ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা মৌলবাদী গোষ্ঠীকে কখনই মেনে নেবে না-বলে ঘোষণা দিয়েছেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়। বৃহস্পতিবার (৭এপ্রিল) বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে বিশ্ববিদ্যালয় ‘ক্যাম্পাসে ধর্মান্ধ, সাম্প্রদায়িক ও প্রতিক্রিয়াশীল গোষ্ঠীর অপতৎপরতার প্রতিবাদে’ ও এর বিরুদ্ধে যথাযথ প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশে উপস্থিত থেকে তিনি এ ঘোষণা দেন।
এসময় ঢাবি ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেনের সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ছাত্রলীগের সভাপতি আন নাহিয়ান খান জয়, সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য, ঢাবি ছাত্রলীগের সভাপতি সনজিত চন্দ্র দাস।
সমাবেশে আল নাহিয়ান খান জয় বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে কোনও চুনোপুঁটি যদি মনে করে তারা অনেক কিছু করে ফেলেছে, তাদের ধারণা ভুল। ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা মৌলবাদী গোষ্ঠীকে কখনই মেনে নেবে না। মুহাম্মদ(সা) বলেছিলেন ইসলাম শান্তির ধর্ম। যদি আপনারা মনে করেন ধর্মকে পুঁজি করে এগিয়ে যাবেন সে সুযোগ আমরা দেবো না।
লেখক ভট্টাচার্য বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাটিতে কোনও ধর্মীয় রাজনীতি, মৌলবাদী গোষ্ঠী বিগত দিনেও হয়নি, ভবিষ্যতেও হবে না। ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা কোনদিনই পবিত্র ধর্মকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে দেবে না। এই সাম্প্রদায়িক মৌলবাদী গোষ্ঠীকে প্রতিহত করতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনসহ শিক্ষক-শিক্ষার্থী সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।
সনজিত চন্দ্র দাস বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিবেশ পরিষদ স্বীকৃত সংগঠনের বাইরেও ব্যাঙের ছাতার মতো বিভিন্ন ধরনের সংগঠন গড়ে উঠছে। এদের ছত্রছায়া দিচ্ছে ঢাবি প্রশাসন। বারবার বলার পরেও এই মৌলবাদীদের প্রশাসন আস্কারা দিচ্ছে। প্রশাসনের এই ধরনের কর্মকাণ্ড আমাদের হতাশ করেছে।
সাদ্দাম হোসেন বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে যারা শিক্ষার্থী অধিকারের নামে সংবাদ সম্মেলন করছে, রাজুতে সমাবেশ করছে, প্রেজেন্টেশন কীভাবে হবে সেরকম ফতোয়া দেখানোর হিম্মত দেখাচ্ছে। এটি আমাদের হতবাক করেছে। বর্তমানে ধর্মান্ধ মৌলবাদী রাজনীতি এই বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করা হচ্ছে। আমরা কাবুলে ক্লাস করছি নাকি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস করছি এই প্রশ্নের সম্মুখীন হয়েছি। এসব মৌলবাদী গোষ্ঠীদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়া বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নৈতিক দায়িত্ব।
সমাবেশে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সংসদের সাবেক বর্তমান নেতাকর্মী, বিভিন্ন হল ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।









