বিরতিহীন গল্প
আমাকে ক্ষুদ্র ভেবে
তুমি কাকে উপহার দিতে চেয়েছিলে?
এই যে মানুষ, বোকা-বোকা মানুষ আয়না ভেবে
আমাকে দিয়ে মাপিয়ে নিচ্ছে শরীরের উচ্চতা
সমস্ত অভিমান জলভর্তি গ্লাসে জমা রেখে
একদিন সত্যি সত্যি পালাতে ইচ্ছে করে।
স্লোগানবিহীন মিছিল সমান বয়স
আমরা ফেলে এসেছি
খুলে এসেছি লাল টিশার্ট, ধূসর জিন্স।
আঙুল খুলে আঙুলে পরিয়েছি
ব্যর্থ প্রেমিকার শেষ দীর্ঘশ্বাস।
দুঃখ এখন গোল কাচের মার্বেল
মুহূর্ত পেলেই চোখ দিয়ে গড়িয়ে পড়ে;
বরফমাখা শরীরে
মৃত্যু-মৃত্যু খেলা—
রোজ দুপুরে একলা ছাদে
ভিটামিন ডি ভেবে সমস্ত কষ্ট
গিলে ফেলা।
ঘুড়ি-বালকের অভিশাপে
এবার সুতোয় টান পড়েছে
ফিরতে হবে
তাই মানুষ খুঁজছি, দিন-দুপুরে।
ঠিকানার গন্তব্য
আমাদের শৈশবের রাস্তা একই ছিল
হাঁটতে হাঁটতে ভেবেছিলাম গন্তব্যে পৌঁছে যাব;
মাঠের ফসল থেকে তুলে নেব শরীরের সব পুষ্টি
রাতের পর রাত না ঘুমিয়ে
আকাশের নক্ষত্র গুনেছি
কিন্তু বয়স এখন বেড়ে গেছে
পুকুরের জল ঘোলা করে
আমরা এখন মা মাছ ধরতে যাই
ভাবতে থাকি—
আকাশ এত বড় হলো কবে থেকে!
আমাদের বন্ধুত্ব
আমাদের স্বপ্ন
আমাদের নক্ষত্র
সব চুরি হয়ে গেছে।
হয়তো এখন ঠিকানা খুঁজে পাওয়া সম্ভব নয়,
তাই দূরত্বের কাছে গোল হয়ে বসে আছি
সস্তা দামে গন্তব্য কিনব বলে।









