছে, তাদের মুক্তি দিতে হবে।’

আন্দোলনে বহিরাগতদের উসকানি রয়েছে কিনা, এমন প্রশ্নের জবাবে শেফালী বেগম বলেন, ‘আমাদের কাছে কারও উসকানি আসেনি। আমরা নিজেদের ন্যায্য দাবিতে আন্দোলন করছি। পুলিশ হামলা না করলে কোনও শ্রমিক কিছু করবে না। পুলিশ অন্যায়ভাবে আক্রমণ করছে বলেই অন্য শ্রমিকরাও প্রতিরোধ করছেন।’ তিনি আরও বলেন, ‘আন্দোলনে অনেক মানুষ আছে। এর মধ্যে কেউ মিশে অন্য কিছু করতে চাইলে সেটা পুলিশ দেখবে। এজন্য সাধারণ শ্রমিকদের আন্দোলনকে দোষ দেওয়া ঠিক নয়।’

শামীম নামে আরেক পোশাকশ্রমিক বলেন, ‘পুলিশ কী বললো, তাতে আমাদের কিছু আসে যায় না। সরকার ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা করার ঘোষণা দিয়ে দিক, সব শ্রমিক কারখানায় ফিরে যাবে। কেউ রাস্তায় থাকবে না।’

শ্রমিকনেতাদের অভিযোগ, ফায়দা লুটছে তৃতীয় পক্ষ

আন্দোলনরত শ্রমিকরা উসকানির অভিযোগ অস্বীকার করলেও শ্রমিকনেতাদের একাংশের বক্তব্য ভিন্ন। তাঁরা বলছেন, শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির দাবি যৌক্তিক। তবে সেই দাবিকে কেন্দ্র করে ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ কিংবা সংঘর্ষের ঘটনা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। আন্দোলনের সুযোগ নিয়ে একটি পক্ষ নিজেদের স্বার্থ হাসিলের চেষ্টা করছে বলেও অভিযোগ তাঁদের।

সম্মিলিত গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি নাজমা আক্তার শ্রমিকদের শান্ত থেকে কাজে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, সরকার একটি মজুরি বোর্ড গঠন করেছে। এই বোর্ডের সদস্যরা আলোচনা করে একটি যৌক্তিক পর্যায়ে পৌঁছাবেন। বেতনও বাড়বে। আপনারা শান্ত থাকেন, কাজে ফিরে যান। আমাদের যে দাবি, সেটি পূরণ হবে।

আন্দোলনে তৃতীয় পক্ষের সংশ্লিষ্টতা সম্পর্কে এক প্রশ্নের জবাবে নাজমা আক্তার বলেন, ‘আন্দোলনে তৃতীয় পক্ষ ফায়দা লুটতে ঢুকে গেছে। শ্রমিকদের দাবি ন্যায্য। কিন্তু আগুন, লুটপাট, ভাঙচুর এগুলো কি কোনও সমাধান? বারবার শ্রমিক আন্দোলন হলে কোনও না কোনও পক্ষ ফায়দা লুটতে চায়। এবারও অনেকে ফায়দা লুটতে ঢুকে গেছে।’ মজুরি বোর্ড গঠনের উদ্যোগকে ইতিবাচক উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমরা ভালো ফলাফল প্রত্যাশা করছি।’

বাংলাদেশ গার্মেন্টস শ্রমিক সংহতির সভাপ্রধান তাসলিমা আক্তারও আন্দোলনে তৃতীয় পক্ষের উসকানির অভিযোগ তুলেছেন। তিনি বলেন, ‘আন্দোলনে ফায়দা লুটছে একটি পক্ষ। উসকানি দেওয়া হচ্ছে। সরকার মজুরি বোর্ড গঠন করেছে। বেতনও বাড়বে। তাহলে কেন আজকের এই আন্দোলন?’ শ্রমিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি শ্রমিক ভাইদের অনুরোধ করবো, আপনারা কাজে ফিরে যান। আমাদের দাবি আদায় হচ্ছে।’

মহাসড়ক অবরোধে জনদুর্ভোগ

পোশাকশ্রমিকদের টানা আন্দোলন ও সংঘর্ষের প্রভাব পড়েছে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায়ও। রাজধানীর মিরপুরে পুলিশ শ্রমিকদের সড়কে অবস্থান নিতে না দিলেও গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় অবরোধের কারণে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে যাত্রীদের।

বিশেষ করে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে অবরোধের কারণে উত্তরাঞ্চলের সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়। মহাসড়কে ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকে থাকে যাত্রীবাহী বাস, পণ্যবাহী ট্রাক ও কাভার্ডভ্যান। একইভাবে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কেও যান চলাচল বাধাগ্রস্ত হয়। অনেক যাত্রীকে দীর্ঘ সময় যানবাহনের ভেতরে অপেক্ষা করতে হয়েছে। সংঘর্ষের কারণে যাত্রী ও পরিবহনশ্রমিকদের মধ্যে আতঙ্কও ছড়িয়ে পড়ে। নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় শ্রমিকদের সড়ক অবরোধের কারণেও দুর্ভোগে পড়েন সাধারণ মানুষ।

/জেইউ/ইউএস/
সম্পর্কিত
শ্রমিক অসন্তোষ: সরকার ও বিরোধী দলকে এক টেবিলে বসার তাগিদ রাজনীতিবিদদের
শ্রমিকদের ধাওয়ায় রাস্তা থেকে দৌড়ে থানায় পুলিশ, টিয়ারশেল-সাউন্ড গ্রেনেড
এসআরবি’র ডিজি হলেন ফারুক, হাইওয়ে ও শিল্প পুলিশে নতুন প্রধান
সর্বশেষ খবর
দুঃখ প্রকাশের চিরকুটসহ জাপানি দোকানে ফিরলো ৩ কোটি টাকার ঘড়ি
দুঃখ প্রকাশের চিরকুটসহ জাপানি দোকানে ফিরলো ৩ কোটি টাকার ঘড়ি
ধানক্ষেতে দুজনকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখে ফেলায় সেখানেই স্বামী-স্ত্রীকে হত্যা
ধানক্ষেতে দুজনকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখে ফেলায় সেখানেই স্বামী-স্ত্রীকে হত্যা
ইউরোপজুড়ে রেফ্রিজারেটরের তাপমাত্রা বাড়িয়ে দিচ্ছে হ্যাকাররা
ইউরোপজুড়ে রেফ্রিজারেটরের তাপমাত্রা বাড়িয়ে দিচ্ছে হ্যাকাররা
শ্রমিক অসন্তোষ: সরকার ও বিরোধী দলকে এক টেবিলে বসার তাগিদ রাজনীতিবিদদের
শ্রমিক অসন্তোষ: সরকার ও বিরোধী দলকে এক টেবিলে বসার তাগিদ রাজনীতিবিদদের
সর্বাধিক পঠিত
‘আমি গরিবের ছেলে, লোভ সামলাতে পারিনি’, জবানবন্দিতে ‘সমন্বয়ক’ রিয়াদ
চাঁদাবাজির মামলায় চার্জশিট দাখিল ‘আমি গরিবের ছেলে, লোভ সামলাতে পারিনি’, জবানবন্দিতে ‘সমন্বয়ক’ রিয়াদ
যুক্তরাষ্ট্র পারমাণবিক হামলা চালালে কী করতে হবে, জনগণকে জানিয়ে দিলো ইরান
যুক্তরাষ্ট্র পারমাণবিক হামলা চালালে কী করতে হবে, জনগণকে জানিয়ে দিলো ইরান
কোটার বাইরেও যাওয়া যাবে ইতালি, বাংলাদেশিদের জন্য নতুন সুযোগ
কোটার বাইরেও যাওয়া যাবে ইতালি, বাংলাদেশিদের জন্য নতুন সুযোগ
এবার আরেক মহাসড়ক অবরোধ করেছেন কয়েক হাজার শ্রমিক
এবার আরেক মহাসড়ক অবরোধ করেছেন কয়েক হাজার শ্রমিক
শরীর থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন করে মাকে হত্যা করা সেই সন্তান কারাগারে মারা গেছেন
শরীর থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন করে মাকে হত্যা করা সেই সন্তান কারাগারে মারা গেছেন