যুক্তরাষ্ট্র, চীন, রাশিয়া ও ভারতের মধ্যে দেশের সম্পদ ভাগ করে দিয়ে সরকার দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে ভয়ঙ্কর বিপদের মধ্যে ফেলে দিচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন তেল, গ্যাস, খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির সদস্য সচিব অধ্যাপক আনু মোহাম্মদ।
রবিবার বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে তেল, গ্যাস, খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটি আয়োজিত এক বিক্ষোভ সমাবেশে তিনি এ মন্তব্য করেন।
তিনি দাবি করেন, রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র সুন্দরবনে হলে ভারতের কৌশলগত স্বার্থ রক্ষা হবে।
তিনি জানান, ভারতের সঙ্গে এমন প্রকল্পের চুক্তি করেও জনগণের বাধার মুখে তা বাতিল করেছে শ্রীলঙ্কা। চীন ও ভারত জনবিধ্বংসী বিদ্যুৎ প্রকল্প থেকে সরে এসে নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ উৎপাদনে কাজ করছে। অন্যদিকে আমরা উল্টোপথে হাঁটছি।
গ্যাসভিক্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ঝুঁকি সবচেয়ে কম দাবি করে অধ্যাপক আনু মোহাম্মদ বলেন, বাংলাদেশের বঙ্গপোসাগরে যে গ্যাস আছে, তা শতভাগ যেন দেশের হয় তা নিশ্চিত করতে হবে। সেই সঙ্গে বিদেশি কোম্পানির হাত থেকে গ্যাসের নিয়ন্ত্র নিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহার করতে হবে। আর সুন্দরবন ধ্বংসকারী প্রকল্প বাতিল করতে হবে।
জনগণের উদ্দেশে এই তিনি বলেন, আপনারা বাঁশখালী, রূপপুর ও রামপালের মতো জনবিধ্বংসী প্রকল্পের বিরুদ্ধে সোচ্চার হোন। কারণ আমাদের ভরসা জনগণের কণ্ঠস্বর।
গণমাধ্যমের উদ্দেশে তিনি বলেন, এস আলম গ্রুপের বিজ্ঞাপনের কাছে আপনারা বিক্রি হবেন না। কারণ যেদিন থেকে পত্রিকায় এস আলম গ্রুপের বিজ্ঞাপনে পাতা ভরে গেছে, সেদিন থেকে বাঁশখালীর ঘটনা পত্রিকায় আসা বন্ধ হয়েছে।
বিক্ষোভ সমাবেশ শেষে একটি মিছিল বের করা হয়। বিক্ষোভ সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন, ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এম এম আকাশ, অধ্যাপক তানজীম উদ্দিন খান, সিপিবির প্রেসিডিয়াম সদস্য কমরেড রুহীন হোসেন প্রিন্স প্রমুখ।
আরও পড়ুন: ‘নতুন প্লাটফর্ম’ চায় বিএনপি
এসআইএস/এজে








