অনার্স শেষ বর্ষ এবং মাস্টার্স ফাইনাল পরীক্ষায় সকল শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি নিশ্চিতের লক্ষ্যে ছাত্রীদের আবাসন সমস্যার নিরসনসহ সাধারণ শিক্ষার্থীদের পক্ষে পাঁচ দফা দাবি জানিয়েছেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ।
বুধবার (২৩ ডিসেম্বর) বিকেলে শাবি ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোহাম্মদ রুহুল আমিন সাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সাধারণ শিক্ষার্থীদের পক্ষে এই দাবি জানানো হয়।
দাবিগুলো হলো- শিক্ষার্থীদের ক্রেডিট ফি ও সেমিস্টার ফি মওকুফ করা, অন্যথায় ফি ব্যতীত পরীক্ষা গ্রহণ করে পরবর্তীতে উক্ত ফি সমূহ প্রদানের সুযোগ দেওয়া, মেয়েদের আবাসন ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করে পরীক্ষা নেওয়া, অসচ্ছল পরীক্ষার্থীদের আর্থিক সহায়তা প্রদান করা ও সকল পরীক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করা।
এছাড়া বাংলাদেশ সরকার ও প্রধানমন্ত্রীর দিক নির্দেশনা মোতাবেক যত দ্রুত সম্ভব পরীক্ষার্থীদের জন্য আবাসিক হলগুলো খুলে দেওয়ার দাবিও জানানো হয় বিজ্ঞপ্তিতে।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন করোনাকালীন সময়ে টিউশন ফি এবং পরিবহন ফি মওকুফের নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে বুধবার সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য, গত ১৭ ডিসেম্বর একাডেমিক কাউন্সিল ১৬৩ তম সভায় আগামী ১৭ জানুয়ারির মধ্যে অনার্স শেষ বর্ষ ও মাস্টার্সের পরীক্ষার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কিন্তু আবাসিক হল খোলা রাখা কিংবা একসাথে ৭ জানুয়ারির দুই সেমিস্টারের রেজিস্ট্রেশন ফি ও ক্রেডিট ফি পরিশোধের জন্য বলা হলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দেয়।
এর প্রেক্ষিতে শিক্ষার্থীরা ৫ দফা দাবিসহ উপাচার্য বরাবর স্মারকলিপি দিয়ে ৪৮ ঘন্টার আল্টিমেটাম দেয়। যা শেষ হলে দাবি পূরণ না হওয়ায় মঙ্গলবার রাত ৮টায় মশাল মিছিল ও বুধবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটকে অবস্থান করে শিক্ষার্থীরা। এছাড়া সোমবার বিকালে হল খোলার দাবিতে উপাচার্য বরাবর স্মারকলিপি দেয় ছাত্রী হলের আবাসিক শিক্ষার্থীরা। তাদের পক্ষে এসে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বরাবর এ দাবি জানিয়েছে শাবি ছাত্রলীগ।







