স্তনের টিস্যু থেকে বিকাশ লাভ করে স্তন ক্যানসার। এই ক্যানসার হলে স্তনের কোষগুলো অনিয়ন্ত্রিত উপায়ে বৃদ্ধি পায় এবং বিভাজিত হয়। ঘাতক এই ব্যাধি প্রাথমিক পর্যায়ে ধরা পড়লে ভালো হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে বুঝতে দেরি হলে মৃত্যুর ঝুঁকি বেড়ে যায়। কেন হয় স্তন ক্যানসার? যুক্তরাজ্যের কেমব্রিজের চিকিৎসক ও সহায় হেলথ এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা ডা. তাসনিম জারা একটি ভিডিওতে জানিয়েছেন স্তন ক্যানসারের ঝুঁকিতে কারা আছেন সেই সম্পর্কে।
বাড়তি ওজন যাদের
যারা স্থূল বা যাদের ওজন অনেক বেশি তারা রয়েছেন স্তন ক্যানসারের ঝুঁকিতে। পিরিয়ড বন্ধ হওয়ার পর এই ঝুঁকি বাড়ে আরও বেশি। আমাদের শরীরের চর্বি ইস্ট্রোজেন নামের একটি হরমোন তৈরি করে। এই হরমোন স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। তবে যাদের ওজন বেশি সবারই যে স্তন ক্যানসার হবে এমনটা নয়। কিন্তু স্বাভাবিক ওজনের তুলনায় যাদের ওজন বাড়তি তাদের এই ক্যানসার হওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে।
শিশুকে বুকের দুধ না খাওয়ানো
শিশুকে বুকের দুধ না খাওয়ালে স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ে। তাই অবশ্যই চেষ্টা করুন শিশুকে বুকের দুধ খাওয়াতে। এতে শিশু যেমন গুরুত্বপূর্ণ সব পুষ্টি উপাদান পাবে, তেমনি কমবে স্তন ক্যানসারের ঝুঁকিও।
ধূমপান ও মদপানের অভ্যাস থাকলে
ধূমপান ও মদপানের অভ্যাস স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। আশেপাশে ধূমপায়ী থাকলেও বাড়ে এই ক্যানসারের ঝুঁকি।
পর্যাপ্ত শারীরিক পরিশ্রম না করা
অলস জীবনযাপন করা বা পর্যাপ্ত শারীরিক পরিশ্রম না করার অভ্যাস স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। দ্রুত হাঁটা বা সাঁতার কাটার মতো ব্যায়াম করার চেষ্টা করুন। সপ্তাহে আড়াই ঘণ্টা থেকে পাঁচ ঘণ্টা ব্যায়াম করলে স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি কমে অনেকটাই।
নির্দিষ্ট কিছু জন্মবিরতিকরণ পদ্ধতির ব্যবহার
কিছু জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি ব্যবহারের কারণে স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি সামান্য বাড়তে পারে, যেমন কম্বাইনড পিল। এই পিল খাওয়া বন্ধ করলে স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি সময়ের সাথে সাথে কমতে থাকে। তবে এই পিল কিছু ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে পারে।









