গণমাধ্যমে সংবাদ পর্যবেক্ষণের জন্য মিডিয়া মনিটরিং সেন্টার খোলা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল ইনু। তিনি বলেন, অবাধ স্বাধীনতা ভোগের সুযোগে অনেক অনলাইন পত্রিকা, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও কিছু ব্লগ ধর্মকে ব্যবহার করে অসাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে লেখালেখি করছে। বুধবার জাতীয় সংসদের প্রশ্ন-উত্তর পর্বে সংসদ সদস্য পিনু খানের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।
স্পিকার ড শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে এ প্রশ্ন-উত্তর টেবিলে উত্থাপিত হয়।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, সামাজিক গণমাধ্যম বা ব্লগে কারও কারও লেখালেখিতে ধর্মপ্রাণ মানুষের ধর্মীয় অনুভূতি ও বিশ্বাসে আঘাত আসে। এ ধরনের লেখালেখি কেবল দায়িত্বহীন বা উস্কানিমূলক নয়; আইনবিরোধীও বটে। এ ধরনের লেখালেখিতে সাময়িক উত্তেজনা বা অশান্তি তৈরি হলেও সরকারের বলিষ্ঠ পদক্ষেপে হিন্দু মুসলিম ভ্রাতৃত্ব বা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট বা আস্তিক-নাস্তিক বিভেদ সৃষ্টির মতো পরিস্থিতির উদ্ভব হয়নি। ধর্মীয় অনুভূতি বা বিশ্বাসে আঘাত বা কোনও ধরনের অশান্তি সৃষ্টির ষড়যন্ত্র বা উস্কানির বিরুদ্ধে সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে।
হাসানুল হক ইনু বলেন, কিছু কিছু মিডিয়া, ব্লগ হিন্দু মুসলিম ও অন্যান্য ধর্মীয় বিশ্বাসের বিরুদ্ধে লেখালেখি করে সমাজে নাস্তিক-আস্তিক বিভেদ সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে। সরকার এ ধরনের ষড়যন্ত্র মোকাবিলার লক্ষ্যে আইনি দায়বদ্ধতা সৃষ্টিসহ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়েছে।
আরও পড়তে পারেন: ৮৩ মামলার চার্জশিট হয়েছে মাত্র ৪টির
অনলাইন নীতিমালার আওতায় অনলাইন পত্রিকাগুলো রেজিস্ট্রেশনের আওতায় আনা ও এর একটি ডাটাবেজ তৈরির কথাও জানান তথ্যমন্ত্রী।
গণমাধ্যমের উদ্দেশে তথ্যমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারের সময়ে সংবাদপত্র ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া অবাধ স্বাধীনতা ভোগ করছে। এ সব মিডিয়া বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশ করবে বলে সরকার সব সময় আশা প্রকাশ করে।
/ইএইচএস/এমএনএইচ/








