ছাত্রলীগ সভাপতি সাদ্দাম হোসেন বলেছেন, বঙ্গবন্ধুতনয়া শেখ হাসিনা আমাদের স্মার্ট বাংলাদেশের কথা বলেছেন। এ লক্ষ্যে তিনি স্মার্ট সিটিজেন, স্মার্ট ইকোনোমি, স্মার্ট গভর্নেন্স এবং স্মার্ট সোসাইটি—বাস্তবায়নের মাধ্যমে আমাদের স্মার্ট নেশন (জাতি) উপহার দিতে চাচ্ছেন। এবং অচিরেই আমরা স্মার্ট নেশন উপহার পাবো।
বৃহস্পতিবার (২৯ ডিসেম্বর) দুপর ১২টায় মেট্রোরেল চালু করায় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিন থেকে রাজু ভাস্কর্য পর্যন্ত আনন্দ শোভাযাত্রা শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
এসময় তিনি বলেন, মেট্রোরেল যেমন ঢাকা শহরের লাইফলাইন ঠিক তেমনি বঙ্গবন্ধুতনয়া বাংলাদেশের লাইফলাইন। আজকে আমরা স্মার্ট যানবাহনের যুগে প্রবেশ করেছি। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বিপ্লব সম্পন্নের পর ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণ করে ৫০ লাখ ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর দেশকে ১৩ কোটি ব্যবহারকারীর দেশে, মাত্র ৭০০ মার্কিন ডলার মাথাপিছু আয় থেকে ২৮২৪ মার্কিন ডলারে উন্নীত করে, ৪০ ভাগ বিদ্যুতায়নের দেশকে শতভাগ বিদ্যুতায়নের দেশে পরিণত করে তার নেক্সট টার্গেট নির্ধারণ করেছেন স্মার্ট বাংলাদেশ।
তিনি আরও বলেন, ২০৩০ সালের মধ্যে ৬টি মেট্রোরেল তৈরি করে শেখ হাসিনা আরেকটি বিপ্লব ঘটাবেন। মেট্রোরেলের কারণে দেশের জিডিপি বাড়বে। বদলে যাবে ঢাকা শহর। বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক পরিবেশ যেন সমুন্নত থাকে সেজন্য ছাত্রলীগের সকল স্তরের নেতাকর্মীদের প্রতি তিনি আহ্বান জানান।
রাজনৈতিক অপশক্তির বিষদাঁত ভেঙে দিতে তরুণ প্রজন্মকে শপথ গ্রহণের আহ্বান জানিয়ে ছাত্রলীগ সভাপতি বলেন, মানুষের ধর্মীয় অনুভূতি ও আমাদের পবিত্র মসজিদ-মন্দিরকে এরা ব্যবহার করে ফায়দা হাসিলের চেষ্টা করে। আমাদের নিজেদের ভবিষ্যৎকে নিরাপদ রাখার স্বার্থে তরুণ প্রজন্মকে সচেতন ও ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। এদের বিষদাঁত যাতে আমরা উপরে ফেলতে পারি সেই শপথ আমাদের গ্রহণ করতে হবে।
বক্তব্য প্রদানকালে ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান বলেন, মেট্রোরেল উদ্বোধনে আমরা যখন রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে দাঁড়িয়ে শেখ হাসিনার আরেকটি অর্জন উদযাপন করছি তখন ওই অপশক্তি, প্রেতাত্মাদের অন্তরে জ্বালা শুরু হয়েছে। তারা আগামীকাল ঢাকা শহরে নৈরাজ্যের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। আগামীকাল যদি তারা গণমিছিলের নামে গণহয়রানির চেষ্টা করে তাহলে দাঁতভাঙ্গা জবাব দেওয়া হবে। যদি একটি রিকশায়, একটি গাড়িতে, একটি সরকারি স্থাপনায় কেউ হাত দেওয়ার চেষ্টা করে তাহলে তাদের শক্ত হাতে প্রতিহত করুন। যে হাত কাল ঢাকায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করবে সেই হাত ঢাকা শহরের মানুষ ভেঙে ফেলবে।
এসময় আরও বক্তব্য দেন—ঢাবি শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মাজহারুল কবির শয়ন, সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান সৈকত, উত্তর মহানগরের সভাপতি রিয়াজ মাহমুদ, মহানগর দক্ষিণের সভাপতি রাজিবুল ইসলাম বাপ্পি ও সাধারণ সম্পাদক সজল কুণ্ডুসহ আরও অনেকে।









