দক্ষিণী ছবির পাশাপাশি বলিউডেও জনপ্রিয় অভিনেত্রী রাশমিকা মান্দানা। তাঁর ঘন চুল ও উজ্জ্বল ত্বক নিয়ে অনুরাগীদের কৌতূহল কম নয়। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজের ছোটবেলার রূপচর্চার কথা জানিয়েছেন অভিনেত্রী। তাঁর কথায়, শৈশবে ত্বকের যত্নে মায়ের পরামর্শ মেনে চন্দন ও কাঁচা হলুদ ব্যবহার করতেন। আর চুলের যত্নে ছিল দাদির তৈরি বিশেষ ঘরোয়া মিশ্রণ।
ত্বকের যত্নে চন্দন ও হলুদ
রাশমিকা জানিয়েছেন, ছোটবেলায় তাঁর মা চন্দনের সঙ্গে কাঁচা হলুদ মিশিয়ে মুখে মাখতে দিতেন। ভারতীয় রূপচর্চায় দীর্ঘদিন ধরেই এই দুই উপাদানের ব্যবহার রয়েছে। হলুদে থাকা কারকিউমিনের প্রদাহনাশক গুণ নিয়ে গবেষণা হয়েছে। অন্য দিকে, চন্দন ত্বকে শীতল অনুভূতি দেয়। তবে এই মিশ্রণ সবার ত্বকে একইভাবে কাজ করে না। ব্রণ, মেছতা বা কালচে দাগ দূর করার নিশ্চিত উপায় হিসেবেও একে দেখা যায় না।
চুলের যত্নে দাদির টোটকা
রাশমিকা জানান, ছোটবেলায় তাঁর দাদি চুলের জন্য ঘরোয়া উপকরণ দিয়ে বিশেষ মাস্ক তৈরি করে দিতেন। সেই যত্নের স্মৃতি এখনও তাঁর মনে রয়েছে। তবে ওই মিশ্রণে কী কী উপাদান ব্যবহার করা হত, তা স্পষ্ট করে জানাননি তিনি। তাই তাঁর চুলের যত্নের রুটিনে ঠিক কোন উপকরণ থাকতো, তা জানা যায়নি।
ঘরোয়া রূপচর্চায় কী কী মাথায় রাখবেন?
প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার করলেই তা সব ধরনের ত্বকের জন্য নিরাপদ হয় না। হলুদ বা চন্দন ব্যবহারে কারও কারও ত্বকে জ্বালা, চুলকানি কিংবা অ্যালার্জি দেখা দিতে পারে। বাজার থেকে কেনা চন্দনের গুঁড়োয় সুগন্ধি বা অন্য উপাদান মেশানো থাকলেও সমস্যা হতে পারে।
মুখে কোনও নতুন মিশ্রণ ব্যবহারের আগে হাতের ছোট অংশে লাগিয়ে পরীক্ষা করে নেওয়া ভালো। ত্বকে লালচে ভাব, জ্বালা বা চুলকানি দেখা দিলে সঙ্গে সঙ্গে ধুয়ে ফেলুন। ব্রণ, ক্ষত বা ত্বকের সংক্রমণ থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া এ ধরনের মিশ্রণ ব্যবহার করবেন না। রূপচর্চার পাশাপাশি ত্বক পরিষ্কার রাখা, উপযুক্ত ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার এবং দিনের বেলায় সানস্ক্রিন লাগানোও জরুরি।