কল্যাণপুরে পুলিশি অভিযানে নিহত ৯ জঙ্গির ছবি প্রকাশ করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। এর মধ্যে একজনের ছবি জোবায়েরের না সাব্বিরের তা নিয়ে দুজনের পরিবারের মধ্যে দেখা দিয়েছে বিতর্ক।
বুধবার ডিএমপি প্রকাশিত ছবি দেখে নিহত ওই জঙ্গিকে সাব্বির ও জোবায়ের বলে আলাদাভাবে দাবি করেছে উভয়ের পরিবার। তবে ডিএমপির পক্ষ থেকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে গিয়ে দুই পরিবারকেই লাশ শনাক্তের কথা জানানো হয়েছে।
ডিএমপির ডেপুটি কমিশনার (মিডিয়া) মাসুদুর রহমান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, এক ছবি নিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে বিতর্ক শুরু হলে পুলিশের পক্ষ থেকে মর্গে গিয়ে স্বজনদের লাশ শনাক্ত করতে অনুরোধ করা হয়েছে। লাশ শনাক্তের পর জঙ্গিদের স্বজনদের ডিএনএ পরীক্ষা করা হবে। তারপর লাশ হস্তান্তর করা হবে।
ওই অভিযানে নিহত ৯ জঙ্গির মধ্যে তিনজনের পরিচয় মিলেছে। এরা হলেন- জোবায়ের হোসেন, সাব্বিরুল হক কণিক ও সেজাদ রউফ অর্ক ওরফে মরোক্কো।
এর মধ্যে সাব্বির ছয় ও জোবায়ের চার মাস ধরে নিখোঁজ ছিল। জোবায়েরের বাড়ি নোয়াখালীর মাইজদি এলাকায়। নোয়াখালী সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের রাষ্ট্র বিজ্ঞানের ছাত্র ছিল সে। আর সাব্বিরের বাড়ি চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার বরুমছড়া ইউনিয়নে। ইন্টারন্যাশনাল ইসলামী বিশ্বাবিদ্যালয়ের ইকোনোমিক অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের ছাত্র ছিল সে। তার বাবা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি আজিজুল হক চৌধুরী বলে একটি সূত্রে জানা গেছে।
সেজাদের বাড়ি ঢাকার বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার ১০ নম্বর রোডের ব্লক-সি, ৩০৪ নম্বর বাড়ি। তার বাবার নাম তৌহিদ রউফ। নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের এমবিএ-র ছাত্র ছিল সে। শাহবাগ থানার একটি অস্ত্র মামলার আসামি ছিল সেজাদ। গুলশান হামলায় নিহত জঙ্গি নিবরাসের সঙ্গে পালিয়ে গিয়েছিল সে। র্যাব ঘোষিত নিখোঁজদের সর্বশেষ ৬৮ জনের তালিকায় তার নাম ছিল। গত ১৬ ফেব্রুয়ারি ভাটারা থানায় তার বাবা সাধারণ ডায়েরি (ডিজি) করেন।
/জেইউ/এসএনএইচ/ এপিএইচ/
আরও পড়ুন-
গুলশান ও কল্যাণপুরের জঙ্গিদের কানেকশনের প্রমাণ ছবিতেই!
খালেদার চা-চক্র থেকে আসছে জাতীয় ঐক্যের রোডম্যাপ: নির্ধারিত হবে জামায়াতের ভাগ্যও!
দারুল ইহসানের শিক্ষার্থীরা কর্তৃপক্ষের কাছে ৫ লাখ টাকা দাবি করতে পারবে








