ভাত, খিচুড়ি কিংবা রুটির সঙ্গে একটু আচার থাকলে সাধারণ খাবারও যেন হয়ে ওঠে আরও মজাদার। আর যারা ঝাল খেতে ভালোবাসেন, তাদের কাছে কাঁচা মরিচের আচার হতে পারে একেবারেই অন্যরকম স্বাদের সংযোজন। কাঁচা মরিচের ঝাল ঝাল আচার মুখের স্বাদ বাড়াতে পারে মুহূর্তেই। বাড়িতে সহজেই তৈরি করা যায় এই ঝাল-মজার আচার।
উপকরণ: বড় আকারের কাঁচা মরিচ ২৫০ গ্রাম, আধভাঙা রসুনের কোয়া সিকি কাপ, ধনেগুঁড়া ১ চা-চামচ, মেথি সিকি চা-চামচ, মৌরি আধা চা-চামচ, হলুদগুঁড়া আধা চা-চামচ, লবণ ১ টেবিল চামচ, ১টি লেবুর রস, সরিষার তেল সিকি কাপ, পাঁচফোড়ন আধা চা-চামচ, ভিনেগার ২ টেবিল চামচ, সরিষাবাটা দেড় টেবিল চামচ এবং চিনি আধা চা-চামচ।
যেভাবে তৈরি করবেন: প্রথমে কাঁচা মরিচের বোঁটা ফেলে মাঝ বরাবর লম্বা করে ফালি করে নিন। এরপর মরিচের সঙ্গে ১ টেবিল চামচ লবণ ও সামান্য হলুদ মেখে ঝাঁঝরিতে কিছুক্ষণ রেখে দিন। এতে মরিচের বাড়তি পানি ঝরে যাবে।
এবার একটি শুকনো প্যানে ধনে, মেথি ও মৌরি হালকা করে টেলে নিন। ঠান্ডা হলে এগুলো গুঁড়া করে মরিচের সঙ্গে মিশিয়ে দিন। এর সঙ্গে লেবুর রস, প্রয়োজনমতো লবণ ও হলুদ দিয়ে ভালোভাবে মেখে রাখুন।
অন্যদিকে কড়াইয়ে সরিষার তেল গরম করে তাতে পাঁচফোড়ন দিন। ফোড়নের সুগন্ধ বের হলে আধভাঙা রসুন দিয়ে কিছুক্ষণ ভেজে নিন। রসুন নরম হয়ে এলে সরিষাবাটা ও ভিনেগার দিয়ে নেড়ে নিন। রসুন ভালোভাবে সেদ্ধ হয়ে এলে চুলা বন্ধ করে দিন।
এবার মসলামাখা কাঁচা মরিচ ওই তেলের মধ্যে দিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। সবশেষে চিনি দিয়ে আরও একবার নেড়ে মিশিয়ে পরিষ্কার ও সম্পূর্ণ শুকনো কাচের বয়ামে তুলে রাখুন। প্রচলিত এই পদ্ধতিতে আচার কয়েক দিন রোদে রাখলে স্বাদ আরও ভালোভাবে মিশে যেতে পারে।
তৈরি হয়ে গেল ঝাল, টক ও মসলার ঘ্রাণে ভরা কাঁচা মরিচের আচার। গরম ভাত, খিচুড়ি কিংবা রুটির সঙ্গে অল্প একটু আচারই খাবারের স্বাদে এনে দিতে পারে দারুণ পরিবর্তন। ঝালপ্রেমীদের জন্য তাই ঘরেই তৈরি করে রাখতে পারেন এই অনন্য আচার।








