ঘরেই বানিয়ে ফেলুন মচমচে মুড়ি

লাইফস্টাইল ডেস্ক
২৩ এপ্রিল ২০২০, ১৮:৪১আপডেট : ২৩ এপ্রিল ২০২০, ১৮:৪৩
image

আসছে রোজা। ইফতারে মুড়ি পরিবেশন করা হয় কমবেশি সব বাসায়ই। করোনাভাইরাসের এ সময় বাইরে বের হওয়াটা ভীষণ ঝুঁকিপূর্ণ। তাই ঘরেই খুব সহজ উপায়ে মুড়ি বানিয়ে ফেলতে পারে। বালি অথবা তেলের প্রয়োজন হবে না মুড়ি বানাতে।

ঘরেই বানিয়ে ফেলুন মচমচে মুড়ি
মুড়ি তৈরির জন্য মোটা চাল নিন। আতপ বা বাসমতী চালে মুড়ি হবে না। পরিমাণ মতো মোটা চাল সামান্য লবণ দিয়ে মেখে নিন। কয়েক চামচ পানি মিশিয়ে হালকা ভিজিয়ে প্যানে ভেজে নিন। খুব সামান্য ভাজতে হবে। রঙ একটু বদলে যাওয়া মাত্র নামিয়ে ফেলতে হবে। মচমচে করবে ভাজবেন না, এতে মুড়ি হবে না।
চুলায় প্যানে আধা কেজি লবণ নিয়ে নেড়েচেড়ে গরম করুন। গরম হয়ে গেলে ৩ টেবিল চামচ চাল নিয়ে নাড়তে থাকুন হুইস্ক দিয়ে। অনবরত নাড়বেন, চুলার আঁচ বাড়ানো থাকবে। মুড়ি হয়ে গেলে নামিয়ে সঙ্গে সঙ্গে চালনিতে দিয়ে মুড়ি আলাদা করে ফেলুন। নাহলে বালির তাপে পুড়ে যাবে মুড়ি। এবার সেই লবণ দিয়েই বাকি চালগুলো মুড়ি বানিয়ে ফেলুন। মুখববন্ধ বয়ামে রেখে দিন। এটি বেশ কয়েক মাস পর্যন্ত মচমচে অবস্থায় খেতে পারবেন। 

ছবি ও প্রণালি: কুকিং স্টুডিও বাই উম্মি 

/এনএ/
সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
চট্টগ্রামে ২০ হাজার নলকূপ ক্ষতিগ্রস্ত, নিরাপদ পানির তীব্র সংকট
চট্টগ্রামে ২০ হাজার নলকূপ ক্ষতিগ্রস্ত, নিরাপদ পানির তীব্র সংকট
আর্জেন্টিনা-স্পেন মহারণ: মাঝমাঠের লড়াইয়েই নির্ধারিত হতে পারে বিশ্বকাপের ভাগ্য
আর্জেন্টিনা-স্পেন মহারণ: মাঝমাঠের লড়াইয়েই নির্ধারিত হতে পারে বিশ্বকাপের ভাগ্য
এনসিপি থেকে এক জেলার আহ্বায়কের পদত্যাগ
এনসিপি থেকে এক জেলার আহ্বায়কের পদত্যাগ
সাক্ষাৎকারে নিয়োগদাতার শেষ প্রশ্নের সেরা জবাব কী হতে পারে
সাক্ষাৎকারে নিয়োগদাতার শেষ প্রশ্নের সেরা জবাব কী হতে পারে
সর্বাধিক পঠিত
বুফে আর বাফেটের মধ্যে পার্থক্য কী
বুফে আর বাফেটের মধ্যে পার্থক্য কী
তিন ধরনের কেক-পাউরুটি বিক্রি বন্ধের নির্দেশ
তিন ধরনের কেক-পাউরুটি বিক্রি বন্ধের নির্দেশ
বিশ্বকাপ শেষে আর্জেন্টিনা দলে আর দেখা যাবে না যে ৯ তারকাকে
বিশ্বকাপ শেষে আর্জেন্টিনা দলে আর দেখা যাবে না যে ৯ তারকাকে
বুফেতে কোন খাবারের পর কোন খাবার খাবেন
বুফেতে কোন খাবারের পর কোন খাবার খাবেন
মাথার ওপর দিয়ে চলছে গাড়ি: ফ্লাইওভারের নিচে আবাসিক এলাকা, তবু খুশি বাসিন্দারা
মাথার ওপর দিয়ে চলছে গাড়ি: ফ্লাইওভারের নিচে আবাসিক এলাকা, তবু খুশি বাসিন্দারা