চলতি বছরের ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে মূলত সদস্য প্রার্থী ও তাদের সমর্থকদের ঘিরে নির্বাচনি সহিংসতা আবর্তিত হয়েছে বলে মনে করেন প্রধানমন্ত্রী। বুধবার সৌদি আরবসহ সাম্প্রতিক বিদেশ সফরকে কেন্দ্র করে গণভবনে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্নের উত্তর দানকালে প্রধানমন্ত্রী এ মত ব্যক্ত করেন।
এছাড়া দলীয় প্রতীকে নির্বাচন হওয়ায় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সহিংসতা বেড়েছে কিনা এমন এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, নির্বাচনি গোলোযোগ নতুন নয়। অতীতের তুলনায় সবচেয়ে বেশি সহিংসতা হয়েছে এমন অভিযোগও সত্য নয়।
১৯৮১, ১৯৮৬, ১৯৮৮, ১৯৯১, ১৯৯৬, ২০০৩ সালের বিভিন্ন সহিংসতার কথা উল্লেখসহ বাংলাদেশের জন্মলগ্ন থেকে বিভিন্ন সময়ের নির্বাচনি ইতিহাসের তুলনামূলক অধ্যয়নে পরামর্শ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী জানান, সহিংসতার খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ভোটকেন্দ্র বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে, উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
দলীয় প্রতীকে দাঁড়ানো চেয়ারম্যান প্রার্থীদের নিয়ে নয়, মূলত সদস্য প্রার্থীদের কেন্দ্র করেই ইউপি নির্বাচনে সহিংসতা আবর্তিত হয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।
বিদ্রোহী প্রার্থীদের বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত- এমন প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন বিদ্রোহী প্রার্থী আগেও দাঁড়িয়েছে। তবে ভবিষ্যতে যেন দাঁড়ায় সে ব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নির্বাচনি সহিংসতার বিরুদ্ধে সরকারের অবস্থানের কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এটা গ্রহণযোগ্য নয়। ভবিষ্যতে এ ধরনের পরিস্থিতি এড়াতে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হেবে।
আরও পড়ুন: ‘যারা মানুষ পুড়িয়ে মেরেছে তারাই গুপ্তহত্যা চালাচ্ছে’
/এইচকে/








