
দ্রুত সময়ের মধ্যে ঢাকা শহরের চারপাশের নদীগুলোর দূষণরোধ, নাব্যতা বাড়ানো এবং নদীগুলোকে অবৈধ দখলমুক্ত করতে কাজ শুরু করবে স্টিয়ারিং কমিটি। এ কমিটির নেতৃত্ব দেবেন নৌবাহিনীর প্রধান অ্যাডমিরাল নিজাম উদ্দিন আহমেদ।
বুধবার সচিবালয়ে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত নদীর নাব্যতা রক্ষার্থে গঠিত টাস্কফোর্সের এক বিশেষ সভায় এ তথ্য জানানো হয়। নৌপরিবহনমন্ত্রী ও টাস্কফোর্সের সভাপতি শাজাহান খান বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম, বিদ্যুৎ-জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ, নৌ বাহিনীর প্রধান অ্যাডমিরাল নিজাম উদ্দিন আহমেদ, সংসদ সদস্য সানজিদা খানম, নৌ-মন্ত্রণালয়ের সচিব অশোক মাধব রায় প্রমুখ।
সভায় ঢাকার নদীগুলোর দখল ও দূষণরোধ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের কৌশলপত্র ও ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা উপস্থাপন করা হয়। গত ২৪ জুলাই নৌবাহিনী এ কৌশলপত্র পেশ করে।
বৈঠকে জানানো হয়, বুড়িগঙ্গা নদীতে প্রতিদিন গড়ে ঢাকা শহরের প্রায় চার হাজার ৫শ’ টন আবর্জনা এবং ২২ হাজার লিটার ট্যানারির বিষাক্ত বর্জ্য নিষ্কাশিত হচ্ছে। তুরাগ নদীতে প্রতিদিন গড়ে ৭ হাজার ১৫৯ কোটি লিটার শিল্প বর্জ্য নিষ্কাশিত হচ্ছে। ঢাকা শহরের চারপাশে নদীগুলোর দূষণের প্রধান কারণ ৬০ শতাংশ শিল্প বর্জ্য।যার মধ্যে ৩৭/৪০ শতাংশ ট্যানারি বর্জ্য, ১৫ শতাংশ হাসপাতালের বর্জ্যসহ কঠিন বর্জ্য (পয়ঃ ও গৃহস্থালি বর্জ্য) এবং ১০ শতাংশ নৌযান দ্বারা দূষিত বর্জ্য। নদীদূষণের ফলে স্বাস্থ্য পরিবেশ ও অর্থনীতিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে তা ক্ষতিকর প্রভাব ফেলছে।
কৌশলপত্রে একবছরের স্বল্প মেয়াদি, তিন বছরের মধ্য মেয়াদি এবং ৫ বছরের দীর্ঘ মেয়াদি পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
/এসআই/এসএনএইচ/টিএন/
আরও পড়ুন: শফিক রেহমানকে শর্ত সাপেক্ষে জামিন








