দারুণ এক প্রাকৃতিক পানীয় ডাবের পানি। এতে থাকা পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের ইলেক্ট্রোলাইট ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়ক। কিন্তু সবার জন্য এটি উপকারী নয়।
১. ডায়াবেটিস রোগীরা
ডাবের পানিতে প্রাকৃতিক শর্করা থাকে। যদিও তা স্ন্যাকস হিসেবে উপযুক্ত, তবে অতিরিক্ত খেলে রক্তে শর্করার পরিমাণ বেড়ে যেতে পারে। আমেরিকান ডায়াবেটিস অ্যাসোসিয়েশনের মতে, প্রাকৃতিক হলেও যেকোনো রকম শর্করা গ্রহণে পরিমাণের দিকে খেয়াল রাখা দরকার। হার্ভাড হেলথ পাবলিশিং ডাবের পানিকে মডারেট সুগার বেভারেজ হিসেবে চিহ্নিত করেছে।
২. কিডনি রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিরা
ডাবের পানিতে উচ্চমাত্রার পটাশিয়াম থাকে। কিডনি যদি ঠিকমতো কাজ না করে, তবে অতিরিক্ত পটাশিয়াম শরীরে জমে গিয়ে হৃদযন্ত্রে প্রভাব ফেলতে পারে। ন্যাশনাল কিডনি ফাউন্ডেশনের মতে, কিডনি রোগীদের কম পটাশিয়ামযুক্ত খাবার গ্রহণ করা জরুরি।
৩. লো ব্লাড প্রেসারের রোগীরা
ডাবের পানি প্রাকৃতিকভাবে রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে। যাদের রক্তচাপ আগে থেকেই কম, তাদের ক্ষেত্রে এটি আরও নিচে নামিয়ে দিতে পারে। ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল জার্নালসহ আরও কিছু গবেষণায় বলা হয়েছে, ডাবের পানি সিসটোলিক ও ডায়াস্টোলিক ব্লাড প্রেসার উভয়ই কমাতে সক্ষম।
৪. অপারেশনের আগে
ডাবের পানিতে প্রাকৃতিক সোডিয়াম ও ইলেক্ট্রোলাইট থাকলেও সার্জারির আগে কিছু সময় (বিশেষত ২-৩ দিন) এসব পানীয় এড়িয়ে চলতে বলেন অনেক চিকিৎসক, যাতে সার্জারির সময় শরীরে রস ও লবণ ভারসাম্যে সমস্যা না হয়। এমনটা বলা হয়েছে মায়ো ক্লিনিক এবং জন হপকিন্স মেডিসিনে।









