ঘরের ভেতর এক টুকরো সবুজ

জীবনযাপন ডেস্ক
৩০ আগস্ট ২০২৫, ১১:০৪আপডেট : ৩০ আগস্ট ২০২৫, ১১:১৩

ইটকাঠের এই শহরে দিন দিন সবুজ কমছে। নাগরিক মন একটু সবুজের জন্য সুযোগ হলেই ঢাকা ছাড়তে চায়। কিন্তু নিজের ঘর কীভাবে বাসযোগ্য করা যায় সেটা ভাবতে গিয়ে গাছের আয়োজন এখন সবার জন্যই। ঘরের জানালায়, আসবাবেব মাথায়, বারান্দায় এখন সবুজের সমারোহ। কিন্তু জানেন কি ঘরের গাছের পরিচর্যা বাইরের গাছের থেকে কতটা ভিন্ন?

দরকার পর্যাপ্ত আলো

পর্যাপ্ত আলো-বাতাস না থাকলে প্রয়োজনে কৃত্রিম আলোর ব্যবস্থা করতে হবে (ছবি: সংগৃহিত)

অনেকেই অভিযোগ করেন, ঘরের ভেতর গাছ ভালো লাগলেও সেটা বেশি দিন বাঁচিয়ে রাখা যায় না। নার্সারিতে যারা গাছের প্রাথমিক জীবন নিয়ে কাজ করেন তারা বলছেন, বেশিরভাগ ইনডোর গাছের জন্য প্রাকৃতিক আলো খুব জরুরি, সেটা আমাদের মাথায় থাকে না। এমনকি বাসায় যদি পর্যাপ্ত আলো-বাতাস না থাকে তাহলে প্রয়োজনে কৃত্রিম আলোর ব্যবস্থা করতে হবে। তবে সেটা অবশ্যই বুঝে-শুনে বিশেষজ্ঞ জনদের পরামর্শ নিয়ে।

পানি দিতে হবে পরিমাপ মতো

গাছের পাতা মাঝে মাঝে স্প্রে করে ভিজিয়ে দিতে হয় (ছবি: সংগৃহীত)

নার্সারির পরিচর্যাকারী মান্নান বলেন, প্রয়োজন অনুযায়ী পানি দিন, অতিরিক্ত পানি যেন না হয়। মাটি শুকনো মনে হলে পানি দিতে হবে। গাছের পাতা মাঝে মাঝে স্প্রে করে ভিজিয়ে দিন, গাছকে সময় দিতে হবে। ধুলো জমলে পাতার ফটোসিনথেসিস কমে যায়, তাই ভেজা কাপড় দিয়ে পাতাগুলো মুছে দিন।

এই গাছেও সার লাগে

প্রতি এক-দু বছর পর পর গাছের আকার অনুযায়ী বড় পাত্রে স্থানান্তরিত করতে হবে (ছবি: সংগৃহীত)

খাবার না দিলে অনেক গাছ বেড়ে ওঠে না, পাতা নষ্ট হয়, ভেতরে ভেতরে গোড়া পচে যায়, যা বাইরে থেকে দেখা যায় না। হুট করে দেখা যায় গাছ মরে গেছে। প্রতি দুই-তিন মাস পর পর লিকুইড সার বা স্লো-রিলিজ ফার্টিলাইজার ব্যবহার করতে হবে। আশেপাশের যেকোনও নার্সারি থেকে জেনেও নিতে পারেন। তারা কোনও পারিশ্রমিক ছাড়াই পরামর্শ দিয়ে থাকেন।

এসবের পরও যে কাজটি আপনাকে অবশ্যই করতে হবে তা হলো প্রতি এক-দু বছর পর পর গাছের আকার অনুযায়ী বড় পাত্রে স্থানান্তরিত করতে হবে। নতুন পাত্রে ভালো মানের মাটি ও কম্পোস্ট ব্যবহারের পরে সেটার সঙ্গে গাছকে মানিয়ে নিতে সময় দিন।

/আরকে/
সম্পর্কিত
গাছ না কেটে মেরিন ড্রাইভ সড়ক প্রশস্তকরণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
রাস্তার জন্য কাটা হলো ৩০টি গাছ
সরকারি প্রকল্পের গাছ কাটতেও নিতে হবে অনুমতি: হাইকোর্ট
সর্বশেষ খবর
যেখানে সকালে বারান্দায় এলেই দেখা মেলে জোড়া রংধনুর
যেখানে সকালে বারান্দায় এলেই দেখা মেলে জোড়া রংধনুর
সরকারি কর্মকর্তাদের বিদেশ সফরের আড়ালে কী
সরকারি কর্মকর্তাদের বিদেশ সফরের আড়ালে কী
গরমে শিশুর সুরক্ষা: সামান্য ভুলও ডেকে আনতে পারে বড় বিপদ
গরমে শিশুর সুরক্ষা: সামান্য ভুলও ডেকে আনতে পারে বড় বিপদ
থানার ভেতরে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে পিটিয়ে আহত, ৩ পুলিশ প্রত্যাহার
থানার ভেতরে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে পিটিয়ে আহত, ৩ পুলিশ প্রত্যাহার
সর্বাধিক পঠিত
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম