চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) শাটল ট্রেনের একটি বগি একপাশে হেলে পড়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় এই বগিতে কাউকে উঠতে দেওয়া হচ্ছে না। খালি বগি নিয়েই চলছে ট্রেনটি।
মঙ্গলবার (২১ জুন) সকাল থেকে এভাবে ট্রেনটি চলছে। এতে যেকোনও সময় দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন শিক্ষার্থীরা। তবে বিষয়টি সম্পর্কে কিছুই জানেন না চবি রেলওয়ে সমন্বয়ক ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, দুটি শাটল ট্রেন ৯ দফায় চট্টগ্রামের বটতলী স্টেশন থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে যাতায়াত করে। আগে দুই বেলা একটি করে ডেমু ট্রেন থাকলেও দীর্ঘদিন একটি বন্ধ রয়েছে। প্রতিটি শাটলের ৯ বগির মধ্যে একটি মালবাহী।
দুপুর আড়াইটার দিকে চবি স্টেশনে দেখা যায়, ৯টি বগির মাঝের একটিতে কোনও যাত্রী নেই। বগির সামনে দুই পাশের দরজার সামনে দুই জন পুলিশ সদস্য দাঁড়িয়ে আচেন। বগিতে কাউকে ঢুকতে দিচ্ছেন না তারা।
কারণ জানতে চাইলে এক পুলিশ সদস্য জানান, ‘এ বগিতে ওঠা যাবে না। এটি এক পাশে হেলে পড়েছে, খুবই ঝুঁকিপূর্ণ।’
যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র সুজন আলী বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমরা তো বাদুড়ের মতো ঝুলে ঝুলে যাই। তাছাড়া এমনিতেই পুরাতন ও ব্যবহার অযোগ্য বগিগুলোই চবিতে দেওয়া হয়। অন্তত এই বগিটা সরিয়ে তো ভালো বগি দিতে পারে।’
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. রবিউল হাসান ভূঁইয়া বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘বিষয়টা আমার জানা নাই। কেবলই শুনলাম। আমি খবর নিচ্ছি।’
ষোলশহর স্টেশন মাস্টার এস এম ফখরুল আলম বলেন, ‘সকালে ট্রেনটা ক্যাম্পাস থেকে ফেরার সময় লক্ষ্য করি, একটি বগি একপাশে হেলে পড়েছে। বেশি না, অল্প একটু। আমরা কন্ট্রোলার অফিসে বিষয়টি জানিয়েছি।’
তবে এ বিষয়ে কিছু বলতে পারেননি চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশন ম্যানেজার রতন কুমার চৌধুরী। তিনি বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের শাটল ট্রেনের প্রতি সবারই সার্বক্ষণিক নজর আছে। মেকানিক্যাল ডিপার্টমেন্ট প্রতিদিন এটা দেখে, লুক আফটার করে।’
তিনি আরও বলেন, ‘বগি হেলে পড়লেও এটা ঝুঁকিপূর্ণ না। সঙ্গে সঙ্গে ব্যালেন্স করে ফেলা হয়। এখন এরকম হয়ে থাকলে আমি বলে দিচ্ছি।’









