নানা আয়োজনে জামালপুরে কিংবদন্তি নাট্যকার আবদুল্লাহ আল-মামুনের ৮৩ তম জন্মদিন উদযাপিত হয়েছে। রবিবার সন্ধ্যায় জেলা পরিষদ মিলনায়তনে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ভাষা ও স্বাধীনতাসংগ্রামী মতি মিয়া ফাউন্ডেশন।
ভাষা ও স্বাধীনতাসংগ্রামী মতি মিয়া ফাউন্ডেশনের সভাপতি কবি আলী জহির খালেকুজ্জামানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সরকার আব্দুল্লাহ আল মামুন। এছাড়াও অধ্যাপক মাসুম আলম খান, উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী জামালপুর জেলা সংসদের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আলী ইমাম দুলাল, মুক্তি সংগ্রাম জাদুঘরের ট্রাস্টি উৎপল কান্তি ধর, চলচ্চিত্র নির্মাতা দিলদার হোসেন, কথাসাহিত্যিক ও নাট্য-নির্মাতা মুহাম্মদ মহিউদ্দিন, নাট্যজন আলী আকবর ফকির, ভাষা ও স্বাধীনতাসংগ্রামী মতি মিয়া ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক একেএম আশরাফুজ্জামান স্বাধীনসহ অন্যান্যরা বক্তব্য রাখেন। এ সময় বক্তারা বলেন, শৈশব থেকেই শিল্প সাহিত্যের প্রতি ভীষণ ঝোঁক ছিল নাট্যকার আবদুল্লাহ আল-মামুনের। তিনি একাধারে অভিনেতা, নির্মাতা ও লেখক ছিলেন। 'সারেং বউ', 'সখী তুমি কার', 'এখনই সময়', 'দুই জীবন' এবং 'বিহঙ্গ' তার উল্লখযোগ্য চলচ্চিত্র। বাংলাদেশ টেলিভিশনে তিনিই প্রথম ধারাবাহিক নাটক পরিচালনা করেন। 'সংশপ্তক', 'আমি তুমি সে', 'পাথর সময়', 'জোয়ার-ভাটা' এবং 'উত্তরাধিকার' নাটক অন্যতম।
গুণী এই ব্যক্তি জীবদ্দশায় বাংলা একাডেমী পুরস্কার, একুশে পদক, জাতীয় টেলিভিশন পুরস্কার, জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারসহ নানা পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন। বক্তারা ভবিষ্যতে বইমেলা, নাটক ও চলচ্চিত্র প্রদর্শনীসহ আবদুল্লাহ আল-মামুনকে নিয়ে আরও বড় পরিসরে অনুষ্ঠান আয়োজনের আহ্বান জানান। আলোচনা সভা শেষে আবদুল্লাহ আল-মামুনের জীবন ও কর্মের উপর রচনা ও বইপাঠ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীদের মাঝে পুরস্কার প্রদান করা হয়। এরপর ধ্রুবতারা সাংস্কৃতিক চর্চা কেন্দ্রের শিল্পীদের অংশগ্রহণে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়াও নাট্যকার আবদুল্লাহ আল-মামুনের জীবন ও কর্ম নিয়ে প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শিত হয়।








