রাজধানীতে শেষ হলো মাংস ব্যবসায়ীদের ছয় দিনের ধর্মঘট কর্মসূচি। ঢাকা মেট্রোপলিটন মাংস ব্যবসায়ী সমিতির ডাকে সোমবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) শুরু হয়েছিল এ ধর্মঘট। পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী আজ শনিবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) তা শেষ হলো। শনিবার সন্ধ্যায় এ খবর নিশ্চিত করেছেন মেট্রোপলিটন মাংস ব্যবসায়ী সমিতির উপদেষ্টা ও বাংলাদেশ মাংস ব্যবসায়ী সমিতির মহাসচিব রবিউল আলম।
ধর্মঘট শেষ হওয়া প্রসঙ্গে রবিউল আলম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘চার দফা দাবিতে আমরা ছয় দিন শুধু ঢাকায় ধর্মঘট করেছি। এ নিয়ে সরকার আমাদের সঙ্গে আলোচনার প্রস্তাব দিয়েছে। সেজন্য ধর্মঘট শেষ করেছি আমরা।’ তিনি বলেন, ‘রবিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টায় বাণিজ্যমন্ত্রী কথা বলার জন্য আমাদের ডেকেছেন। বেলা ২টায় মিটিংয়ের প্রস্তাব দিয়েছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন। এই দুইটি বৈঠকেই আমরা অংশ নেব। এরপর বিকাল ৫টায় গাবতলী পশুর হাটে সংবাদ সম্মেলন করব।’
রবিউল আলম বলেন, ‘গাবতলী হাটে সংবাদ সম্মেলন করার সময় সেখানকার সন্ত্রাসী কালা মইজা বাহিনী আমাদের ওপর হামলা করতে পারে। আমরা নিরাপত্তা চাইছি। যদি হামলা হয় তাহলে সোমবার থেকে সারাদেশে মাংস ব্যবসায়ীদের ধর্মঘট হবে। আর হামলা না হলে আমরা শান্তিপূর্ণভাবে নিজ নিজ ব্যবসায় ফিরে যাব।’
এর আগে চার দফা দাবিতে রাজধানীতে মাংস ব্যবসায়ীরা ধর্মঘট শুরু করে। এই দাবি চারটি হলো— গাবতলী হাটে ইজারাদারের অত্যাচার ও অতিরিক্ত খাজনা আদায় বন্ধ করতে হবে, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) দুর্নীতিবাজদের শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে, সীমান্তে হুন্ডি ব্যবসায়ীদের কবল থেকে গরুর ব্যবসাকে মুক্ত করতে হবে ও চামড়া শিল্প নগরীকে কার্যকর করতে হবে।
প্রসঙ্গত, ধর্মঘটের ছয় দিনই রাজধানীর মাংসের দোকানগুলো বন্ধ থাকে। এতে বিপাকে পড়েন রেস্টুরেন্ট ব্যবসায়ী ও নাগরিকেরা। এসময় গরুর মাংস না থাকায় চাপ পড়ে মুরগির মাংসের ওপর।
আরও পড়ুন-
রাজধানীতে মাংস ব্যবসায়ীদের ধর্মঘট চলছে
গরুর মাংসের কেজি ৩০০ টাকা করতে যা চান মাংস ব্যবসায়ীরা
/ওএফ/টিআর/








