চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) শাখা ছাত্রলীগের সদ্য ঘোষিত কমিটির পদবঞ্চিত নেতা-কর্মীরা আন্দোলন প্রত্যাহার করেছেন। মঙ্গলবার (২ আগস্ট) দুপুর সোয়া ১টার দিকে এক সংবাদ সম্মেলনে এই ঘোষণা দেন।
এ সময় ছাত্রলীগের কর্মী আল-আমিন বলেন, ‘গত ৩১ জুলাই চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখার পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। যেখানে স্থান পেয়েছে অধিকাংশই অছাত্র, বিবাহিত, পারিবারিকভাবে বিএনপি, জামাত-শিবিরের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। ত্যাগী, নির্যাতিত এবং যারা দীর্ঘ সময় ধরে প্রগতির পতাকাবাহী সংগঠনে শ্রম দিয়েছেন, তাদের কৌশলে বাদ দেওয়া হয়েছে। তাদের মূল্যায়নের দাবিতে পদবঞ্চিতরা আন্দোলন করে।’
তিনি আরও বলেন, ‘শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল আমাদের দাবিগুলো সম্পর্কে অবগত হয়েছেন। প্রশাসনের অনুরোধ ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের কথা বিবেচনা করে আন্দোলন এখানেই প্রত্যাহার করছি। আমাদের একটা প্রতিনিধি টিম শিক্ষা উপমন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের দায়িত্বরতদের সঙ্গে দেখা করবে। তারা যে সিদ্ধান্ত দেবেন তা আমরা মেনে নেবো।’
আরও পড়ুন: ছাত্রলীগের কমিটিকে কেন্দ্র করে অচল চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
এর আগে বেলা ১১টার দিকে এক ফেসবুক পোস্টে আন্দোলনরত পদবঞ্চিত ছাত্রলীগ কর্মীদের বিরুদ্ধে কঠোর হওয়া প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছিলেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল। এর পরই আন্দোলন স্থগিত করেন ছাত্রলীগ কর্মীরা।
সে সময় ছাত্রলীগ কর্মী দেলোয়ার হোসেন বলেছিলেন, ‘শিক্ষা উপমন্ত্রী আমাদের আশ্বাস দিয়েছেন, কমিটি বর্ধিত করার ব্যাপারে। এখন সিদ্ধান্ত উনার। উনি যে সিদ্ধান্ত দেবেন, আমরা মেনে নেবো।’
প্রসঙ্গত, গত ৩১ জুলাই রাত সাড়ে ১২টার দিকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের ৩৭৬ সদস্যের একটি কমিটি ঘোষণা করে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ। এতে সংগঠনটির সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্যের সই রয়েছে। কমিটি ঘোষণার পরপরই বিক্ষোভ শুরু করেন পদবঞ্চিত ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীরা।









