আমরা অনেকেই ভাবি গরুর মাংস খেলে বুঝি কেবল নানাবিধ রোগের ঝুঁকিই বেড়ে যায়। এই কারণে অনেকে খাদ্যতালিকা থেকে এটি বাদ দিয়ে দেন একেবারেই। তবে গরুর মাংসেরও রয়েছে পুষ্টিগুণ।
বাংলাদেশ মাল্টিকেয়ার হাসপাতাল ও ইবনেসিনা ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড কনসালটেশন সেন্টারের ক্লিনিক্যাল ডায়াটিশিয়ান ও নিউট্রিশন কনসালটেন্ট ফাতেমা সিদ্দিকী ছন্দা জানান, গরুর মাংস হচ্ছে ফার্স্ট ক্লাস প্রোটিন। প্রোটিন ছাড়াও আমাদের শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় ফ্যাট, কোলেস্টেরল, সোডিয়াম, পটাশিয়াম, সেলেনিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ভিটামিন বি ৬, বি ১২, আয়রন, জিংক, ফসফরাস ও গ্লুটাথিওন মেলে গরুর মাংস থেকে।
প্রতি ১০০ গ্রাম গরুর মাংস থেকে ২৬ গ্রাম প্রোটিন পাওয়া যায় যা আমাদের দৈনিক চাহিদার প্রায় অর্ধেক পূরণ করে। গ্লুটাথিওন হলো এক ধরনের অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট যা আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। পাশাপাশি নন কমিউনিকেবল ডিজিজ প্রতিরোধে সাহায্য করে।
গরুর মাংসে থাকা জিংক ক্ষত, ঠান্ডা, কাশি সারাতে সাহায্য করে। আয়রনেরও চমৎকার উৎস এটি। আয়রনের দৈনিক চাহিদার ১৪ শতাংশ পূরণ করতে পারে গরুর মাংস। এতে রক্তশূন্যতার ঝুঁকি কমে।
অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, ভিটামিন ও মিনারেলের চমৎকার উৎস গরুর মাংস। তাই এই মাংস একেবারেই খাওয়া যাবে না কথাটা সঠিক নয়। তবে খেতে হবে পরিমাণ মতো ও নিয়ম মেনে।









