X
বৃহস্পতিবার, ১৮ আগস্ট ২০২২
৩ ভাদ্র ১৪২৯

মানববাদী মধুসূদনের নারীপ্রগতিভাবনা

অলোক চক্রবর্তী
২৯ জুন ২০২২, ০১:০৮আপডেট : ২৯ জুন ২০২২, ০১:০৮

উনবিংশ শতাব্দী বাংলার ইতিহাসে এক অনন্য মহালগ্ন হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছে। পণ্ডিতেরা এই মহালগ্নকে মহাজাগৃতি নামে অভিহিত করেছেন। অবশ্য এই অভিহিতির পেছনেও ছিল নানাবিধ কারণ। তার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে, মধ্যযুগীয় চিন্তা ও জীবনচর্চা থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত হবার যে সাধনার পথ নবজাগৃতি নিয়ে এসেছিল তারই যোগ্য ঘোষণাকারী হিসেবে মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের আবির্ভাব। সাধ্য ও সাধনার সীমার মধ্যদিয়ে দত্তকুলোদ্ভব কবি বাঙালি জাতিকে যে চেতনা ও দৃষ্টিভঙ্গি অর্জনের পথ দেখিয়ে দিয়ে গেছেন; তা নিঃসন্দেহে প্রাতঃস্মরণীয় হয়ে রয়েছে এবং থাকবে।

চেতনার বিকাশের পথে বাংলার নবজাগৃতি বা রেনেসাঁস যে মানববাদ প্রতিষ্ঠার ধারা সৃজন করেছিল তা প্রকৃত অর্থেই ভৌম মানুষের জীবন-মন, চরিত্র, ভাগ্য, গৌরব ও মহিমাকে তার বিচিত্র সৌন্দর্য ও আনন্দের উৎসমুখ উন্মুক্ত করে দিয়েছিল। দ্বিজ চণ্ডীদাসের ‘শুনহ মানুষ ভাই / সবার উপরে মানুষ সত্য তাহার উপরে নাই’Ñএই চেতনাই যেন রেনেসাঁপুষ্ট মানববাদ হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেতে লাগল। এই যে মানবসত্তার জাগরণ এটি একদিনে ঘটে যাওয়া কোনো অলৌকিক বিষয় ছিল না। আমরা হয়তো একবিংশ শতকে এসে নির্ভাবনায় ইতিহাসের পাঠ হিসেবে রাজা রামমোহন রায়ের রাষ্ট্রনৈতিক চিন্তা বা সতীদাহ প্রথা রদ, ঈশ্বর চন্দ্র বিদ্যাসাগরের বিধবাবিবাহ আইন প্রণয়ন এবং নারীশিক্ষা বিস্তারের প্রসঙ্গ রপ্ত করতে পারি, কিন্তু বাঙালি মানসে এবং তার সৃষ্টিতেÑকর্মে এই যে ধারা সূচিত হয়েছিল এবং ধীরে ধীরে মননবৃত্তিকে সেই দিকে ধাবমান করার চূড়ান্ত প্রয়াস নেওয়া হয়েছিলÑতার অলক্ষ্যে অনন্য ভূমিকা রেখেছিল রেনেসাসেঁর অনন্য উপাদান ‘মানববাদ’। অবশ্য বাংলায় সত্যিকার রেনেসাঁস হয়েছিল কি হয়নি সেটা স্বতন্ত্র আলোচনার বিষয়। আমরা অনেক ক্ষেত্রে মধুসূদন সম্বন্ধে অনেক ভারী কথা তা তত্ত্বকথা তুলে আনি বটে কিন্তু সচেতনভাবে পেছনে ফেলে দেই সেইসময়-আবহকে, যখন Theo-Centric বা ভাব-ভাবনার জগৎ কত সংগ্রাম করে Anthropocentric হয়ে উঠেছিল যুক্তিবাদের ধারায়। মাইকেল মধুসূদন দত্ত তারই যোগ্য কোরাস। মানবসমাজে শুধু সাহিত্য স্রষ্টা হিসেবে নন নবজাগৃতির আলোকসম্পাত করেছিলেন সমাজ-সংগঠনকে পরিবর্তনের লক্ষ্যে।

মানবের সৌন্দর্য উপলব্ধির যে চেষ্টা অর্থাৎ বর্তমান জীবন ও তার চেতনাকে মানবচেতনার সাথে যুক্ত করাÑদত্ত কবি তা করেছিলেন সচেতনভাবে। সিমন্ডস যেমন তাঁর অ A short story of the Renaissance in Italy-তে বলেছিলেন, ‘Men found that in classical as well as Biblical antiquity existed an ideal of Human Life Both moral and intellectual, by which they might profit in the present’. এই মানববাদের মধ্যে উঠে আসল স্বাধীনতার চেতনা, স্বদেশপ্রেম এবং নারীপ্রগতিভাবনা। মাইকেল মধুসূদন দত্ত এ-সবকিছু স্বল্পায়তনিক সাহিত্যিক জীবনে অনুশীলন করে গেছেন। আমরা এ-সব কারণেই সমস্বরে বলি, তিনি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি এবং সত্যিকার অর্থেই বাংলা সাহিত্যে আধুনিকতার উদগাতা। এই যে তাঁকে মহৎ হিসেবে উপস্থাপন করছি তা শুধু তিনি কবি বলেই মহৎ বা মহৎকবি বলেই আধুনিক বা আধুনিক বলেই মহৎকবি, বিষয়টি এমন নয়। তাঁর আধুনিকতা ও মহত্ত্ব সমকালের পটভূমিতেই সর্বাপেক্ষা উজ্জ্বল ও তাৎপর্যময় হয়ে উঠেছিল। সাহিত্যের নানাবিধ বিষয়ভাব ও আঙ্গিকে তিনি শুধু জনকই নন, আঙ্গিক-সচেতন হিসেবে, বিষয় নির্বাচনে ও প্রগতির ভাবনায় সর্বোপরি নতুন মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় মধুসূদনের সচেতনতা ও সাফল্য বিস্ময়করÑএকথা নির্ভাবনায় বলা যায়।

মধুসূদন-পূর্ব সময়ে সাহিত্যের ধারার মধ্যে বৈচিত্র্যপূর্ণ ভাবনা ছিল কিন্তু তার কোনো বহুমাত্রিকতা ছিল না। জাতীয় সত্তায় আত্মপ্রতিষ্ঠা বিশেষ করে স্বজাতির প্রতি আচ্ছন্ন মানসিকতাই ব্যাপকভাবে উপস্থাপিত হচ্ছিল। রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়কে এ-ক্ষেত্রে আমরা উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করতে পারি। সেখানে স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষাকে হিন্দুত্ববাদের ছাঁচে ফেলার প্রয়াস দুর্লক্ষ্যণীয় নয়। সচেতনভাবে দেখলেই বোঝা যায়, তাঁরা আধুনিক হলেও ওয়ানডাইমেনশনাল গতিতে তাঁদের স্থিতি স্থির হয়ে পড়েছিল। কিন্তু মধুসূদন এ-ক্ষেত্রেও অন্যসাধারণ! জীবনীশক্তির প্রাচুর্যে, প্রতিভার দীপ্তিতে সমকালীন পটভূমিতে মহাকবি মধুসূদনের মহত্ত্ব ও আধুনিকতা সবচেয়ে সুষ্পষ্ট হয়ে ধরা দিয়েছে। 

বিষয় বিবেচনা করলে আমরা দত্তকবির আধুনিক ভাবনার জায়গাকে দুইটি স্তরে বিন্যস্ত করতে পারি। (ক) বক্তব্যগত (খ) বিষয়গত/উপাদানগত। এই পরিসরে আমরা কবির আধুনিকতার স্বরূপ চিহ্নিত করতে বক্তব্যগত বিষয়ভাবে ‘নারীপ্রগতিভাবনা’ বিষয়ে কিঞ্চিৎ আলোচনার প্রয়াসী হব।

নারীবাদ, নারীমুক্তি আন্দোলন, নারীপ্রগতিভাবনা, সাহিত্যে নারীবাদী সমালোচনা এ-বিষয়গুলো আধুনিক পারিভাষিক শব্দরূপে আমাদের সমাজে এখন ব্যাপক আলোড়ন তুলেছে। অথবা বিষয়গুলোর যথার্থতা এ-পর্যায়ে এসে আমরা শিক্ষার কল্যাণে বা সংস্কৃতিচর্চার জন্য একদিকে যেমন অনুধাবন করছি অন্যদিকে চেতনায় তা ধারণ করার চেষ্টা করছি। কিন্তু বর্তমান প্রজন্ম এই সব বিষয়বস্তুকে যে ধারণ করেছ তারও কিন্তু একটি ধারাবাহিক ইতিহাস রয়েছে। বর্তমান সময়ে ‘ফেমিনিস্ট ক্রিটিসিজম’ অত্যন্ত আলোচিত বিষয় বিশ্বজুড়ে। এটি মূলত সাহিত্যের ব্যাখ্যায় সংস্কৃতি-নির্ধারিত লিঙ্গ-বৈষম্যের ওপর নির্ভর করে থাকে এবং গুরুত্বারোপও করে থাকে। অষ্টাদশ শতাব্দীতে মেরি ওলস্টোনক্রাফট-এর লেখা ‘এ ভিন্ডিকেশন অব দ্য রাইটস অব উওমান; স্টুয়ার্ট মিলের ‘দ্যা সাবজেকশন অব উইম্যান’ এবং আমেরিকান লেখক ম্যারগারেট ফুলার-এর ‘উইম্যান ইন দ্যা নাইটিনথ সেঞ্চুরি’Ñগ্রন্থগুলি নারীবাদের আকরগ্রন্থ হিসেবে বিবেচিত হয়ে এ-ধারাকে বেগবান করেছে। ফরাসি লেখিকা সিমন দ্য বোভোয়ার-এর ‘দ্য সেকেন্ড সেক্স’, মেরি এলম্যানের ‘থিংকিং অ্যাবাউট উইম্যান’, কেট মিলেটের ‘সেক্সুয়াল পলেটিক্স’ গ্রন্থগুলিকে পশ্চিমা বিশ্ব আকরগ্রন্থ হিসেবে সামনে রেখে নারীবাদ বা তার প্রগতিকে এগিয়ে নিয়ে চলেছে। কিন্তু আমাদের বাঙালি জাতির ক্ষেত্রে এ-বিষয়ে যেতে হবে বা হয় আধুনিকতার বরপুত্র, বিদ্রোহী, মহাকবি মাইকেলের কাছে। সংষ্কৃতিবানেরা প্রায়শই একটি কথা বলে থাকেন যে, নারীবাদী চিন্তা বা দৃষ্টিভঙ্গি তা মূলত আধুনিকতারই পূর্বশর্ত। আমরা উপর্যুক্ত মন্তব্যকে যথার্থ হিসেবে মনে করি। মধুসূদন দত্ত ভাবনার জগৎকে (প্রাচ্য ও প্রতীচ্য) এক করেছিলেন। তিনি বাংলার সাথে প্রতীচ্যের নিবিড় যোগসাধন করেছিলেন। সেই যে শৈশবে মায়ের কোলে শুয়ে রামায়ণ, মহাভারতের কাহিনি শুনেছিলেন; পরবর্তীকালে সুগভীর পঠন-পাঠনে আরও সমৃদ্ধ, আধুনিক মননঋদ্ধ হয়ে প্রকাশিত হলো তাঁর বৈচিত্র্যপূর্ণ সাহিত্যে। নারীপ্রগতি ভাবনায় মাইকেল শুধু অগ্রগণ্যই নয়, নতুন চেতনাদীপ্ত আদর্শের ধারকও বটে।

আমরা সাধারণভাবে যদি গতানুগতিক সাহিত্যের দিকে তাকাই, সেখানে দেখি এক সাধারণ দৃষ্টিভঙ্গির প্রক্ষেপণকে। সামন্ততান্ত্রিক এবং পুরুষশাসিত সমাজে নারী পুরুষের সম্পত্তিবিশেষ। আমরা যদি লোকসাহিত্যের দিকে তাকাই, কী দেখি? নারী প্রকৃতির মতো সর্বংসহা এবং অশ্রুবিগলিত মুখমণ্ডল। বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের কাব্যে তো রীতিমত নারীর চুল থেকে নখাগ্র পর্যন্ত নিতান্ত সম্ভোগবাদীর দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে তুলে ধরা হয়েছে। বড়ু চণ্ডীদাসের শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের রাধা বা আলাওলের ‘পদ্মাবতী’ কাব্যের পদ্মাবতী নিতান্তই সম্ভোগবাদীর চোখে দেখা রমণীয় চরিত্র। বৈষ্ণবপদাবলির রাধা বেদনাদগ্ধ তিরবিদ্ধ কপোতীর মতো। অন্যান্য ক্ষেত্রেও একই অবস্থা। বলা যায়, নারী কোথাও স্বতন্ত্র ব্যক্তি (মানুষ) হিসেবে উঠে আসেনি, সুতরাং ব্যক্তিত্বপূর্ণ হয়ে ওঠার তাই কোনো কারণ থাকে না। সংস্কৃত সাহিত্যের নারীর মতন যে থেকে যায় ভোগের সামগ্রী হিসেবে কিংবা দূতী হিসেবে বা মনোরঞ্জনকারী হিসেবে। কিন্তু মধুসূদনের কাব্যেই আমরা সর্বপ্রথম রক্ত-মাংসের নারীকে দেখি ব্যক্তি ও ব্যক্তিত্বরূপে উপস্থাপিত হতে। ‘মেঘনাদ বধ’ কাব্যের প্রমিলা, সীতা, মন্দোদরী, চিত্রাঙ্গদা, ব্রজাঙ্গনা কাব্যের রাধা, বীরাঙ্গনার কাব্যের শকুন্তলা, তারা, কেকয়ী, ব্যক্তিত্বের প্রভায় ও স্বাত্রন্ত্র্যে উজ্জ্বল। ব্রজাঙ্গনা কাব্যের কবিতায় তিনি যেভাবে রাধাকে এঁকেছেন তাঁতে বৈষ্ণব পদাবলির বিরহজর্জরিত রূপের বহিঃপ্রকাশ নয় প্রেম মূল উপকরণ ও প্রকৃতিকে কেন্দ্র করে বৃন্দাবনেশ্বরী রাধা হয়ে উঠেছে স্বতন্ত্র, ব্যক্তিময় ও ব্যক্তিত্বময়। একটু সচেতন হলেই দেখা যায়, আধুনিক কবির ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যের আবেগানুভূতি প্রকাশ সেখানে না থাকলেও আত্মকেন্দ্রিক মানবানুভূতির জায়গাটি দৃঢ়ভাবে উপস্থাপিত হয়েছে। অর্থাৎ, কবি সচেতনভাবে মানুষ হিসেবেই তাদেরকে প্রতিষ্ঠিত করতে চেয়েছেন। তাঁর এক একটি নারী চরিত্র হয়ে উঠেছে মুক্ত চেতনার অধিকারী ব্যক্তিত্বময় মানুষ।

‘মেঘনাদ বধ’ কাব্যে সীতা অসম্ভব রকমের মনোহর লিরিক স্বপ্নের মতো উঠে এসেছে। প্রশান্তির কল্যাণমূর্তিতে সাজিয়েছেন। চিত্রাঙ্গদার ক্ষেত্রেও একই দৃষ্টিভঙ্গি পরিলক্ষিত হয়। বাঙালি নারীর মহত্ব ও মমত্ব ব্যক্তি ও ব্যক্তিত্বের আধারে ধরা দিলো। যদিও সে প্রমিলার ন্যায় দৃঢ় হয়ে জ্বলে ওঠার প্রশ্ন সীতা চরিত্রে নেই কিন্তু একটু গভীরভাবে দেখলে বোঝা যায় এই সীতা রামায়ণের ভাগ্য বিড়ম্বিত চরিত্র নয়। বিদ্রোহ না করেও প্রগতির পথে মৌলিক সত্তা হয়ে ধরা দিয়েছে। মন্দোদরীর ব্যক্তিত্বের বহিঃপ্রকাশ দেখি মাতৃত্বে। প্রমিলা চরিত্রে আমরা দেখি নারীর মুক্ত স্বরূপকে। অনিবার্যভাবেই আমরা উপলব্ধি করি নবযুগের নারীমুক্তির উপলব্ধিই প্রমিলাকে নতুনভাবে উপস্থাপিত করেছেন কবি।

সমগ্র মধ্যযুগে আমাদের সমাজ-জীবনে নারীর যে স্থানটি ছিল তাকে কোনোভাবেই মানবিক বলা চলে না। মানবীকে দেবীর আসনে বসালেই যে নারীমুক্তি ঘটবে মধুসুদন তা বিশ্বাস করেননি। ধর্ম ও নীতির হাজার বন্ধন থেকে মধুসূদন নারীকে মুক্ত করতে চেয়েছেন। নারীমুক্তির বাস্তবতাকে তিনি তাঁর সমগ্র কবিচেতনা দিয়ে গ্রহণ করেছিলেন। তাঁর কবি মানস নারীকে সৃষ্টি করেছেন বাংলার মাটিতে বীরাঙ্গনারূপে। পুরাণ, মহাকাব্যের আশ্রয়ে সমকালীন জীবন-দৃষ্টির আলোকে তিনি চিরকালীন নারীর যে রূপ  চিহ্নিত করে গেছেন তা মানবপ্রাণের স্বতন্ত্র সত্তাকেই উপস্থাপন করে। নারীপ্রগতিভাবনায় কবি শ্রীমধুসূদন এখানেই অনন্য-তাৎপর্যপূর্ণ! সামাজিক সংগঠনের দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তনে বিশেষভাবে নারীকে তার স্বরূপের সাথে পরিচয় করিয়ে দিতে সর্বোপরি রাহুডোর থেকে ছাড়িয়ে প্রকৃতির অনিবার্য সন্তান হিসেবে আত্মমর্যাদাপূর্ণ হিসেবে উপস্থাপন করে বাংলার নারীকে প্রগতির সরণিতে এনে দাঁড় করিয়েছিলেন। মানববাদী কবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের সচেতন দৃষ্টিভঙ্গি বাংলা সাহিত্যের চিরায়ত প্রথাকেই শুধু ভেঙেছেন এমন নয়, সমাজ-সংগঠনে নারীকে মুক্ত করার প্রয়াস চালিয়েছেন, চিহ্নিত করতে চেয়েছেন সতন্ত্র সত্ত্বা হিসেবে। মধুসূদন এক্ষেত্রেও যুগনায়ক এবং চেতনাদীপ্ত মহানায়ক।

/জেডএস/
বাংলা ট্রিবিউনের সর্বশেষ
দুই প্রতিষ্ঠানের টানাহেঁচড়া, পান্থকুঞ্জ এখন অপরাধের স্বর্গরাজ্য
দুই প্রতিষ্ঠানের টানাহেঁচড়া, পান্থকুঞ্জ এখন অপরাধের স্বর্গরাজ্য
দেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় সরকার বদ্ধপরিকর: প্রধানমন্ত্রী
দেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় সরকার বদ্ধপরিকর: প্রধানমন্ত্রী
জন্মাষ্টমী আজ
জন্মাষ্টমী আজ
কাবুলে নামাজের সময় মসজিদে হামলা, ইমামসহ একাধিক নিহত
কাবুলে নামাজের সময় মসজিদে হামলা, ইমামসহ একাধিক নিহত
এ বিভাগের সর্বশেষ
সেলিম আল দীনের নাটক
সেলিম আল দীনের নাটক
প্রান্তরে জীবনের বীজ
শামসুর রাহমানপ্রান্তরে জীবনের বীজ
দুলে ওঠে ঘর না কারবালা
দুলে ওঠে ঘর না কারবালা
কফিনের পোস্টার
কফিনের পোস্টার
লেফট রাইট লেফট
লেফট রাইট লেফট