অক্টোবরে মিয়ানমার সীমান্তে পুলিশ চৌকিতে আক্রমণের পর আক্রান্ত ৩৪ হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে ঢুকেছে। রোহিঙ্গাদের ওপর মিয়ানমারের সশস্ত্র বাহিনী নির্যাতন শুরু করলে তারা দলে-দলে সীমান্ত অতিক্রম করে বাংলাদেশে ঢুকতে বাধ্য হয়েছে। আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলী ইন্দোনেশিয়ার পররাষ্টমন্ত্রী রেতনো মারসুদিকে নিয়ে কক্সবাজারের উখিয়ায় কুতুপালং শরণার্থী শিবির পরিদর্শন করেছেন। এ সময় তারা একটি উদ্বাস্তু শিবির ও অনিবন্ধিত মিয়ানমার নাগরিকদের জন্য তৈরি একটি অস্থায়ী শিবির পরিদর্শন করেন।
মঙ্গলবার সকাল ১১টা থেকে ১২ পর্যন্ত শরণার্থী শিবির পরিদর্শন করে তারা রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতনের কথা শোনেন। এর আগে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলী বাংলাদেশে সফররত ইন্দোনেশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেতনো মারসুদিকে বহনকারী হেলিকপ্টার বেলা ১১টার দিকে উখিয়া পৌঁছায়। পরে তারা কুতুপালং শরণার্থী শিবিরে যান। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম ও পররাষ্ট্র সচিব শহিদুল হকও তাদের সঙ্গে ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত অক্টোবরে মিয়ানমার সীমান্ত চৌকিতে আক্রমণে কয়েকজন পুলিশ নিহত হন। এরপর মিয়ানমারের সশস্ত্র বাহিনী নিরীহ রোহিঙ্গাদের ওপর আক্রমণ চালায়। এখন পর্যন্ত শতাধিক রোহিঙ্গা নিহত হয়েছেন এবং ৩০ হাজারের বেশি গৃহহারা হয়েছেন।
এদিকে রাখাইন প্রদেশের সহিংস ঘটনার সর্বশেষ অবস্থা জানানোর জন্য মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সিলর ও আসিয়ানভুক্ত দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের নিয়ে সোমবার মিয়ানমারে এক বৈঠক করেছেন অং সান সু চি। ওই বৈঠকে অংশ নেওয়ার পর ইন্দোনেশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী রাতে বাংলাদেশে আসেন।
এরই মধ্যে মালয়েশিয়া কঠোরভাষায় রোহিঙ্গাদের ওপর মিয়ানমার সশস্ত্র বাহিনীর আক্রমণের নিন্দা জানিয়েছে।
মিয়ানমার সরকার রোহিঙ্গাদের নাগরিক হিসেবে স্বীকার করে না এবং তারা কোনও ধরনের নাগরিক সুবিধাও ভোগ করেন না।
এসএসডেজ/এমএনএইচ/








