পোশাকশ্রমিক হত্যার প্রতিবাদে জাবিতে বিক্ষোভ 

জাবি প্রতিনিধি
১৩ নভেম্বর ২০২৪, ১৮:৫১আপডেট : ১৩ নভেম্বর ২০২৪, ১৮:৫১

পোশাকশ্রমিক সান্ত্বনা হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদ ও বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার (১২ নভেম্বর) রাত ৮টায় ‘নিপীড়নের বিরুদ্ধে জাহাঙ্গীরনগর’র ব্যানারে বিক্ষোভ মিছিল করেন তারা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রান্সপোর্ট চত্বর থেকে মিছিলটি শুরু হয়ে নতুন রেজিস্ট্রার ভবন হয়ে বটতলায় এসে শেষ হয়। মিছিল শেষে নূরে তামিম স্রোতের সঞ্চালনায় সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বক্তারা। 

দর্শন বিভাগের শিক্ষার্থী সজীব আহমেদ জেনিস বলেন, ‘এই সরকারের কাছে আমাদের প্রত্যাশা ছিল, সরকার গঠনের পর তারা ঘোষণা কর‍বে আর কোনও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড হবে না। সরকারের ঘোষণা করা উচিত ছিল, আর কোনও শ্রমিক না খেয়ে মারা যাবে না, পুলিশের গুলিতে কোনও শ্রমিক মারা যাবে না, শ্রমিকদের বকেয়া বেতনের দাবিতে রাস্তায় নামতে হবে না। সাভার আশুলিয়ার শ্রমিকরা যে আশা নিয়ে গণঅভ্যুত্থানে অংশ নিয়েছিল, তার ফল হিসেবে পেয়েছে বুলেট আর গুলি। কিছুদিন আগে গুলিতে কাওছার আহমেদ মারা গেছে। রাষ্ট্রের নিরাপত্তা বিধান করতে হলে শ্রমিকদের নিরাপত্তার বিধান করতে হবে। আজকে যে পোশাকশ্রমিক মারা গেছে, সরকার তার নিরাপত্তা দিতে পারেনি। এই হত্যাকাণ্ডের তদন্ত সাপেক্ষে সুষ্ঠু বিচার করতে হবে, এটাই আমাদের দাবি।’

সমাপনী বক্তব্যে অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী প্রাপ্তি তাপসি বলেন, ‘সাভারের ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির পাশে একটি নারীর হাত কাটা, মাথা কাটা দেহ পাওয়া গেছে। গণঅভ্যুত্থানের এই সরকার হাজারো শিক্ষার্থী জনতার রক্তে অর্জিত সরকার। এই সরকার সকল নাগরিকের রক্তের দাম, জীবনের ন্যায্য অধিকার দেবে। নারীদের নিরাপত্তা নিয়ে অনেক প্রশ্ন উঠেছে। অনেক নারী অনিরাপদ মনে করছে। এরই মধ্যে নারী শ্রমিক যারা আছে তারা আরও বেশি অবহেলিত। তারা না পান বেতন ভাতা, না পান ন্যায্য অধিকার, না পান বসবাস এবং জীবন যাপনের জন্য সুষ্ঠু পরিবেশ। এই নারী শ্রমিককে যেভাবে হত্যা করা হয়েছে তার জন্য আমরা উদ্বিগ্ন। সরকারের কাছে আমাদের দাবি, বর্তমান আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর যে অবস্থা এই বাহিনীকে ঠিক করার জন্য তাদের মনোনিবেশ করতে হবে। পাশাপাশি শ্রমিক উপদেষ্টার কাছে আমাদের দাবি, যে শ্রমিকদের জন্য বাংলাদেশের অর্থনীতি টিকে আছে, তাদের সুযোগ সুবিধা দেবেন। এই হত্যাকাণ্ডের বিচার করবেন।’

 

/এএম/
সম্পর্কিত
পাবনায় কিশোরীকে হত্যা: কথিত প্রেমিকসহ ৩ জন গ্রেফতার
নিখোঁজ ব্যবসায়ীর হাত-পা বাঁধা মরদেহ উদ্ধার
সত্যি কি বাংলাদেশের শ্রমিকদের জোরপূর্বক কাজ করানো হয়
সর্বশেষ খবর
মূল্যস্ফীতির আগুনে পুড়ছে মানুষ, বাড়ছে বিদ্যুতের দাম এরপর কী
মূল্যস্ফীতির আগুনে পুড়ছে মানুষ, বাড়ছে বিদ্যুতের দাম এরপর কী
থানায় স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকে নির্যাতনের অভিযোগ, ৩ পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার
থানায় স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকে নির্যাতনের অভিযোগ, ৩ পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার
কট্টরপন্থি ইহুদিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার নির্দেশ নেতানিয়াহুর
কট্টরপন্থি ইহুদিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার নির্দেশ নেতানিয়াহুর
সংকোচে বিহ্বল নয়, আত্মবিশ্বাসে দৃপ্ত হোক নারী-কিশোরী 
সংকোচে বিহ্বল নয়, আত্মবিশ্বাসে দৃপ্ত হোক নারী-কিশোরী 
সর্বাধিক পঠিত
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম