X
রবিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২২
১২ অগ্রহায়ণ ১৪২৯

প্রাথমিক স্কুল থেকে জনস্বাস্থ্য-শিক্ষা অন্তর্ভুক্ত করা উচিত :  ড. মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন হাওলাদার

সাক্ষাৎকার গ্রহণ : জাহিদ সোহাগ
২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ১৪:৫০আপডেট : ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ১৬:২৩

[ড. মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন হাওলাদার নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির পাবলিক হেলথ ডিপার্টমেন্টের সহযোগী অধ্যাপক ও চেয়ারম্যান। তিনি জাপানের হিরোশিমা বিশ্ববিদ্যালয় এবং থাইল্যান্ডের খোন কেইন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিজিটিং অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর হিসেবেও কাজ করছেন। বাংলাদেশের সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস করে সুইডেনের ক্যারোলিনস্কা ইন্সটিটিউট থেকে এমপিএইচ এবং জাপানের The University of Tsukuba থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। আন্তর্জাতিক জার্নালে তাঁর ৬৫টিরও বেশি গবেষণা নিবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। এছাড়াও আন্তর্জাতিক প্রকাশনা সংস্থা থেকে প্রকাশিত বেশ কয়েকটি বইয়ের বুক চ্যাপ্টারও তিনি লিখেছেন।]


জাহিদ সোহাগ : আপনাকে স্বাগত জানাই বাংলা ট্রিবিউনে সাক্ষাৎকার দিতে সম্মত হওয়ার জন্য। আপনি জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ, তাই প্রথমেই জানতে চাইব, অমর একুশে গ্রন্থমেলাকে কিভাবে স্বাস্থ্যসম্মত করা যায়?
ড. মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন হাওলাদার : আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। মেলায় আমি বহু বছর পর আসলাম। আগে যখন ছাত্রজীবনে আসতাম, তখন তো বাংলা একাডেমির ভেতর ছিল ছোট্ট পরিসরে, এখন পরিধি অনেক বেড়েছে। স্বাস্থ্যসম্মত বলতে—এখন তো প্যানডেমিক চলছে সেক্ষেত্রে সরকার থেকে এবং জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের যে পরমর্শ তা যথাযথ মেনে চলা। মাস্ক এবং হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করা। মেলায় শারীরিক দূরত্ব যদিও মেনে চলা সম্ভব হচ্ছে না। এজন্য আমরা যেটা বলছি মাস্কটা বেশ জরুরি। আমরা দেখছি যে অনেকে মাস্ক ব্যবহার করছেন না, এটা পরা উচিত। এটা হল একটা হেলদি প্রাক্টিস। এটা একটা দিক।

জাহিদ : প্যানডেমিকে শারীরিক স্বাস্থসুরক্ষার পরও মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ কেমন?
ড. মোহাম্মদ দেলোয়ার : প্যানডেমিকে আপনারা দেখেছেন, অনেকেরই মানসিক স্বাস্থ্যের বড় একটা সমস্যা দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে লম্বা সময় লকডাউনে বাসায় বসে থেকে, তারপরে অনেকে নিজেও অসুস্থ, অথবা তার আত্মীয়-স্বজন অনেকেই অসুস্থ। এই কারণে ডিপ্রেশন। বিভিন্ন গবেষণায় আমরা দেখেছি, ডিপ্রেশন অনেক বেড়েছে এবং সুইসাইড, এমনকি শিক্ষার্থীদের মধ্যে সুইসাইডের প্রবণতা অনেক বেশি। তো মেলায় আসলে যেটা হয়, অনেক নতুন বই হাতে নিয়ে দেখা, পড়া—এসব মানসিক স্বাস্থ্য ভালো থাকে, যন্ত্রণার উপশম হয়।

জাহিদ : মানুষের বৈশিষ্ট্যই তো সমাগম করা বা মেলামেশা করা। এখন এই মহামারির কালে শুধু মাস্ক আর স্যানিটাইজার দিয়েই কি নিজেদের নিরাপদ রাখা সম্ভব? নাকি আরো কোনোভাবে মানুষকে মানুষের সাথে মেলামেশার সুযোগ করে দেয়া উচিত?
ড. মোহাম্মদ দেলোয়ার : এটা তো শুধু শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখার ব্যাপার, এর বাইরেও স্বাস্থ্যসম্মত জীবনধারা গড়ে তোলা উচিত।

জাহিদ : আপনারা বলেন মাস্কও পুরোপুরি করোনাকে প্রতিরোধ করতে পারে না…
ড. মোহাম্মদ দেলোয়ার : হ্যাঁ… Mask not enough even vaccine not enough, ভ্যাকসিন দেওয়ার পরেও অনেকে দু-তিনবার ইফেক্টেড হয়েছে। তারপরও ভ্যাকসিন এবং মাস্ক করোনা সংক্রমণের ঝুকি কিছুটা রিডিউস করে। ট্রান্সমিশন হান্ডেট পার্সেন্ট প্রিভেন্ট করতে পারে না, মাস্কও পারে না। এরকমও হয়েছে প্রথম প্রথম, আমি দেখেছি, আমার পরিচিত অনেকে ডাবল মাস্ক পরে ঘুমিয়েছে। প্রথমদিকে অনেক প্যানিক ছিল রাতেও মাস্ক পরে ঘুমিয়েছে। আলটিমেটলি তাদেরও কিন্তু করোনা হয়েছে। যেহেতু এই জীবাণু বাতাসের মাধ্যমে ছড়ায় এবং ড্রপলেট। তো সামহাউ কোনো না কোনো সময় এটা আক্রমণ করবেই। আমি একটা কথা প্যানডেমিকের শুরুতেই বলেছিলাম যে everybody will be infected today or tomorrow. তো কেউই আসলে পার পাবে না, রক্ষা পাবে না। এটা হবেই, কারণ এটা এত বেশি ছড়িয়েছে, এটা হতে বাধ্য। এটার জন্য হার্ড ইমিউনিটি হচ্ছে, লোকজন ইনফেক্টেড হচ্ছে তারপর একসময় ইম্যুনিটি তৈরি হয়ে যাবে এবং সিমটম কমে যাবে, ইনফেক্টেড রেটও কমে যাবে। যেটা একসময় নরমাল ফ্লু হিসেবে থেকে যাবে। কিন্তু তারপরেও আমাদের প্রিভেনশন নিতেই হবে। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ মানতে হবে।

জাহিদ : আপনার কাছে আমার আরেকটি প্রশ্ন, আমাদের একাডেমিক শিক্ষার যে কারিকুলাম তারমধ্যে পাবলিক হেলথ সবার জন্য বাধ্যতামূলক করা যেতে পারে কি না?
ড. মোহাম্মদ দেলোয়ার : একদম, এটা সবার জন্যই প্রয়োজন। এখন ইউনিভার্সিটি লেভেলে দেখবেন, 'Introduction to public health’ বলে বেসিক যে কোর্স, সেটা আমাদের প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিগুলোতে অফার করি, সব শিক্ষার্থী এই কোর্সটা নেয়। এমনকি CSE, Science, Business, Architect সবাই এটা নেয়। কারণ এটা ইন্টারেস্টিং, এটা একটা লাইফ সেভিং স্কিল, তাদেরকে নলেজ দেয়। তো এটা আরো নিচে নিয়ে আসতে হবে কারিকুলাম আপডেট করে। এটা কিন্তু বাইরের দেশগুলোতে আছে। সেখানে বেসিক হেল্থ নলেজ একেবারে ছোটবেলা থেকে তাদের দেওয়া হয়। হেল্থ এন্ড হাইজিন, প্রিভেন্টিভ মেজারগুলো যেন নিতে পারে। সো ডেফিনেটলি এটা আমাদের ন্যাশনাল কারিকুলাম বোর্ডে যারা আছেন তারা চেষ্টা করছেন ইউজিসিও এখন রিকমেন্ড করেন। ইভেন আমাদের গভর্মেন্টের আরো হায়ার লেভেলে যারা পলিসি মেকার তারাও ব্যাপারটা নিয়ে ভাবছেন।

এমনকি আমরা এটাও বলি যে, পাবলিক হেলথের প্রত্যেকটা সেটআপে পাবলিক হেলথ স্পেশালিস্ট নিয়োগ দিতে হবে এবং সেটা নিয়েও কাজ করছে সরকার। ভবিষ্যতে বিসিএস ক্যাডার, বিসিএস স্বাস্থ্য ক্যাডার যেমন আছে, তেমনি বিসিএস জনস্বাস্থ্য ক্যাডার যোগ হবে। তারমানে জনস্বাস্থ্য সব জায়গাতেই দরকার। এটা ছাড়া আমাদের উপায় নেই।

জাহিদ : আমরা দেখলাম এত খারাপ পরিস্থিতি সত্ত্বেও রাস্তায় লোকজন থুতু ফেলছে, মাস্ক পরছে না। রাস্তাঘাটে থুথু ফেলার ক্ষেত্রেও আমাদের সিভিক সেন্স গড়ে ওঠেনি। সবাইকে কিভাবে শিক্ষা দেওয়া সম্ভব?
ড. মোহাম্মদ দেলোয়ার : শুধু শিক্ষা দিয়ে সম্ভব না, এটা অভ্যাসের ব্যাপার। প্যানডেমিকের মধ্যে আমরা অনেকগুলো গবেষণা করেছি। সেখানে দেখেছি অনেকের নলেজ খুব ভালো, বাট প্র্যাকটিস করে না। ইভেন এডুকেটেড, ইভেন ডক্টররা মাস্ক, স্যানিটাইজার এবং পি পি ই ব্যবহারের ক্ষেত্রে তারা বেশ নলেজএবল, কিন্তু তারা এসব ব্যবহার করেন না। প্র্যাকটিসটাই কম। আসলে একটা বৃহত্তর জনগোষ্ঠীকে আপনি যতই শেখান সে শিখবে না। সে ছোটবেলা থেকে যেটা প্র্যাকটিস করে এসেছে সে সেটাই করবে। তাই আমাদের পাঠ্যপুস্তকে, একেবারেই প্রাথমিক স্কুল থেকে, জনস্বাস্থ্য শিক্ষা অন্তভুক্ত করা এবং চর্চায় উৎসাহি করা উচিত।

জাহিদ : আপনি বলতে চান যে, আমাদের প্রাথমিক শিক্ষা থেকে শুরু করতে হবে?
ড. মোহাম্মদ দেলোয়ার : আমাদের সেখান থেকেই শুরু করতে হবে। আমাদের ব্রেইনের ডেভলপমেন্ট কিন্তু পাঁচ বছরের মধ্যে ৯০% হয়ে থাকে। সুতরাং আপনি যদি পাঁচ বছরের মধ্যেই শেখাতে পারেন সেটা সে লাইফ লং ক্যারি করবে। আমাদের ওইখানে একটা সীমাবদ্ধতা রয়েছে যে, আমরা ছোটবেলা থেকেই এসব শেখাচ্ছি না। একটা কথা বলা হয় যে, ফ্যামিলি ইজ দা বেস্ট এডুকেটর। মা-বাবা সবচেয়ে ভালো শিক্ষক। ফ্যামিলি ইনভারমেন্ট, পারিবারিক শিক্ষা এবং যারা প্রি-স্কুলে যায়, তখনই এই প্র্যাকটিসগুলো করতে হয়। উন্নত দেশগুলোতে কিন্তু তাই করছে। তাদের প্রি-স্কুলে, প্রাইমারি স্কুলের আগেই এই প্র্যাকটিসগুলো হয়ে যায়। কুকিং, সার্ভিং, সে কিভাবে রাস্তা পার হবে, কিভাবে সে কথা বলবে, কিভাবে হাঁটবে, কিভাবে গাড়িতে উঠবে, সব ডিসিপ্লিন কিন্তু তাকে প্রথমেই শেখানো হয়। আমাদের এটা হওয়া উচিত।

জাহিদ : আমি জাপানের কিছু বই দেখলাম, শিশুদের জন্য ইংরেজিতে লেখা, সেখানে ছোট বয়সে তার শরীরবিষয়ক বা শরীরবৃত্তীয় বিষয়-আশয় সম্পর্কে সুন্দর করে লেখা। কিন্তু আমাদের যখনই পাবলিক হেলথ বা যৌনস্বাস্থ্যবিষয়ক শিক্ষার প্রসঙ্গে ওঠে তখনই একটা বড় অংশও বাধা হয়ে দাঁড়ায়। সেগুলো আপনারা কিভাবে মোকাবিলা করবেন?
ড. মোহাম্মদ দেলোয়ার : আমি জাপানে ছয় বছর ছিলাম, আমিও দেখেছি, জাপানের ছেলেমেয়েগুলো লাইন ধরে স্কুলে যাচ্ছে এবং একজন টিচার তাকে তদারকি করছে। তারমানে ঐখান থেকিই তাদের ট্রেনিং শুরু হয়ে গেছে। এবং তারা যৌনশিক্ষা বলেন বা যেটা জেনারেল এডুকেশন, নিজের শরীরকে জানা, সে জিনিসটা কিন্তু ওই বয়স থেকে তারা শেখায়। একটা পর্যায়ে তাদের সেই Stigma থাকে না। আমাদের দেশে এখনো সেই কালচার গড়ে ওঠেনি। এছাড়াও আমাদের একটা রিলিজিয়াস ইস্যু আছে, যেটাতে অনেকে আবার এই জিনিসগুলো নিয়ে কথা বললে shy feel করে। কিন্তু এটা আসলে উচিত না। শরীর যে একটা ফিজিক্যাল বা বায়োলজিক্যাল ব্যাপার এটা সবার জানতে হবে।

জাহিদ : আরেকটা বিষয় আছে, আপনারা যারা পাবলিক হেলথ নিয়ে লেখালেখি করেন, লেখালেখি ক্ষেত্রে আপনারা ইংরেজি ভাষা ব্যবহার করে থাকেন। এখন যদি আমরা সেই প্রাইমারি শিক্ষার সাথে জনস্বাস্থ্য যোগ করতে চাই, সেই বইগুলো প্রণয়নের ক্ষেত্রে আমাদের কি কোনো ঝুঁকি মোকাবিলা করতে হবে? বা কোনো বাধা আছে কি না?
ড. মোহাম্মদ দেলোয়ার : বাধা নেই, এগুলোকে যত সহজে তাদের দেওয়া যায় ততোই তারা শিখবে। আসলে অত কঠিন ভাষায় তো শিক্ষা দেওয়া যাবে না। আমি একটা কথা সবসময় বলি যে, dissemination of information. Dissemination of information এর কিছু way আছে। এখন আমার অডিয়েন্সকে সেই অনুযায়ী টার্গেট করে লিখতে হবে। এখন আমি প্রাইমারি লেভেলের শিক্ষার্থীদের জন্য সাইন্টিস্ট লেভেলের লেখা যদি লিখি তারা তো সেটা বুঝবে না। তো প্রত্যেকটা ইনফর্মেশনকে আপনি অনেকভাবে ডেলিভারি করতে পারেন। তো আমার অডিয়েন্সটা কে? কে এটা পড়বে এবং শুনবেন সে অনুযায়ী আমরা ডেলিভারি দিতে পারি। আমাদের যে সাইন্টিফিক লেখালেখি জার্নালে প্রকাশ করি; সেটা তো অনেক সময় আমরা বাংলা পত্রিকাতেও ছাপি। কিন্তু আমরা তো সেই হুবহু লেখাটা সেখানে প্রকাশ করি না। পত্রিকায় যখন লিখি তখন অনেক ইজি করে সাধারণ মানুষ বা আমজনতা যেভাবে বোঝে আমরা কিন্তু সেভাবে লিখি। সুতরাং কমিউনিকেশনের ধরনটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

জাহিদ : আমাদের আলাপ শেষ করতে চাই। শেষ প্রশ্নটা এরকম, আমাদের এখানে জনসমাগম হবেই, কারণ আমরা জাতি হিসেবে উৎসবপ্রবণ। আমরা সবকিছুই করব কিন্তু আমাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা ঠিক রেখে করব। এই বিষয়ে আপনার কোনো পরামর্শ আছে কি না?
ড. মোহাম্মদ দেলোয়ার : জনগণের প্রতি পরামর্শ হচ্ছে সবাই সচেতন থাকবেন। সচেতনতা নিয়ে আমরা যথেষ্ট কাজ করেছি দেড়-দুই বছর ধরে। সরকারও করেছে। এতে সবার পার্টিসিপেশন দরকার। আসলে আইন করে সবকিছু হয় না, চাপিয়ে দিলেই তো হয় না। সবার ইনভলভমেন্ট দরকার। আমরা যদি একে অপরকে সহযোগিতা না করি তাহলে কিছুই সম্ভব না।

জাহিদ : একটা ব্যাপার লক্ষ্যণীয়, যেকোনো ব্যাপারেই আমরা সরকারের সমালোচনা করি। কিন্তু আমাদের প্রত্যেকের নিজেদের জায়গা থেকেও কাজ করার সুযোগ আছে। তো আমরা সেটা না করে শুধুই বলি যে, সরকার কেন বস্তিতে হাত ধোয়ার পানি দিলো না, বা সাবান দিলো না। আমাদের সামাজিক জীবন আমরা কেন নিজেরা সচল রাখলাম না, রাখছি না?
ড. মোহাম্মদ দেলোয়ার : এগজ্যাক্টলি, এই মেন্টালিটি আসলে অনেকদিন যাবত চলে আসছে। আমরা তো আসলে শোষিত-শাসিত যেটাই বলেন, সেই নেগেটিভ মেন্টালিটি থেকে আমাদের উপরে সবসময় যারা থাকে তাদেরকে সব সময় আসলে ব্লেইম করার চেষ্টা করি। এই মেন্টালিটি থেকে আসলে বের হয়ে আসতে হবে। প্রথমে নিজেকে বলতে হবে আমি রাইট কি না। প্রত্যেকটা মানুষ যদি সচেতন থাকে তাহলে তো সরকারের এত ঝামেলা পোহানোর দরকার হয় না, এত ঝক্কি নেবার প্রয়োজন হয়। তো প্রত্যেকটা নাগরিক আসলে নিজে থেকে মোটিভেটেড হয়ে ইনভলভ হতে হবে প্রত্যেকটা অ্যাক্টিভিটিতে। তাহলে সরকারের জন্য কাজগুলো অনেক সহজ হবে।

জাহিদ : ধন্যবাদ আপনার সময় দেবার জন্য।
ড. মোহাম্মদ দেলোয়ার : আপনাকেও ধন্যবাদ।

শ্রুতিলিখন : প্রান্ত রহমান

 

/জেডএস/
হত্যা মামলার ১৭ বছর পর তিন আসামির যাবজ্জীবন
হত্যা মামলার ১৭ বছর পর তিন আসামির যাবজ্জীবন
সরকারের কাছে ১১০টি শিশুবান্ধব শ্রেণিকক্ষ হস্তান্তর করলো ইউনিসেফ
সরকারের কাছে ১১০টি শিশুবান্ধব শ্রেণিকক্ষ হস্তান্তর করলো ইউনিসেফ
পুরস্কার হিসেবে আর মন্ত্রী নয়: আনোয়ার ইব্রাহিম
পুরস্কার হিসেবে আর মন্ত্রী নয়: আনোয়ার ইব্রাহিম
খেলনা ভেবে খেলতে গিয়ে বোমা বিস্ফোরণে শিশু নিহত
খেলনা ভেবে খেলতে গিয়ে বোমা বিস্ফোরণে শিশু নিহত
সর্বাধিক পঠিত
পোল্যান্ডের জয়ে আরও চাপে মেসিরা
পোল্যান্ডের জয়ে আরও চাপে মেসিরা
ইউক্রেন ইস্যুতে অবস্থান স্পষ্ট করলো ন্যাটো
ইউক্রেন ইস্যুতে অবস্থান স্পষ্ট করলো ন্যাটো
আবারও নাসিমের অনুসারীদের পেটালো বিএনপির সমর্থকরা
আবারও নাসিমের অনুসারীদের পেটালো বিএনপির সমর্থকরা
মেসি-ফের্নান্দেজের গোলে আর্জেন্টিনার জয়
মেসি-ফের্নান্দেজের গোলে আর্জেন্টিনার জয়
ম্যাজিস্ট্রেটের মামলায় কারাগারে স্বামী
ম্যাজিস্ট্রেটের মামলায় কারাগারে স্বামী