X
রবিবার, ০৩ মার্চ ২০২৪
১৯ ফাল্গুন ১৪৩০

ব্যক্তিগত আলো-ছায়ায় ইলিয়াস

নাসরুল্লাহ শারাফাত
১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১৩:০৪আপডেট : ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১৩:০৪

জন্মদিনের মাহাত্ম্য—একজন লেখক যখন বেঁচে থাকেন, তখন বোঝা যায় না, বরং মরে যাওয়ার পর যত সময় পার হতে থাকে তত এর প্রভাব ও প্রতাপ দৃঢ়ভাবে উদ্ভাসিত হতে থাকে।

১২ ফেব্রুয়ারি, কথাসাহিত্যিক আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের জন্মদিন। বিংশ শতাব্দীতে জন্ম নিয়ে একই শতাব্দীতে মৃত্যুবরণ করা এই লেখক আমাদের একবিংশ শতাব্দীর তরুণ বেলায় এসে পাঠকের মনোজগতে বিপুলভাবে গেড়ে বসেছেন। আজকাল অনেককেই পড়তে দেখি তাঁর উপন্যাস ‘খোয়াবনামা’, ‘চিলেকোঠার সেপাই’। সেইসঙ্গে ছোটগল্পগুলো পাঠ্যবইয়ে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার সুবাদে কমবেশি সবার পড়া হয়ই।

এবং বাংলা সাহিত্যের অ্যাকাডেমিক পড়াশুনা ও গবেষণায় ইলিয়াসের পাঠকৃতি নিয়ে কাজের হার উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ছে। আর এই প্রেক্ষিতে আমি আজকের আলোচনায় তার লেখা নিয়ে কোনো সিরিয়াস ও গুরুগম্ভীর ধস্তাধস্তি করতে যাবো না। বরং একান্ত ব্যক্তিগত কিছু অভিজ্ঞতা, যা ইলিয়াসের লেখাপত্র যৎসামান্য পড়ে আমার হয়েছে, তা নিয়ে কয়েকটি কথা বলব।

প্রথমত আসি ‘খোয়াবনামা’ নিয়ে। এই উপন্যাসটির নানা ধরনের বিশ্লেষণ পণ্ডিতরা করেছেন। বিংশ শতাব্দীর প্রথম ভাগে বঙ্গদেশের দেশভাগ পূর্ব রাজনীতি, তৎকালীন সময়ের উত্তরবঙ্গের সমাজ ও সংস্কৃতির নানান বৈচিত্র্যপূর্ণ পালাবদল এবং আঞ্চলিক ভাষার শক্তিমত্তা ও সম্ভাবনার আলোকে এই উপন্যাসকে আকছার দেখা হয়েছে, এখনো হচ্ছে। এছাড়াও মার্কেসের ‘নিঃসঙ্গতার শতবর্ষ’র সঙ্গে তুলনার জায়গাও টানছেন কেউ কেউ। বলা হয়ে থাকে ‘খোয়াবনামা’য় ইলিয়াস জাদুবাস্তবতার সফল প্রয়োগ করেছেন। কিন্তু উপন্যাসটি পড়ে আমি যতটুকু বোধ করেছি, তাতে মনে হয়েছে এ এক ভুল আরোপ পাঠকদের। ঠিক কী কারণে মার্কেসিয় জাদুবাস্তবতার নিরিখে এটিকে দেখা হয়?

এ প্রশ্নটি নিয়ে ভাবলে দেখা যায় যে, লেখক উপন্যাসজুড়ে বেশ শক্ত ও স্পষ্টভাবে মিথের ব্যবহার করেছেন। পুরাণ, লোককথা, কিংবদন্তি বা বলা ভালো লোকসংস্কৃতির উপাদানকে নিম্নবর্গের মানুষের নিত্য নৈমিত্তিক ঘটনাপুঞ্জের সঙ্গে লেখক দক্ষভাবে মিশিয়েছেন। মাঝে মাঝে তৈরি করার চেষ্টা করেছেন আপাত বাস্তবতা অতিক্রান্ত বর্ণনা। কিন্তু আমার মনে হয়েছে, এ এক ফাঁদ। অসচেতন পাঠককে খাবি খাওয়ানোর সচেতন প্রয়াস লেখকের।

উপন্যাসটি আমার হাতের কাছেই আছে। টেনে নিয়ে খানিক ঘাটলেই একটি চরিত্রের বয়ানেই পেয়ে যাই।

মুনসি বয়তুল্লাহকে নিয়ে রচিত মিথের ব্যবহার। যেমন, ‘বৈকুণ্ঠ কয়, না, ঐ মুনসি হলো ভবানী সন্ন্যাসীর সেনাপতি। মরার পরে মুনসি ঠাঁই লেয় পাকুড়গাছে। কয় বছর পর পর আষাঢ় মাসের অমাবস্যার রাতে বিলের মধ্যে যে কাৎরা ভ্যার্সা ওঠে সেটাত বলি দেওয়ার পাঁঠাও পাঠায়া দেয় ঐ মুনসি। বিলের গজার মাছ সেদিন পাঁঠার আকার পায়।’

এখানে মৃত মুনসির একরকম ভূত হয়ে পাকুড় গাছে ঠাঁই নেওয়া আমাদের মনে করিয়ে দেয় ছেলে ভোলানো রূপকথার বই ঠাকুমার ঝুলির কথা। সেখানে দেখা যায় ব্রাহ্মণ মরার পর আশশেওড়া গাছে ব্রহ্মদৈত্যরূপে বাসা বাঁধে। কচি ছেলেপেলেদের ভয়ভীতি দেখায়। অর্থাৎ লেখক উপন্যাসটিতে চিরাচরিত বঙ্গদেশীয় মিথিক্যাল উপাদানের সহায়তায় আখ্যানটি এগিয়ে নিয়েছেন। এক্ষেত্রে সম্পূর্ণ নতুন কিছু তৈরি বা গভীরভাবে সৃষ্টিশীল কল্পনার বন্ধনহীন সুযোগ তিনি নেননি। অন্যদিকে মার্কেসের ‘নিঃসঙ্গতার শতবর্ষ’-এ দেখি একটি আনকোরা নতুন জনপদ, মাকন্দো, যার কোনো অস্তিত্ব লেখকের কল্পনার বাইরে নেই। এই মাকন্দো অঞ্চলে একটি পরিবারের ঠাঁই গাড়া থেকে শুরু করে কয়েক প্রজন্মব্যাপী জীবনপ্রবাহের বিস্তার এবং তাদের প্রায় প্রতিটি সদস্যের মৃত্যু পর্যন্ত নানান বাস্তব ও জাদুময় ঘটনাপুঞ্জ উপন্যাসটি জুড়ে অজস্র কেন্দ্র তৈরি করার ঘটনা ঘটতে থাকে। এটির একটি ভারবাহ চরিত্র রেমেদিওস। দেখতে অতিমাত্রায় সুন্দরী। পুরুষরা তার কাছাকাছি এলেই মৃত্যুবরণ করে। আর এই নারী একসময় একটি পাতলা কাপড়ে চড়ে ভাসতে ভাসতে পৃথিবী থেকে স্বর্গের দিকে যাত্রা করে।

আরেকটি নারী চরিত্র রেবেকা। ছোটবেলা থেকে ঘরের দেয়াল চেটে খায়, মাটি খায়।

এছাড়া এ আখ্যানে একজন মানুষকে গুলি করা হলে তার শরীর থেকে বের হওয়া রক্ত জীবন্ত সত্তার মতো ঘরের মেঝে, দেয়াল ও লম্বা রাস্তা পেরিয়ে এক এলাকা থেকে অন্য এলাকায় গমন করে। যেন রক্তের ধারার দুটো পা আছে। নিজস্ব পছন্দ অপছন্দ আছে। আরো দেখি, হোসে আর্কাদিও বুয়েন্দিয়ার মৃত্যুর পর মাকন্দোয় বৃষ্টির মতো ঝরে পড়ে হলুদ ফুল।

শহরের মানুষ একবার আক্রান্ত হয় তীব্র অনিদ্রা রোগে। এর প্রকটতায় মানুষ হারাতে থাকে স্মৃতি।

তো দেখা যাচ্ছে বিস্তারিত বাস্তব নানান অনুষঙ্গের মধ্যে ছোট ছোট অসম্ভব এসব যাদুময় বর্ণনার জন্য পাঠকমনে যে প্রতীতির সৃষ্টি হয় তা জাদুবাস্তবতা বা লাতিন আমেরিকান ম্যাজিক রিয়ালিজম। কিন্তু খোয়াবনামায় আমরা এমন কিছুই পাবো না যা প্রচলিত লোকবিশ্বাসকে দুমড়ে মুচড়ে বর্ণনায় জাদু তৈরি করে। অভিনব ও অবাস্তব যেসব ঘটনা এসেছে সেসব বর্ণিত অঞ্চলের মানুষের আবহমানকাল ধরে প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম ধরে প্রবাহিত বিশ্বাস। ইলিয়াস এক্ষেত্রে বাস্তববাদী সাহিত্য রচনার মেনিফেস্টো থেকে খুব বেশি বের হতে পারেননি। রিয়ালিজমের চাপ বিশ শতক জুড়ে বাংলা সাহিত্যে প্রগাঢ়। এই প্রকট ভাব জন্ম দিয়েছে অজস্র ক্লিশে গল্প উপন্যাসের। কবিতার কথা বলছি না, যেহেতু এই একটি মাধ্যমে অনেকখানি নিরীক্ষা ও বৈচিত্র্যময় রচনাশৈলীর চর্চা কবিরা করেছেন। কিন্তু কথাসাহিত্যের ময়দানে ইলিয়াসের মতো শক্তিশালী খেলোয়াড় নামলেও উপন্যাসের বিস্তৃত পরিসরে তিনি তাঁর সেরাটা খেলতে পারেননি। লেখকের কাজ যদি হয় স্রষ্টার মতো বা কাছাকাছি, তবে বলব সেক্ষেত্রে কিছুটা পিছিয়েই থাকবেন তিনি। কেননা ‘খোয়াবনামা’য় অনেকগুলো চরিত্রের অবয়ব নির্মাণ এবং প্রাণ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা তিনি করলেও তাদের অন্তত একটি চরিত্রেরও সত্তার পূর্ণ বিকাশ ঘটতে দেখি না। তমিজ, তমিজের বাপ, কুলসুম, ফুলমতি, হুরমতুল্লাহ, গ্রামীণ কবি কেরামত আলী, শরাফত মন্ডল এবং আরো অনেক চরিত্রের আনাগোনা ৩০০ পৃষ্ঠার বেশি উপন্যাস জুড়ে ঘটতে থাকলেও তাদের কারোরই জীবনের বৈচিত্র্যময় ও গভীর আততি জেগে ওঠেনি। মনে হয়নি যে, ঘটনাপ্রবাহ ছেঁটে ফেললেও অন্তত চরিত্রের গভীরতা, বহুস্বরিক ক্রিয়াকলাপ, ওঠানামা, মনোজগতের অতল থেকে উঠে আসা নব নব বোধ—যা পাঠককে বহুকাল ধরে আবিষ্ট করে রাখবে এমন কোনো বৈশিষ্ট্য ফুটে উঠেছে। এক্ষেত্রে একটু যদি আমরা দস্তয়ভস্কির ‘অপরাধ ও শাস্তি’ উপন্যাসের রাশকলোনিকোভ বা ‘কারামাজোভ ভাইয়েরা’ উপন্যাসের ফিওদর, দিমিত্রি বা ইভানের দিকে খেয়াল করি তাহলে বুঝবো ঈশ্বরের মতো চরিত্র সৃষ্টি বলতে আদতে কী বোঝায়। উপন্যাস দুটির ঘটনা খুব একটা জাদুকরী নয়, বা পড়তে পড়তে চেয়ার থেকে পড়ে যাওয়ার মতোও নয় (যা কাফকার ‘রূপান্তর’ পড়ে মার্কেসের হয়েছিল), তবু দস্তয়ভস্কির উপন্যাস শত বছর পেরিয়ে অনন্তের দিকে যাত্রা করছে এবং আমরা না পড়ে পারি না, এবং মনে স্থায়ী আসন না দিয়েও পারি না। এখানে প্রশ্ন আসতে পারে যে, ইলিয়াস তো একান্ত ইলিয়াসের মতো, তার সঙ্গে কেন অন্যান্য লেখকের তুলনা করছি? এক্ষেত্রে আমার মনে পড়ে যায় বাখতিনের কথা, যিনি বহুস্বরিক উপন্যাসের ধারণা ব্যাখ্যা করতে গিয়ে দস্তয়ভস্কির সঙ্গে তলস্তয়ের তুলনা টেনেছিলেন এবং আমরা জানি যে, দুজনের লিখনভঙ্গিমা একেবারেই আলাদা।

আলোচনার ঠিক এ পর্যায়ে তুলনার অভিমুখটা একই লেখকের উপন্যাসের সঙ্গে তার ছোটগল্পগুলোর দিকে যাত্রা করতে পারে। আমার মনে হয়, ব্যক্তিসত্তার গভীরতা ও বৈচিত্র্য, তাদের মানবীয় বিকাশ, উপন্যাসের চেয়ে গল্পে আরো সফলভাবে মোকাবেলা করতে পেরেছিলেন ইলিয়াস।

আমার মনে পড়ে যাচ্ছে তার ‘নিরুদ্দেশ যাত্রা’, ‘রেইন কোট’, ‘উৎসব’, ‘খোঁয়ারি’, ‘মিলির হাতে স্টেনগান’, ‘তারা বিবির মরদ পোলা’—এরকম আরো আরো গল্প। এসবে কোনো কোনো চরিত্র স্বল্প পরিসরেও পেয়েছে পূর্ণ ব্যাপ্তি। চরিত্রকে তিনি দেখেছেন এতো জীবন্তভাবে যে, তার রক্ত হাড় মাংস আর ঘামের পাশাপাশি বাদ যায়নি বীর্য কিংবা ঋতুস্রাবও। তিনি অবলীলায় বর্ণনা করতে পারেন একজন মানুষের মাস্টারবেশনের বৃত্তান্ত, যা বাংলা সাহিত্যে বিদ্যমান ছুতমার্গিতার দেয়াল ভাঙার নজির আমাদের সামনে হাজির করে।

গল্পের চরিত্রগুলোকে একটি নির্দিষ্ট প্রকরণে বন্দি না করে যথার্থ বেড়ে ওঠার জন্য তাঁর পর্যাপ্ত সার জল প্রয়োগের সৎসাহস আমাকে মুগ্ধ করেছিল। প্রথমবার পড়ার সময়ই মনে হয়েছিল তার গল্প পাঠকের একাধিক পাঠ দাবি করে। তবে এ প্রসঙ্গেই আরেকটি বিষয় মনে আসছে যে, ন্যারেটিভে অধিকমাত্রায় অনাবশ্যক ইংরেজি শব্দের ব্যবহার কিছুকিছু ক্ষেত্রে দৃষ্টিকটুই লেগেছিল বলতে হবে। এ কথা ঠিক যে নতুন একটি গদ্যভাষা তৈরি করার কঠোর প্রয়াস ইলিয়াসের ছিল বলেই হয়ত বাংলাভাষার সম্ভাবনা ও বিকাশের ক্ষেত্র বৃদ্ধি করতে এ পন্থা তিনি নিয়েছিলেন; যার ফলে কেউ কেউ বলে থাকেন ছোটগল্পে ইলিয়াস লিখেছেন স্মার্ট গদ্য, যেমন ‘নিরুদ্দেশ যাত্রা’র সেই বিখ্যাত প্রথম বাক্যটিই তো এরকম— ‘এই মনোরম মনোটোনাস শহরে অনেকদিন পর আজ সুন্দর বৃষ্টি হলো।’

‘খোয়াবনামা’ উপন্যাসজুড়ে লেখকের মার্কসবাদী সাহিত্যবীক্ষা যেমন হৃদপিণ্ডের শব্দের মতো ধুকপুক ধুকপুক করে যায়, চরিত্র ও ঘটনাপুঞ্জ নিয়ন্ত্রিত হয়—তাঁর ছোটগল্পে এধরনের নিয়ন্ত্রণ ও নজরদারি অনেকটাই কম মাত্রায় ছিল বলে মনে হয়েছে আমার লঘু মননের পাঠক্রিয়াতে।

জন্মদিনের লেখায় ইলিয়াসের রচনা সম্পর্কে নেতিবাচক বয়ান চলে এলো, ঠিক না চাইতেই। তবু বাঁচোয়া যে, এ আমার একেবারেই ব্যক্তিগত মতামত, যা সমষ্টির সমর্থন আদায় করার মতো বিশ্লেষণী ও গবেষণামূলক হয়নি, হওয়া ঠিক সম্ভবও নয় এ স্বল্প পরিসরের আলোচনায়। তবে এ কথাটিতে আমার কোনো মতবিরোধ নেই যে, বাংলা গদ্যের শক্তি ও সীমানা বহুগুণে বাড়িয়েছেন কথাসাহিত্যিক আখতারুজ্জামান ইলিয়াস; এ কথার ঈষৎ প্রমাণ দিতে আজকের লেখাটি শেষ করছি ‘খোয়াবনামা’ থেকে একটি অনুচ্ছেদ পড়তে পড়তে—‘বটতলা থেকে পোড়াদহ মাঠ পেরিয়ে গান এখন উড়াল দিচ্ছে উত্তর পশ্চিমে। বাঙালি নদীর রোগা স্রোতের ওপর দিয়ে গান ওড়ে, বাঙালির স্রোতে তার ছায়া ফেলে, তার বিনিময়ে গান তার ডানায় মেখে নেয় কুলকুল বোল। কাৎলাহার বিলের উত্তর সিথানে পাকুড়তলা থেকে গানের প্রতিধ্বনি ফিরে আসে, ফেরার সময় তার পাখায় লাগে পাকুড় গাছের ঝিরিঝিরি কথা আর বিলের ঢেউ আর বাঙালি নদীর স্রোতের ভিজে হাওয়া:

জাগো কাতারে কাতারে গিরিডাঙা কাৎলাহারে

জোট বান্দো দেখো টেকে কয়টা দুশমন।

জোট বান্দো ভাঙো হাতের শিকল ঝনঝন।

শিকল মিলায় রৌদ্রে শিশির যেমন।।

এই তো মুনসির গান, রোদে পুড়ে, বৃষ্টিতে ভিজে, হাওয়ায় হালকা হয়ে ঝরে পড়ছে চেরাগ আলির ভাঙাচোরা ভারি গলায়।’

 

জেড-এস
সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
গাজায় মৃত্যুর প্রহর গুনছে ক্ষুধার্ত শিশুরা
গাজায় মৃত্যুর প্রহর গুনছে ক্ষুধার্ত শিশুরা
আজকের আবহাওয়া: দুই বিভাগে বৃষ্টির আভাস
আজকের আবহাওয়া: দুই বিভাগে বৃষ্টির আভাস
বেইলি রোডে আগুন: বিচার বিভাগীয় তদন্ত চেয়ে রিট
বেইলি রোডে আগুন: বিচার বিভাগীয় তদন্ত চেয়ে রিট
দেশের মানুষ ভালো আছে: অর্থমন্ত্রী
দেশের মানুষ ভালো আছে: অর্থমন্ত্রী
সর্বাধিক পঠিত
ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের বিএসসি পাস মর্যাদা দেওয়ার উদ্যোগ
ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের বিএসসি পাস মর্যাদা দেওয়ার উদ্যোগ
স্কুলে গণিত ও বিজ্ঞানের শিক্ষক হতে পারেন ডিপ্লোমা প্রকৌশলীরা: শিক্ষামন্ত্রী
স্কুলে গণিত ও বিজ্ঞানের শিক্ষক হতে পারেন ডিপ্লোমা প্রকৌশলীরা: শিক্ষামন্ত্রী
ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে ছিল ‘এএমপিএম’, পলাতক কর্মকর্তারা
বেইলি রোড ট্র্যাজেডিব্যবস্থাপনার দায়িত্বে ছিল ‘এএমপিএম’, পলাতক কর্মকর্তারা
বিদেশের সম্পদ দেশের টাকায় করিনি: সাবেক ভূমিমন্ত্রী
বিদেশের সম্পদ দেশের টাকায় করিনি: সাবেক ভূমিমন্ত্রী
বেইলি রোডের ট্র্যাজেডি নিয়ে আমিন মোহাম্মদ গ্রুপের বিবৃতি
বেইলি রোডের ট্র্যাজেডি নিয়ে আমিন মোহাম্মদ গ্রুপের বিবৃতি