কাবাব মানেই শুধু গ্রিল বা শিকে গাঁথা মাংস নয়, মসলাদার গ্রেভির সঙ্গে নরম ও রসালো কাবাবও হতে পারে জমজমাট আয়োজন। ঘরোয়া উপকরণেই তৈরি করা যায় এমন ‘বিন্দি কাবাব’ স্বাদে যেমন সমৃদ্ধ, পরিবেশনেও তেমনই আকর্ষণীয়। বিশেষ করে অতিথি আপ্যায়ন কিংবা বিশেষ দিনের খাবারের তালিকায় রাখতে পারেন এই পদ।
কাবাব তৈরির উপকরণ
বিন্দি কাবাব তৈরির জন্য লাগবে আধা কেজি মাংসের কিমা, দুই টুকরা পাউরুটি, এক চা-চামচ আদাবাটা, এক টেবিল-চামচ লেবুর রস, পরিমাণমতো লবণ, আধা চা-চামচ গোলমরিচের গুঁড়া, এক টেবিল-চামচ কর্নফ্লাওয়ার এবং এক টেবিল-চামচ সয়াবিন তেল।
গ্রেভির উপকরণ
গ্রেভির জন্য লাগবে তিন টেবিল-চামচ ঘি, তিন থেকে চার টেবিল-চামচ তেল, দুই টেবিল-চামচ পেঁয়াজবাটা, দেড় টেবিল-চামচ আদাবাটা, এক চা-চামচ রসুনবাটা, এক চা-চামচ গরমমসলার গুঁড়া, দুই টেবিল-চামচ পোস্তদানার বাটা, চার থেকে পাঁচটি কাঁচা মরিচ, এক চা-চামচ মরিচগুঁড়া, এক চা-চামচ জয়ফল-জয়ত্রী গুঁড়া, স্বাদমতো লবণ, এক চা-চামচ জিরাবাটা, আধা কাপ মিষ্টি দই, আধা কাপ টক দই, চার টুকরা দারুচিনি, দুটি তেজপাতা, এক টেবিল-চামচ কেওড়া, সিকি কাপ পেঁয়াজ বেরেস্তা এবং এক টেবিল-চামচ কিশমিশ।
যেভাবে তৈরি করবেন
প্রথমে কাবাবের সব উপকরণ একটি পাত্রে নিয়ে ভালোভাবে মেখে নিন। মিশ্রণটি মসৃণ হলে ছোট ছোট বলের আকারে কাবাব তৈরি করে রাখুন।
এবার একটি প্যানে তেল ও ঘি গরম করে দারুচিনি, তেজপাতা ও গরমমসলা দিয়ে কিছুক্ষণ নেড়ে নিন। এরপর পেঁয়াজবাটা দিয়ে ভেজে আদাবাটা ও রসুনবাটা যোগ করুন। মসলা ভালোভাবে কষে নিলে পোস্তদানার বাটা, মরিচগুঁড়া, জয়ফল-জয়ত্রী গুঁড়া, জিরাবাটা ও লবণ দিয়ে আরও কিছুক্ষণ ভুনে নিন।
এরপর মিষ্টি দই ও টক দই দিয়ে মসলা ভালোভাবে কষিয়ে নিন। প্রয়োজনমতো সামান্য পানি দিয়ে গ্রেভি তৈরি করে তাতে একে একে কাবাবের বলগুলো ছেড়ে দিন। কাঁচা মরিচ দিয়ে ঢেকে অল্প আঁচে কিছুক্ষণ রান্না করুন, যাতে কাবাবের ভেতর পর্যন্ত মসলা ভালোভাবে ঢুকে যায়।
কাবাব সেদ্ধ হয়ে গ্রেভি ঘন হয়ে এলে কেওড়া, পেঁয়াজ বেরেস্তা ও কিশমিশ দিয়ে আরও এক-দুই মিনিট রান্না করে চুলা বন্ধ করে দিন। গরম গরম পরিবেশন করুন সুস্বাদু ও সুগন্ধি বিন্দি কাবাব।









