সমাজে মৌলবাদী-ফ্যানাটিক প্রবণতা বাড়ছে: সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী

জবি প্রতিনিধি
০৪ আগস্ট ২০২৬, ০৫:১৬আপডেট : ০৪ আগস্ট ২০২৬, ০৫:১৬

সমাজে মৌলবাদী ও উগ্রবাদী (ফ্যানাটিক) প্রবণতা বাড়ছে বলে মন্তব্য করেছেন সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম। তিনি বলেন, এ প্রবণতা দেশের গণতান্ত্রিক ও অসাম্প্রদায়িক চেতনাকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। তাই বিভাজনের রাজনীতি পরিহার করে উদার গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনে সবাইকে ভূমিকা রাখতে হবে।

সোমবার (৩ আগস্ট) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় আবৃত্তি সংসদের আয়োজিত ৬৯তম আবৃত্তি উৎসবে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সমাজে একটি মৌলবাদী, ফ্যানাটিক প্রবণতা তৈরি হচ্ছে। এই ফ্যানাটিসিজম অত্যন্ত বিপজ্জনক। গণতন্ত্রের মূল চেতনা হলো—হিন্দু, মুসলমান, বৌদ্ধ, খ্রিস্টানসহ সব ধর্ম ও জাতিগোষ্ঠীর মানুষ সমান মর্যাদায় এই রাষ্ট্রে বসবাস করবে। রাষ্ট্রে কোনো ধরনের বৈষম্য থাকতে পারে না।

তিনি বলেন, রাষ্ট্র পুনর্গঠনের পাশাপাশি সমাজে বাড়তে থাকা উগ্রবাদী প্রবণতাও সরকারকে মোকাবিলা করতে হচ্ছে। সরকার গঠনের সঙ্গে সঙ্গেই সব সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়; রাষ্ট্র ও সমাজ পুনর্গঠনে সময়, ধৈর্য ও সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম বলেন, অসাম্প্রদায়িক, কল্যাণকর ও উদার গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গড়ে তুলতে হবে। এটাই আজ বিশ্বের গ্রহণযোগ্য পথ। এর বাইরে যে কোনো পথ সমাজে বিভাজন ও অস্থিরতা তৈরি করবে।

তিনি তরুণদের সুস্থ রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক চর্চার মাধ্যমে রাষ্ট্র গঠনে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান। পাশাপাশি সমাজে সহনশীলতা, মানবিক মূল্যবোধ ও সাংস্কৃতিক চেতনা বিকাশের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

অনুষ্ঠানে উদ্বোধনী বক্তব্য দেন অধ্যাপক ড. রইছ উদ্দিন। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক শেখ রেজাউদ্দিন আহম্মেদ, বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমিন এবং শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. ইমরানুল হক।

অনুষ্ঠারে কবি সম্মাননা পান যুগান্তর সম্পাদক কবি আবদুল হাই শিকদার এবং আবৃত্তিশিল্পী সম্মাননা পান রেজাউল হোসেন টিটো।

/এম/
সম্পর্কিত
জবি ছাত্রশক্তির নেতৃত্বে শাহিন মিয়া ও ফেরদৌস শেখ
‘এখনও ছেলের গেঞ্জি সঙ্গে নিয়ে ঘুমাই’, বললেন জুলাই শহীদ সাজিদের মা
শেখ হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে কী বললেন জবি প্রক্টর
সর্বশেষ খবর
টিভিতে আজকের খেলা (৪ আগস্ট, ২০২৬)
টিভিতে আজকের খেলা (৪ আগস্ট, ২০২৬)
গুমের অপরাধে মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে আইনের খসড়া অনুমোদন
গুমের অপরাধে মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে আইনের খসড়া অনুমোদন
যানজটে আটকা পড়ে রাস্তায় সন্তান প্রসব করলেন নারী, ঝুঁকিতে নবজাতক
যানজটে আটকা পড়ে রাস্তায় সন্তান প্রসব করলেন নারী, ঝুঁকিতে নবজাতক
ঘুরতে বেরিয়ে স্কুলছাত্রীকে রাস্তায় ফেলে পালালো প্রেমিক, পরে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার
ঘুরতে বেরিয়ে স্কুলছাত্রীকে রাস্তায় ফেলে পালালো প্রেমিক, পরে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার
সর্বাধিক পঠিত
জুলাই কুস্তিগিরদের আগাম অভিনন্দন, মাইর একটাও মাটিতে পড়বে না: মাহফুজ আলম
জুলাই কুস্তিগিরদের আগাম অভিনন্দন, মাইর একটাও মাটিতে পড়বে না: মাহফুজ আলম
৫ আগস্টের ছুটি কারা পাবেন, কারা পাবেন না
৫ আগস্টের ছুটি কারা পাবেন, কারা পাবেন না
নাম পাল্টালো বিশ্বের তৃতীয় ক্ষুদ্রতম দেশ
নাম পাল্টালো বিশ্বের তৃতীয় ক্ষুদ্রতম দেশ
ভূমি অফিসের সব কর্মকর্তাকে একসঙ্গে বরখাস্ত, কারণ জানালেন জেলা প্রশাসক
ভূমি অফিসের সব কর্মকর্তাকে একসঙ্গে বরখাস্ত, কারণ জানালেন জেলা প্রশাসক
কেন বাড়িঘর ফেলে চলে যাচ্ছেন টেকনাফের মানুষ, জনপ্রতিনিধিরাও আতঙ্কে
কেন বাড়িঘর ফেলে চলে যাচ্ছেন টেকনাফের মানুষ, জনপ্রতিনিধিরাও আতঙ্কে