নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়ে সেলিনা হায়াৎ আইভীর প্রথম প্রতিক্রিয়া ছিল- ‘আমি ভীষণ খুশি।’ তাকে প্রার্থী মনোনীত করায় তিনি দলের সভাপতি শেখ হাসিনাকে সালাম করেন এবং তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
তিনি বলেন, ‘আমি জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রতি আমার ও আমার প্রয়াত বাবা আলী আহাম্মদ চুনকার পরিবার থেকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি। আমি নারায়ণগঞ্জের আওয়ামী লীগের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের পক্ষ থেকেও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।’
শুক্রবার সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রীর সরকারির বাসভবন গণবভনে তাকে এই মনোনয়ন দেওয়া হয়। এর আগে আওয়ামী লীগের স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ডের সভায় বিষয়টি চূড়ান্ত হয়। আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ ও স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ডের সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত বাংলা ট্রিবিউনকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে মনোনয়ন নিয়েও শতভাগ আত্মবিশ্বাসী ছিলেন আইভী। তিনি জানিয়েছিলেন, আমি শতভাগ আশাবাদী দল ও নেত্রী আমাকে মনোনয়ন দেবেন। আর কেন্দ্রীয় বোর্ডের কাছে নিজের নাম না থাকাটাও ‘স্বাভাবিক’ জানিয়েছিলেন আইভী।
গত মঙ্গলবার নারায়ণগঞ্জ মহানগর আওয়ামী লীগ এক বর্ধিত সভা করে সিটি করপোরেশন (নাসিক) নির্বাচনে মেয়র পদে মনোনয়নের জন্য তিন জনের নাম ঠিক করে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের কাছে পাঠায়। সেখানে বর্তমান মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভীর নাম ছিল না। কিন্তু আইভী গত বৃহস্পতিবার দুপুরেও বলেন, ‘আমি আশা করি, আওয়ামী লীগ থেকে আমাকে মনোনয়ন দেওয়া হবে।’ তিনি বলেন,‘তবে দল যে সিদ্ধান্ত আমি সেটাই মেনে নেব। ’
উল্লেখ্য, নির্বাচন কমিশন নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা অনুযায়ী আগামী ২২ ডিসেম্বর নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
তিনি বলেন, ‘আমি জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রতি আমার ও আমার প্রয়াত আলী আহাম্মদ চুনকার পরিবার থেকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি। আমি নারায়ণগঞ্জের আওয়ামী লীগের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের পক্ষ থেকেও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।’
/টিএইচ/এপিএইচ/এইচকে/








