সিটিসেল গ্রাহকদের অপারেটর পরিবর্তনের সুযোগ নিতে দেওয়া বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) এর বিজ্ঞপ্তি স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট। বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী ও বিচারপতি মো. আতাউর রহমান খান সিটিসেলের করা এক রিট আবেদনের শুনানি নিয়ে আজ এ আদেশ দেন।
গত ৩১ জুলাই সিটিসেলের গ্রাহকদের উদ্দেশে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) জানায়, দুই সপ্তাহের মধ্যে বিকল্প সেবা গ্রহণের জন্য গ্রাহকদের আহ্বান জানানো হয়। পরবর্তীতে ১৭ আগস্ট আরও দুই সপ্তাহ সময় দিয়ে আরেকটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। সিটিসেলের রিটের ভিত্তিতে সেই বিজ্ঞপ্তি স্থগিত করা হলো।
বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন থেকে ২০১২ সালের ৭ আগস্ট পিবিটিএল’র (সিটিসেল) সেল্যুলার মোবাইল ফোন অপারেটর লাইসেন্সসহ ৮ দশমিক ৮২ মেগাহার্জ তরঙ্গ নবায়ন করা হয়। সেই লাইসেন্সের শর্ত অনুযায়ী সিটিসেল তরঙ্গ নবায়ন ফি এর দ্বিতীয় ও তৃতীয় কিস্তির অর্থ নির্ধারিত সময় অতিবাহিত হওয়ার পরও পরিশোধ করেনি।
সরকারের পাওনা শোধ করতে না পারায় বন্ধের প্রক্রিয়ার একেবারে শেষ পর্যায়ে এসে আদালতের নির্দেশে গত ২২ আগস্ট প্রায় এক মাস সময় পায় বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরনো মোবাইল ফোন অপারেটরটি। বার বার তাগাদা দেওয়ার পরও পৌনে পাঁচশ কোটি টাকা বকেয়া শোধ করতে না পারায় সিটিসেলের তরঙ্গ কেন বাতিল করা হবে না- তা জানতে চেয়ে গত ১৭ আাগস্ট সিটিসেলকে নোটিশ দিয়েছিল টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি। জবাব দেওয়ার জন্য এক মাস সময় দেওয়া হয়েছিল নোটিসে। সে পর্যন্ত সিটিসেলকে তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ দিতে বলেছে হাইকোর্ট।
আরও পড়ুন-
ফেসবুকে হয়রানি: প্রতিকার মিলবে যেভাবে
চাকরি ফিরে পেতে যা করতে পারেন বাবুল আক্তার
/ইউআই/এফএস/








