টঙ্গীর বিসিক শিল্প এলাকায় টাম্পাকো ফয়লস লিমিটেড নামের প্যাকেজিং কারখানায় বয়লার বিস্ফোরণের ঘটনায় আশপাশের ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, কারখানটির উত্তর পাশেই এক-দুই কক্ষ বিশিষ্ট ছোট ছোট টিনশেড ঘর রয়েছে রেল লাইন পর্যন্ত। ভবনটি ধসে পড়ার পর কংক্রিট পড়ে টিনশেড ৮-১০টি ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে আশিক (১৫) নামে এক কিশোর আহত হয়েছে। তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
টিনশেড ওই আবাসিক এলাকার বাসিন্দা মিলন মিয়া বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘কারখানার কংক্রিট পড়ে আমার ঘরও ভেঙে গেছে।’
কারখানার পাশের বাসিন্দা ফুলেজা খাতুন বলেন, ‘আমি ভোরে নামাজ পড়ছিলাম তখন বিকট শব্দ পাই। বের হয়ে দেখি কারখানার উপর দিয়ে ধোঁয়া বের হচ্ছে। এরপর দেখি আগুন জ্বলে। কিছুক্ষণ পর কারখানটি ডেবে যায়।’
প্রসঙ্গত, শনিবার ভোরে গাজীপুরের টঙ্গীর বিসিক শিল্প এলাকায় টাম্পাকো কারখানায় বয়লার বিস্ফোরণ হয়। এতে দগ্ধ হয়ে অন্তত ২১ জন নিহত হয়েছেন। আহত অর্ধশতাধিক। এ ঘটনায় হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে পারে বলে জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শী এবং হাসপাতাল ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। হতাহতরা টঙ্গী ৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল ও ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে আছেন।
নিহতদের মধ্যে রয়েছেন- টাম্পাকোর সিকিউরিটি গার্ড আবদুল হান্নান ও জাহাঙ্গীর, প্রিন্টিং টেনিশিয়ান রফিকুল ইসলাম, শিফট ইনচার্জ শুভাশিশ চন্দ্র, জেনারেটর অপরেটর আনিসুর রহমান, ক্লিনার শঙ্কর সরকার। ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিহতরা হচ্ছেন- সিকিউরিটি গার্ড দেলোয়ার হোসেন (৪৫), মেশিনম্যান আনোয়ার হোসেন (৪০), শ্রমিক অহিদুজ্জামান স্বপন (৩৪) ও অজ্ঞাত নারী।
আরও পড়ুন:
টঙ্গীতে বয়লার বিস্ফোরণে নিহত অন্তত ২১
বিস্ফোরণের পর ধসে গেছে টঙ্গীর ওই কারখানা
/বিটি/








